মুহাম্মদ ইবনুল মুসন্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... সিমাক ইবনু হারব (রহঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নুমান (রহঃ) কে বক্তৃতারত অবস্থায় আমি এ কথা বলতে শুনলাম যে, উমর (রাযিঃ) বলেছেন, মানুষ কি পরিমাণ দুনিয়া অর্জন করেছে। অথচ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধার তাড়নায় সারা দিন অস্থির থাকতেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খেজুরও তিনি পেতেন না (যার মাধ্যমে পেটপূর্ণ করবেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... সিমাক (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সিমাক (রহঃ) যুহায়র এর হাদীসের মধ্যে এ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, অথচ বর্তমানে তোমরা খুরমা ও মাখনের বিভিন্ন প্রকার খাদ্য ছাড়া কোন খাদ্য গ্রহণ করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯১, ইসলামিক সেন্টার)
এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করল যে, আমরা কি মুহাজির ফকীরদের দলভুক্ত নই? এ কথা শুনে আবদুল্লাহ তাকে বললেন, তোমার কি সহধর্মিণী নেই, যার কাছে তুমি গিয়ে থাকো? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ আছে। অতঃপর তিনি বললেন, বসবাস করার জন্য তোমার কি আবাসস্থল নেই? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তখন তিনি বললেন, তবে তো তুমি ধনীদের পর্যায়ভুক্ত। তারপর সে বলল, আমার একজন খাদিমও আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, তাহলে তো তুমি বাদশাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খুরমাও পাননি। বর্ণনাকার কুতাইবাহ অন্য বর্ণনায়بِهِ (নিম্নমানের খুরমা) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯০, ইসলামিক সেন্টার)