। ইবনু উমর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ “যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয় এবং নামাযেরও ইকামাত দেওয়া হয় তখন প্রথমে খাবার খেয়ে নাও।” –সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। ইমামের কিরাআতের শব্দ শুনার পরও ইবনু উমার (রাঃ) “প্রথমে খাবার খেয়ে নিতেন"। তিরমিয়ী বলেনঃ আমাদের ইহাইহা বর্ণনা করেছেন হান্নাদ, তিনি আব্দাহ হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি নাফি হতে, তিনি ইবনু উমার হতে।
Ibn Umar narrated that:the Prophet said: "When the supper is presented and the Iqamah is called for Salat, then begin with the supper
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নামাযের ইকামাতও দেওয়া হয় তখন আগে খাবার খেয়ে নাও। --সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ইবনু উমার, সালামা ইবনুল আকওয়া ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা যেমন, আবু বাকর, উমার ও ইবনু উমার (রাঃ) এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেছেনঃ যদি নামাযের জামাআতও হারাবার আশংকা থাকে তবুও আগে খাবার খেয়ে নিবে। ওয়াকী (রহঃ) এ হাদীসের ব্যাপারে বলেছেন, যদি খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে তবে প্রথমে খেয়ে নিবে। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবা উল্লেখিত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করেছেন যে, মন যদি কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত থাকে তবে তখন নামায আদায় করবে না। এই মতের অনুসরণ করাই উত্তম। খাবারের ব্যাপারটাও একই রকম, সুতরাং আহারই আগে খেয়ে নিবে। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “মনের কোন চিন্তা বা ব্যস্ততা থাকলে আমরা নামাযে দাড়াই না।”
Anas conveyed that :the Prophet said: "When supper is present and the Iqamah for Salat has been called, then begin with supper
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঘুম আসলে সে যেন প্রথমে ঘুমিয়ে নেয়। তাতে তার ঘুমের আবেশ কেটে যাবে। কেননা সে যদি তন্দ্রা অবস্থায় নামায আদায় করে তবে এরূপ হওয়া মোটেই অসম্ভব নয় যে, সে গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated that :Allah's Messenger said: "When one of you is sleepy and he is performing Salat, then let him lie down until the sleep is gone from him. For when one of you performs Salat while he is sleepy, perhaps he wants to seek forgiveness but he curses himself
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট অথবা বাহনের দিকে (বাহন সামনে রেখে) নামায আদয় করেছেন। জন্তুযান যানবাহন তাকে নিয়ে যেদিকে চলত তিনি সেদিকে ফিরেই (ফরয ছাড়া অন্যান্য) নামায আদায় করতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৫৫), সহীহ আবু দাউদ- (৬৯১, ১১০৯), বুখারী ও মুসলিম, বিচ্ছিন্নভাবে। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, উটকে অন্তরাল বানিয়ে (নামায়ীর সামনে রেখে) নামায আদায় করতে কোন অপরাধ নেই।
Ibn Umar narrated:"The Prophet performed Salat towards his she-camel, or his mount, and he would perform Salat while on his mount, whichever direction it was facing