হিজরত ও নতুন এক শহর
ইসরা ও মি‘রাজের পর মদিনার কিছু মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেন; দুই বছরে দুটি বাইআত হয় আকাবায়। এরপর আল্লাহর অনুমতিতে হিজরত।
নবীজি ﷺ আবু বকর (রাঃ)-কে নিয়ে রওনা হন; সাওর গুহায় তিন দিন। সেই গুহায় ভয় পেয়ে আবু বকর (রাঃ) বললে তিনি বলেন:
لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَاলা তাহযান ইন্নাল্লাহা মা‘আনাভয় পেয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন। (সূরা তাওবা ৯:৪০)
মদিনায় পৌঁছে তিনটি কাজ করেন — এই তিনটিই যেকোনো সমাজ গড়ার ভিত্তি:
- মসজিদ — মসজিদে নববী, শুধু নামাজের নয়, শিক্ষা ও রাষ্ট্রীয় আলোচনারও কেন্দ্র।
- ভ্রাতৃত্ব — মুহাজির ও আনসারকে জোড়া বেঁধে দেওয়া; আনসাররা নিজের ঘর-সম্পদ ভাগ করে দেন।
- মদিনার সনদ — মুসলিম, ইহুদি ও অন্যান্য গোত্রের মধ্যে লিখিত চুক্তি: নগরীর নিরাপত্তা সবার দায়িত্ব।
এই সনদকে অনেকে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান বলেন।