। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট অথবা বাহনের দিকে (বাহন সামনে রেখে) নামায আদয় করেছেন। জন্তুযান যানবাহন তাকে নিয়ে যেদিকে চলত তিনি সেদিকে ফিরেই (ফরয ছাড়া অন্যান্য) নামায আদায় করতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৫৫), সহীহ আবু দাউদ- (৬৯১, ১১০৯), বুখারী ও মুসলিম, বিচ্ছিন্নভাবে। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, উটকে অন্তরাল বানিয়ে (নামায়ীর সামনে রেখে) নামায আদায় করতে কোন অপরাধ নেই।
Ibn Umar narrated:"The Prophet performed Salat towards his she-camel, or his mount, and he would perform Salat while on his mount, whichever direction it was facing
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কোন এক কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখি, তিনি তার সাওয়ারীর উপর পূর্ব দিকে ফিরে নামায আদায় করছেন এবং সিজদাতে রুকু অপেক্ষা বেশি নীচু হচ্ছেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১১২), বুখারী ও মুসলিম সিজদার কথা উল্লেখ না করে; বুখারী, কাজে পাঠানো শব্দ ব্যতীত। এ অনুচ্ছেদে আনাস, ইবনু উমার, আবু সাঈদ ও আমির ইবনু রাবী'আহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ। উল্লেখিত হাদীসটি জাবিরের নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সব বিশেষজ্ঞ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। আমরা তাদের মধ্যে এ ব্যাপারে কোনরূপ অমিল খুঁজে পাইনি। জন্তুযান যানবাহন যেদিকে মুখ করে থাকে আরোহী সেদিকে ফিরেই নফল নামায আদায় করতে পারে, এ বিষয়ে তাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, চাই জন্তুযান যানবাহন কিবলার দিকে হোক বা অন্য দিকে।
Jabir narrated:"The Prophet dispatched me for something he needed. I came to him while he was performing Salat on his mount, heading east, he made the prostrations lower than the bowing
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নামাযের ইকামাতও দেওয়া হয় তখন আগে খাবার খেয়ে নাও। --সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ইবনু উমার, সালামা ইবনুল আকওয়া ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা যেমন, আবু বাকর, উমার ও ইবনু উমার (রাঃ) এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেছেনঃ যদি নামাযের জামাআতও হারাবার আশংকা থাকে তবুও আগে খাবার খেয়ে নিবে। ওয়াকী (রহঃ) এ হাদীসের ব্যাপারে বলেছেন, যদি খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে তবে প্রথমে খেয়ে নিবে। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবা উল্লেখিত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করেছেন যে, মন যদি কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত থাকে তবে তখন নামায আদায় করবে না। এই মতের অনুসরণ করাই উত্তম। খাবারের ব্যাপারটাও একই রকম, সুতরাং আহারই আগে খেয়ে নিবে। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “মনের কোন চিন্তা বা ব্যস্ততা থাকলে আমরা নামাযে দাড়াই না।”
Anas conveyed that :the Prophet said: "When supper is present and the Iqamah for Salat has been called, then begin with supper
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীশালায় নামায আদায় করতেন। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Anas bin Malik narrated:"The Prophet would perform Salat in sheep pens