মূল লেখায় যান
২২ অক্টোবর ২০২৬ ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বদর, উহুদ, খন্দক ও হুদাইবিয়া

বদর (২ হিজরি)

তিনশো তেরো জনের বিরুদ্ধে এক হাজার। ফলাফল স্পষ্ট বিজয়। বন্দিদের সাথে ব্যবহার ছিল বিস্ময়কর — মুক্তিপণ হিসেবে দশজন মুসলিম শিশুকে লেখাপড়া শেখানো।

উহুদ (৩ হিজরি)

তীরন্দাজ বাহিনী পাহাড় ছেড়ে নেমে এলে বিজয় পরাজয়ে বদলে যায়। সত্তরজন শহীদ, নবীজি ﷺ নিজেও আহত। কুরআন এ থেকে শেখায় — আদেশ অমান্য করলে সংখ্যা কাজে আসে না।

খন্দক বা আহযাব (৫ হিজরি)

দশ হাজারের বাহিনী; সালমান ফারসি (রাঃ)-এর পরামর্শে শহরের উত্তরে পরিখা খনন। এক মাসের অবরোধ শেষে ঝড়ে শত্রুরা ফিরে যায়।

হুদাইবিয়ার সন্ধি (৬ হিজরি)

শর্তগুলো দেখে সাহাবিদের অনেকের কাছে মনে হচ্ছিল এ যেন হার। অথচ কুরআন একে বলল “সুস্পষ্ট বিজয়”। যুদ্ধ থেমে যাওয়ায় মানুষ ইসলামকে কাছ থেকে দেখল; দুই বছরে যত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে, আগের উনিশ বছরেও তত হয়নি।

পাঠ: সাময়িক ছাড় মানেই পরাজয় নয় — শান্তি অনেক সময় তলোয়ারের চেয়ে বেশি দরজা খুলে দেয়।