বদর, উহুদ, খন্দক ও হুদাইবিয়া
বদর (২ হিজরি)
তিনশো তেরো জনের বিরুদ্ধে এক হাজার। ফলাফল স্পষ্ট বিজয়। বন্দিদের সাথে ব্যবহার ছিল বিস্ময়কর — মুক্তিপণ হিসেবে দশজন মুসলিম শিশুকে লেখাপড়া শেখানো।
উহুদ (৩ হিজরি)
তীরন্দাজ বাহিনী পাহাড় ছেড়ে নেমে এলে বিজয় পরাজয়ে বদলে যায়। সত্তরজন শহীদ, নবীজি ﷺ নিজেও আহত। কুরআন এ থেকে শেখায় — আদেশ অমান্য করলে সংখ্যা কাজে আসে না।
খন্দক বা আহযাব (৫ হিজরি)
দশ হাজারের বাহিনী; সালমান ফারসি (রাঃ)-এর পরামর্শে শহরের উত্তরে পরিখা খনন। এক মাসের অবরোধ শেষে ঝড়ে শত্রুরা ফিরে যায়।
হুদাইবিয়ার সন্ধি (৬ হিজরি)
শর্তগুলো দেখে সাহাবিদের অনেকের কাছে মনে হচ্ছিল এ যেন হার। অথচ কুরআন একে বলল “সুস্পষ্ট বিজয়”। যুদ্ধ থেমে যাওয়ায় মানুষ ইসলামকে কাছ থেকে দেখল; দুই বছরে যত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে, আগের উনিশ বছরেও তত হয়নি।
পাঠ: সাময়িক ছাড় মানেই পরাজয় নয় — শান্তি অনেক সময় তলোয়ারের চেয়ে বেশি দরজা খুলে দেয়।