। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যেন তার কোন ভাইকে তার আসন থেকে তুলে দিয়ে সেই আসনে না বসে। সহীহঃ বুখারী (৬২৬৯), মুসলিম (৭/৯-১০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Narrated Ibn 'Umar:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Let one of you not have his brother stand from his seat then sit in it
। আদী ইবনু সাবিত (রহঃ) হতে পালাক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নামাযের মধ্যে হাঁচি, তন্দ্রা ও হাই তোলা এবং হায়িয, বমি ও নাক দিয়ে রক্ত পড়া শাইতানের পক্ষ হতে। যঈফ, মিশকাত (৯৯৯) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র শারীক হতে ইয়াকযান সূত্রে এ হাদীস জেনেছি। আমি মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী)-কে আদী ইবনু সাবিত-তার পিতা-তার দাদা' এই সনদসূত্র প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। আমি বললাম, আদীর দাদার নাম কি? তিনি বললেন, আমি জানি না। ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন প্রসঙ্গে উল্লেখ আছে যে, তিনি আদীর দাদার নাম দীনার বলেছেন।
Narrated Abu Yaqzan:
from 'Adi - and he is Ibn Thabit - from his father, from his grandfather - [from the Prophet (ﷺ)]: "Sneezing, dozing and yawning during Salat, and menstruation, regurgitation and nosebleeds are from Ash-Shaitan
। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইকে তার আসন থেকে তুলে দিয়ে সে সেখানে না বসে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা ইবনু উমারের জন্য জায়গা ছেড়ে দিত কিন্তু তিনি তাতে বসতেন না। সহীহঃ বুখারী (৬২৭০), মুসলিম (৭/১০)।
Narrated Ibn 'Umar:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Let one of you not have his brother stand from his seat then sit in it
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা হাঁচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন। সুতরাং তোমাদের মাঝে কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলার সময় সকল শ্রোতার জন্য ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা খুবই জরুরী হয়ে যায়। আর তোমাদের মাঝে কারও হাই উঠার সময় যথাসম্ভব সে যেন তা ফিরিয়ে রাখে এবং আহ আহ না বলে। কেননা এটা শাইতানের পক্ষ হতে এবং সে তাতে হাঁসতে থাকে। সহীহঃ ইরওয়াহ (৭৭৬), বুখারী। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ। ইবনু আজলানের সূত্রে বর্ণিত হাদীসের চাইতে এ হাদীসটি অনেক বেশি সহীহ। সাঈদ আল-মাকবুরী হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবনু আবূ যিব (রাহঃ) ইবনু আজলানের চাইতে অনেক হিফাযাতকারী ও নির্ভরযোগ্য। আমি তিরমিযী আবূ বাকর আল আত্তার আল বাসরীকে আলী ইবনুল মাদীনীর সুত্রে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদকে বলতে শুনেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু আজলান বলেন, সাঈদ আল-মাকবুরী তার রিওয়ায়াতসমূহের কতগুলো আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে সরাসরি বর্ণনা করেছেন এবং কতগুলো জনৈক ব্যক্তির সূত্রে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তাই আমার নিকট এগুলো একটি অন্যটির সাথে মিলে যাবার কারণে আমি সবগুলো রিওয়ায়াত সাঈদ-আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছি।
Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Indeed Allah loves sneezing and He dislikes the yawn. So when one of you sneezes and says 'Al-Hamdulillah (All praise is due to Allah),' then it is a right due from every one who hears him to say: 'Yarhamukallah (May Allah have mercy upon you)' As for yawning then when one of you yawns let him suppress it as much as possible and not say: "Hah Hah' for that is only from Ash-Shaitan laughing at him