। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি যদি ইচ্ছা করি তবে বলতে পারি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ সুন্নাত নিয়ম হচ্ছে, নিজের স্ত্রী থাকার পরেও কোন লোক কুমারী নারীকে বিয়ে করলে একাধারে সাত দিন সে তার সাথে অবস্থান করবে এবং সায়্যিবা (অকুমারী) নারীকে বিয়ে করলে একাধারে তিন দিন তার সাথে অবস্থান করবে। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯১৬), বুখারী, মুসলিম উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটিকে মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আইয়ূব হতে তিনি আবূ কিলাবা হতে তিনি আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে মারফুভাবে বর্ণনা করেছেন এবং মাওকৃফভাবেও কিছু বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। কোন কোন আলিম এ হাদীস মোতাবেক আমল করেছেন। তারা বলেছেন, নিজের স্ত্রী থাকার পরেও কোন লোক কুমারী নারীকে বিয়ে করলে সাত দিন তার নিকট অবস্থান করবে, তারপর উভয়ের মধ্যে সঠিকভাবে পালাবণ্টন করবে। সায়্যিবা (অকুমারী) মহিলাকে যদি সে লোক বিয়ে করে তবে তিনদিন তার সাথে অবস্থান করবে। এই মত দিয়েছেন ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রাহঃ)। কতিপয় তাবিঈ বলেন, নিজ স্ত্রী থাকাবস্থায় কোন লোক কুমারী নারীকে বিয়ে করলে তিন দিন এই শেষোক্তের নিকট অবস্থান করবে এবং সায়্যিবা নারীকে বিয়ে করলে তার নিকট দুইদিন অবস্থান করবে। তবে অধিক গ্রহণযোগ্য হচ্ছে প্রথমোক্ত অভিমতটি।
Abu Qilabah narrated from Anas bin Malik, :He (Abu Qilabah) said: "If I wish, I could say: 'The Messenger of Allah said'" but he said: "The Sunnah when a man married a virgin after he already has a wife, is that he stays with her seven (nights). And when he married a matron when he already has a wife, he stays with her three (nights)
তিনি বলেন, আযল করা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে আলোচনা করা হলে তিনি বললেনঃ তোমাদের মাঝে কোন লোক তা করে কেন? (অধস্তন বর্ণনাকারী) ইবনু আবূ উমারের বর্ণিত হাদীসের মধ্যে আরো আছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা বলেননি’ “তোমাদের মাঝে কোন লোক যেন তা না করে।" তারপর উভয়ের (কুতাইবা ও ইবনু আবূ উমার) বর্ণনায় আরও উল্লেখ আছে, আল্লাহ তা'আলা সেসবকে অবশ্যই সৃষ্টি করবেন যেসব জীবন সৃষ্টি হওয়ার জন্য নিৰ্দ্ধারিত হয়ে আছে। — সহীহ, আল-আ-দাব (৫৪, ৫৫), সহীহ আবূ দাউদ (১৮৮৬), মুসলিম জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। বিভিন্ন সূত্রে আবু সাঈদ (রাঃ)-এর নিকট হতে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আযল করাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অন্যান্যরা অপছন্দ করেছেন।
Abu Sa'eed narrated:"Azl was mentined before the Messenger of Allah and he said: 'Why would one of you do that?
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিবিদের মাঝে খুবই ন্যায়সংগতভাবে পালা বন্টন করতেন। আর তিনি বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমার সামর্থ্য অনুযায়ী এই আমার পালা বন্টন। যে ব্যাপারে শুধু তোমারই পূর্ণ শক্তি আছে, আমার কোন শক্তি নেই, সেই ব্যাপারে আমাকে তিরস্কার কর না।” যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৯৭১) আবূ ঈসা বলেছেন, আইশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি একাধিক রাবী হাম্মাদ ইবনু সালামা হতে উল্লিখিত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কোন কোন বর্ণনায় আবূ কিলাবার সূত্রে এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং এটাই বেশী সহীহ। “লা তালুমনী ফীমা তামলিকু অলা আমলিকু”-এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে কোন কোন আলিম বলেছেনঃ আন্তরিক প্রেম-ভালোবাসার উপর আমার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই (এটা কম-বেশী হতে পারে)।
Aishah narrated that:The Prophet would divide (his time) equally between his wives and said: "O Allah! This is my division in what I have control over, so do not punish me for what You have control over which I do not have control over
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা কুরআন অবতীর্ণ হতে থাকাকালে (আল্লাহর রাসূলের জীবদ্দশায়) আযল করতাম। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯২৭), বুখারী, মুসলিম জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। তার নিকট হতে এ হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আযল করার অনুমতির পক্ষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈ মত দিয়েছেন। ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেছেন, স্বাধীন স্ত্রীর অনুমতি নেওয়ার পর আযল করা জায়িয, কিন্তু দাসীর নিকট অনুমতির প্রয়োজন নেই।
Jabir bin Abdullah narrated:"We practiced Azl while the Qur'an was being revealed