حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ عَبْدًا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا وَلَوْ كَانَ حُرًّا لَمْ يُخَيِّرْهَا .
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বারীরার স্বামী একজন ক্রীতদাস ছিল। বারীরাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বাধীনতা দান করলেন (দাসত্ব হতে মুক্তির পর বিয়ের বন্ধন অক্ষুন্ন রাখার বা ছিন্ন করার)। বারীরা নিজের স্বাধীনতা প্রয়োগ করেন (বিয়ের বন্ধন ছিন্ন করেন)। যদি সে লোকটি (স্বামী) স্বাধীন হতো তাহলে তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনও তাকে (বারীরাকে) এ স্বাধীনতা প্রদান করতেন না। — সহীহ, ইরওয়া (১৮৭৩), সহীহ, আবূ দাউদ (১৯৩৫), স্বামী যদি স্বাধীন হতো ব্যাক্যাংশটি উরওয়ার নিজস্ব। হাদীসের প্রথম অংশটি বুখারীতেও আছে।
Aishah narrated:“Barfah’s husband was a slave, so the Messenger of Allah let her chose, and she chose herself, and if he was a free man she would not have had a choice.”
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ الأَسْلَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعِ فَقَالَ " غُرَّةٌ عَبْدٌ أَوْ أَمَةٌ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمَعْنَى قَوْلِهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعِ . يَقُولُ إِنَّمَا يَعْنِي بِهِ ذِمَامَ الرَّضَاعَةِ وَحَقَّهَا يَقُولُ إِذَا أَعْطَيْتَ الْمُرْضِعَةَ عَبْدًا أَوْ أَمَةً فَقَدْ قَضَيْتَ ذِمَامَهَا . وَيُرْوَى عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ أَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ فَبَسَطَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رِدَاءَهُ حَتَّى قَعَدَتْ عَلَيْهِ فَلَمَّا ذَهَبَتْ قِيلَ هِيَ كَانَتْ أَرْضَعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم . هَكَذَا رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَحَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ أَبِي حَجَّاجٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَحَدِيثُ ابْنِ عُيَيْنَةَ غَيْرُ مَحْفُوظٍ وَالصَّحِيحُ مَا رَوَى هَؤُلاَءِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ . وَهِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ يُكْنَى أَبَا الْمُنْذِرِ وَقَدْ أَدْرَكَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ وَابْنَ عُمَرَ .
হাজ্জাজ আসলামী (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে দুধপান করেছি তার হাক্ক কিভাবে মিটাতে পারি? তিনি বলেনঃ (দুধমাকে) একটি ক্রীতদাস অথবা একটি দাসী দান করে (এ দাবি মিটাতে পার)। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৫১) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ, হাতিম ইবনু ইসমাঈল, এবং আরও অনেকে হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ হতে, তিনি তার পিতা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। আর সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি হাজ্জাজ ইবনু আবূ হাজ্জাজ ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে ইবনু উয়াইনার সূত্রটি অরক্ষিত এবং হিশামের সূত্রটি সহীহ। হিশাম (রাহঃ) জাবির (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন। “আমি যে দুধপান করেছি তার হাক্ক কিভাবে চোকাতে পারি" এ কথার তাৎপর্য হল, আমার (দুধ) মা দুধ পান করানোর মাধ্যমে আমার যে সেবা করলেন এর বদলা আমি কিভাবে দিতে পারি? এর উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তোমার দুধমাকে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি দাসী দান করলে এর বিনিময় আদায় হবে। বর্ণিত আছে যে, আবূত তুফাইল (রাঃ) বলেন, এক সময় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বসে ছিলাম। এক মহিলা এসে হাযির হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য নিজের চাঁদর পেতে দিলেন এবং তিনি তার উপর বসলেন। এই মহিলা চলে গেলে বলা হল, এই মহিলাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুধপান করিয়েছেন।
Hajjaj bin Hajjaj Al-Aslami narrated that His father asked the Prophet:“O Messenger of Allah! What will remove the responsibility of the foster relationship from me?” So he said: “A Ghurrah: a male slave or a female slave.”
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বারীরার স্বামী ছিল স্বাধীন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (বারীরাকে) ইখতিয়ার প্রদান করলেন। — বারীরার স্বামী স্বাধীন ছিল এই শব্দে হাদীসটি শাজ। দাস ছিল এই বর্ণনাটি সংরক্ষিত। ইবনু মাজাহ (২০৭৪) আবু ঈসা বলেন, আইশা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। হিশাম ইবনু উরওয়া তার পিতার সূত্রে আইশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, বারীরার স্বামী দাস ছিল। ইকরিমা বর্ণনা করেছেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আমি বারীরার স্বামীকে দেখেছি, সে ছিল গোলাম, তাকে মুগীস নামে ডাকা হত। ইবনু উমার (রাঃ) হতেও একইরকম বর্ণিত হয়েছে। একদল আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। তারা বলেন, দাসত্বমুক্ত করে দিলে সে (স্ত্রী) বিয়ে ঠিক রাখা বা না রাখার ইখতিয়ার পাবে না। হ্যাঁ তার স্বামী যদি গোলাম হয় এবং সে (স্ত্রী) দাসত্বমুক্ত হয় তবে সে ইখতিয়ার পাবে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের মত এটাই। একাধিক রাবী আমাশ হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি আসওয়াদ হতে বর্ণনা করেছেন, আইশ (রাঃ) বলেন, “বারীরার স্বামী স্বাধীন ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ অবস্থায় বারীরাকে (বিয়ে ঠিক রাখা বা না রাখার) ইখতিয়ার দেন।" আসওয়াদও বলেছেন, বারীরার স্বামী আযাদ ছিল। একদল বিশেষজ্ঞ তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসী আলিমদের মত এটাই।
Aishah narrated:“Barfah’s husband was a free man, so the Messenger of Allah let her choose.”
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুধ ছাড়ানোর বয়সের পূর্বে স্তনের বোটা হতে শিশুর পাকস্থলীতে দুধ না গেলে দুধপানের নিষিদ্ধতা কার্যকর হয় না (অর্থাৎ দুধপান জনিত কারণে বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন নিষিদ্ধ হয় না)। — সহীহ, ইবনু মাজাহ (১৯৪৬) আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্! এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অন্যান্যরা আমল করার কথা বলেছেন। তাদের মতে, কোন শিশু দুই বছরের কম বয়সে দুধ পান করলেই বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন হারাম হবে। কিন্তু দুই বছরের পর দুধ পান করলে বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন হারাম হবে না।
Umm Salamah narrated that The Messenger of Allah said:“No prohibition results from suckling except for what penetrates the intestines while on the breast before weaning.”