মূল লেখায় যান
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সফর

সফরের শুরুতে (প্রথমে তিনবার আল্লাহু আকবার)

لِتَسْتَوُۥا۟ عَلَىٰ ظُهُورِهِۦ ثُمَّ تَذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا ٱسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا۟ سُبْحَٰنَ ٱلَّذِى سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقْرِنِينَ ١٣ وَإِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ ١٤লিতাসতাঊ ‘আলা যুহূরিহী ছুম্মা তাযকুরূ নি‘মাতা রাব্বিকুম ইযাসতাওয়াইতুম ‘আলাইহি ওয়াতাকূলূ সুবহা-নাল লাযী সাখ্খারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহূ মুকরিনীন ওয়াইন্না- ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবূন(১৩) যাতে তোমরা যখন তাদের পিঠে স্থির হয়ে বস, তখন যেন তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর আর বল- মহান ও পবিত্র তিনি যিনি, এগুলোকে আমাদের (ব্যবহারের জন্য) বশীভূত করে দিয়েছেন, আমরা এগুলোকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। (১৪) আর আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের প্রতিপালকের দিকে ফিরে যেতে হবে।সূরা আয-যুখরুফ ৪৩:১৩-১৪
মুসলিম ১৩৪২

নৌযান বা যানবাহনে ওঠার সময়

۞ وَقَالَ ٱرْكَبُوا۟ فِيهَا بِسْمِ ٱللَّهِ مَجْر۪ىٰهَا وَمُرْسَىٰهَآ ۚ إِنَّ رَبِّى لَغَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ٤١ওয়াকা-লারকাবূ ফীহা বিসমিল্লা-হি মাজরা-হা ওয়ামুরসা-হা- ইন্না রাব্বী লাগাফূরুর রাহীমনূহ বলল, ‘এতে আরোহণ কর, আল্লাহর নামে এর গতি ও এর স্থিতি, আমার প্রতিপালক অবশ্যই বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।’সূরা হূদ ১১:৪১

কোথাও যাত্রাবিরতি করলে

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খালাক
আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের উসিলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।
মুসলিম ২৭০৮