নবীজির আগের আরব
ষষ্ঠ শতকের আরব ছিল গোত্রের সমাজ। কাবা ঘরে ইব্রাহিম (আঃ)-এর রেখে যাওয়া তাওহিদের বদলে তখন তিনশতাধিক মূর্তি। লেখাপড়া জানত অল্প কয়েকজন, কিন্তু স্মৃতিশক্তি ও কবিতা ছিল অসাধারণ।
সমাজের চেহারা ছিল এমন:
- গোত্রই সব — ন্যায়-অন্যায়ের চেয়ে বড় ছিল নিজের গোত্রের পক্ষ নেওয়া।
- দুর্বলের কোনো অধিকার ছিল না — দাস, নারী ও এতিমের সম্পদ সহজেই কেড়ে নেওয়া হতো।
- কন্যাসন্তানকে জীবন্ত পুঁতে ফেলা — কিছু গোত্রে এই নিষ্ঠুরতা চালু ছিল।
- সুদ ও জুয়া — অর্থনীতির ভিত্তি ছিল এগুলোই।
তবু ভালো দিকও ছিল: অতিথিপরায়ণতা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা, সাহস ও স্পষ্ট ভাষা। ইসলাম এসে খারাপটা মুছে দিয়েছে, ভালোটাকে আরও উঁচুতে তুলেছে। নবীজি ﷺ বলেছেন: “আমি প্রেরিত হয়েছি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতা দিতে।”
এই অবস্থাকে বলা হয় জাহিলিয়্যাত — জ্ঞানের অভাব নয়, বরং আল্লাহকে না জানার অন্ধকার।