রেওয়ায়ত ৫১. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়াছে তাহার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকিবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকিবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখাতে কোন দোষ নাই।
Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "If a man gives his slave permission to marry, the divorce is in the hand of the slave, and nobody else has any power over his divorce. Nothing is held against a man who takes the slave-girl of his male slave or the slave-girl of his female-slave
রেওয়ায়ত ৫০. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করিলে সে স্ত্রী তাহার জন্য হারাম হইবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করিবে; (স্ত্রী) আযাদ হউক বা ক্রীতদাসী হউক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হইতেছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হইতেছে দুই হায়য।
Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "When the slave divorces his wife twice, she is haram for him until she has married another husband, whether she is free or a slave. The idda of a free woman is three menstrual periods, and the idda of a slave-girl is two periods
রেওয়ায়ত ৫২. সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ-জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চারি বৎসর অপেক্ষা করিবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করিবে। তারপর অন্যত্র তাহার বিবাহ হালাল হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তাহার সাথে সংগম করুক বা না করুক তাহার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাহাকে গ্রহণ করার কোন পথ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তাহার সহিত প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হইলে তবে তিনিই অধিক হকদার হইবেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কিছু লোক বলিয়া থাকে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ প্রথম স্বামী আসিলে তাহাকে ইখতিয়ার দেওয়া হইবে (দ্বিতীয় স্বামী হইতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়াছেন বলিয়া কিছু লোককে অস্বীকার করিতে পাইয়াছি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নাই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়াছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করিতে চাহিয়াছে। কিন্তু সে যে রুজু করিতে চাহিয়াছে এই খবর তাহার স্ত্রীর নিকট পৌছে নাই। শুধু তাহাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পাইয়াছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করিয়াছে। দ্বিতীয় স্বামী তাহার সহিত সংগত হউক না হউক প্রথম স্বামী যে তাহাকে তালাক দিয়াছিল তাহার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা আমার নিকট পছন্দনীয়।
Malik said, "Neither a free man nor a slave who divorces a slave- girl nor a slave who divorces a free woman, in an irrevocable divorce, is obliged to pay maintenance even if she is pregnant, and he cannot return to her." Malik said, "A free man is not obliged to pay for the suckling of his son when he is a slave of other people, nor is a slave obliged to spend his money for what his master owns except with the permission of his master
রেওয়ায়ত ৪৯. মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম ইবন হারিস তায়মী (রহঃ) হইতে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) এর মুকাতব নুফাই যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট ফতোয়া চাহিলেন এই বলিয়া আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়াছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবন সাবিত বলিলেনঃ (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হইয়া গিয়াছে।
Yahya related to me from Malik from Abdu Rabbih ibn Said from Muhammad ibn Ibrahim ibn al-Harith at-Taymi that Nufay, a mukatab of Umm Salama, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, asked Zayd ibn Thabit for an opinion. He said, "I have divorced my free wife twice." Zayd ibn Thabit said, "She is haram for you