। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমাদেরকে বৃষ্টিতে পেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার ইচ্ছা নিজের হাওদার মধ্যে নামায আদায় করে নিতে পারে। -সহীহ। ইরওয়া- (২/৩৪০, ৩৪১), সহীহ আবু দাউদ- (৯৭৬)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, সামুরা, আবুল মালীহ নিজ পিতার সূত্রে ও আবদুর রহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। বিদ্বানগণ বৃষ্টি ও কাদা মাটির কারণে জামা'আত ছেড়ে ঘরে নামায আদায়ের সম্মতি দিয়েছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। আবু যুর'আহ বলেন, 'আফফান ইবনু মুসলিম (রহঃ) আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ)-এর সূত্রে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু যুর'আ আরো বলেন, আমি বসরায় আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনুশ শাযাকুনী ও আমর ইবনু আলী (রহঃ)-এর চেয়ে বড় হাফিজে হাদীস দেখিনি।
Jabir narrated:"We were with the Prophet (S) on a journey when it started to rain on us, so the Prophet (S) said: 'Whoever wishes, let him perform Salat in his place
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি যদি নামাযের শেষে (তাশাহহুদের জন্য) বসে সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম করে তবে তার নামায জায়িয হবে (নতুন করে আদায় করতে হবে না)। যঈফ, আবূ দাউদ (২৬, ১৮১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। এর বর্ণনাকারীগণ তাদের বর্ণনায় গরমিল করেছেন। এ হাদীসের ভিত্তিতে একদল মনীষী বলেছেনঃ তাশাহহুদ পাঠের পরিমাণ সময় বসার পর এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম হলে নামায পূর্ণ হয়ে যাবে। অপর একদল মনীষী বলেছেনঃ যদি তাশাহহুদ ও সালাম ফিরানোর পূর্বে বাতকর্ম হয় তবে আবার নামায আদায় করতে হবে। ইমাম শাফিঈ একথা বলেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, যদি তাশাহহুদ পাঠ না করে সালাম ফিরানো হয় তবে নামায হয়ে যাবে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “নামাযের সমাপ্তি ঘোষণা হল সালাম " আর তাশাহহুদ এমন কোন জরুরী বিষয় নয়। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশাহহুদ না পাঠ করেই দ্বিতীয় রাকাআত থেকে উঠে দাড়ালেন এবং নামায পূর্ণ করলেন। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেছেন, তাশাহহুদ পাঠের পর এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে (বাতকর্ম হলে) নামায জায়িয হবে। তিনি ইবনু মাসউদের হাদীসকে তার মতের সমর্থনে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দেওয়ার সময় বললেনঃ إِذَا فَرَغْتَ مِنْ هَذَا فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ “যখন তুমি এটা পাঠ করে অবসর হলে, তখন তোমার দায়িত্ব শেষ হল।” আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের এক রাবী আবদুর রহমান ইবনু যিয়াদকে হাদীসবিশারদগণ দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আহমাদ ইবনু হাম্বল তাদের মধ্যে আছেন।
Abdullah bin Amr narrated that:Allah's Messenger (S) said: "When he commits Hadath - meaning a man - and he is sitting in the end of his Salat before saying the Taslim, then his Salat is acceptable
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, গরীব সাহাবাগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এলেন। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ধনীরা আমাদের মত নামায আদায় করে এবং রোযা রাখে। তাদের সম্পদ আছে, তারা দাস আযাদ করতে পারে এবং দান-খায়রাত করতে পারে। তিনি বললেনঃ যখন তোমরা নামায আদায় করবে তখন (নামায শেষে) তেত্রিশ বার "সুবহানাল্লাহ' তেত্রিশবার "আলহামদু লিল্লাহ,” চৌত্রিশ বার “আল্লাহু আকবার" এবং দশবার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" পাঠ করবে। যারা (সাওয়াবের ক্ষেত্রে) তোমাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে এর দ্বারা তোমরা তাদেরকে ধরে ফেলতে পারবে না। সনদ দুর্বল, তালীকুর রাগীব (২২৬০), তাহলীলের অংশটুকু মুনকার এ অনুচ্ছেদে কাব ইবনু উজরা, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, যাইদ ইবনু সাবিত, আবূ দারদা, ইবনু উমার আবূ যার, আবূ হুরাইরা ও মুগীরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান গারীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ দুটি বৈশিষ্ট্য যে মুসলিমের মধ্যে পাওয়া যাবে সে জান্নাতে যাবে। তার একটি হল, প্রতি ওয়াক্তের নামাযের পর দশবার “সুবহানাল্লাহ,” দশবার "আলহামদু লিল্লাহ" এবং চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা। দ্বিতীয়টি হল, শোয়ার সময় তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ" তেত্রিশবার "আলহামদুলিল্লাহ" এবং চৌত্রিশবার "আল্লাহু আকবার" পাঠ করা।
Ibn Abbas narrated:"Some of the poor people came to Allah's Messenger (S) and said: 'O Messenger of Allah (S)! The rich pray as we pray, they fast as we fast, but they have wealth with which they free slaves and which they give in charity.' He said: 'When you perform Salat, then say: 'Subhan Allah' thirty-three times, and: 'Al-Hamdulillah' thirty-three times, and: 'Allahu Akbar' thirty-four times, and 'La ilaha illallah' ten times. With that you will have surprassed them, and none would surpass you afterwards
। সাবরা ইবনু মা'বাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাত বছর বয়সে বালকদের নামায শিখাও এবং দশ বছরে পৌছলে নামায আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য দৈহিক শাস্তি দাও। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাসান সহীহ। মিশকাত- (৫৭২, ৫৭৩), সহীহ আবু দাউদ(২৪৭), ইরওয়া- (২৪৭), তা’লীক আলা ইবনু খুজাইমাহ– (১০০২)। আবু ঈসা বলেনঃ সাবরা ইবনু মা'বাদের হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একথা বলেছেন। তারা উভয়ে বলেছেন, কোন বালক দশ বছরের পর নামায না আদায় করলে এগুলোর কাযা তাকে অবশ্যই আদায় করতে হবে। আবু ঈসা বলেনঃ সাবরা হলেন ইবনু মা'বাদ আল-জুহানী, এও বলা হয়ে থাকে যে, তিনি ইবনু আওসাজাহ।
(Sabrah bin Ma'bad al-Juhni) narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Teach the boy Salat when he is seven years old, and beat him (if he does not pray) when he is ten