মূল লেখায় যান
৭ নভেম্বর ২০২৬ ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দেখান
হাদিস ১২৬১ সহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لاَ يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنَ النَّاسِ. فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَقُومُوا فَصَلُّوا ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানবজাতির মধ্যে কারো মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব তোমরা তা দেখলে সালাতে দাঁড়িয়ে যাও।
It was narrated that Abu Mas’ud said:The Messenger of Allah (ﷺ) said: “The sun and the moon do not become eclipsed for the death of anyone among mankind. If you see that, then stand and perform prayer.”
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬১ Al-Albani: Sahih · Muhammad Fouad Abd al-Baqi: Sahih · Zubair Ali Zai: Sahih - Bukhari And Muslim

এই অধ্যায়ের আরও হাদিস

পুরো অধ্যায়
হাদিস ১২৬০ সহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلَّى بِأَصْحَابِهِ صَلاَةَ الْخَوْفِ فَرَكَعَ بِهِمْ جَمِيعًا ثُمَّ سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَالصَّفُّ الَّذِينَ يَلُونَهُ وَالآخَرُونَ قِيَامٌ حَتَّى إِذَا نَهَضَ سَجَدَ أُولَئِكَ بِأَنْفُسِهِمْ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ تَأَخَّرَ الصَّفُّ الْمُقَدَّمُ حَتَّى قَامُوا مُقَامَ أُولَئِكَ وَتَخَلَّلَ أُولَئِكَ حَتَّى قَامُوا مُقَامَ الصَّفِّ الْمُقَدَّمِ فَرَكَعَ بِهِمُ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ جَمِيعًا ثُمَّ سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلُونَهُ فَلَمَّا رَفَعُوا رُءُوسَهُمْ سَجَدَ أُولَئِكَ سَجْدَتَيْنِ فَكُلُّهُمْ قَدْ رَكَعَ مَعَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَسَجَدَتْ طَائِفَةٌ بِأَنْفُسِهِمْ سَجْدَتَيْنِ وَكَانَ الْعَدُوُّ مِمَّا يَلِي الْقِبْلَةَ ‏.‏
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি তাঁর নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ করেন এবং অন্যরা দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম দল সিজদা করে অবসর হলে দ্বিতীয় দল স্বতন্ত্রভাবে দুটি সিজদা করে। অতঃপর প্রথম দল পিছনে সরে গিয়ে পূর্বোক্ত দলের স্থানে অবস্থান নেয় এবং শেষোক্ত দল সামনে অগ্রসর হয়ে (জামাআতে) প্রথম দলের স্থানে এসে দাঁড়ায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ করেন এবং সিজদা করেন। তারা সিজদা থেকে অবসর হলে দ্বিতীয় দল দুটি সিজদা করে। তাদের প্রতিটি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এক রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) পড়ে এবং পৃথকভাবে এক রাকআত পড়ে, তখন শত্রুবাহিনী তাদের সন্মুভাগে ছিল।
It was narrated from Jabir bin ‘Abdullah that the Prophet (ﷺ) led his Companions in the fear prayer. He led them all in bowing, then the Messenger of Allah (ﷺ) and the row nearest him prostrated, and the others stood up, then when he stood up, they prostrated twice by themselves. Then the front row moved back and took their place, and they moved forward until they formed the front row. Then the Prophet (ﷺ) led them all in bowing, then the Messenger of Allah (ﷺ) and the row nearest to him prostrated, and when they raised their heads, the others prostrated twice. So all of them bowed with the Prophet (ﷺ) and some of them prostrated by themselves, and the enemy was in the direction of the Qiblah
হাদিস ১২৬২ যঈফ (দুর্বল)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَأَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ، وَجَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَخَرَجَ فَزِعًا يَجُرُّ ثَوْبَهُ حَتَّى أَتَى الْمَسْجِدَ فَلَمْ يَزَلْ يُصَلِّي حَتَّى انْجَلَتْ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ إِنَّ أُنَاسًا يَزْعُمُونَ أَنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لاَ يَنْكَسِفَانِ إِلاَّ لِمَوْتِ عَظِيمٍ مِنَ الْعُظَمَاءِ وَلَيْسَ كَذَلِكَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لاَ يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ فَإِذَا تَجَلَّى اللَّهُ لِشَىْءٍ مِنْ خَلْقِهِ خَشَعَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏
। নুমান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হয়। তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাঁর পরিধেয় বস্ত্র হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে মসজিদে এসে পৌঁছেন। গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সালাতে রত থাকেন অতঃপর তিনি বলেনঃ এক দল লোক ধারণা করে যে, কোন মহান নেতার মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয়ে থাকে। আসলে তা নয়। কারো মৃত্যু অথবা জীবিত থাকার কারণে সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। আল্লাহ তাআলা যখন তাঁর কোন সৃষ্টির উপর তাজাল্লী বিস্তার করেন তখন তা তাঁর ভয়ে ভীত হয়।
It was narrated that Nu’man bin Bashir said:“The sun was eclipsed at the time of the Messenger of Allah (ﷺ), and he came out alarmed, dragging his lower garment, until he reached the mosque. He continued to perform prayer until the eclipse was over, then he said: ‘Some people claim that the sun and moon only become eclipsed because of the death of a great leader. That is not so. The sun and the moon do not become eclipsed for the death or birth of anyone. When Allah manifests Himself to anything in His creation, it humbles itself before Him.’”
হাদিস ১২৫৯ সহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّهُ قَالَ فِي صَلاَةِ الْخَوْفِ قَالَ يَقُومُ الإِمَامُ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ وَتَقُومُ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَهُ وَطَائِفَةٌ مِنْ قِبَلِ الْعَدُوِّ وَوُجُوهُهُمْ إِلَى الصَّفِّ فَيَرْكَعُ بِهِمْ رَكْعَةً وَيَرْكَعُونَ لأَنْفُسِهِمْ وَيَسْجُدُونَ لأَنْفُسِهِمْ سَجْدَتَيْنِ فِي مَكَانِهِمْ ثُمَّ يَذْهَبُونَ إِلَى مُقَامِ أُولَئِكَ وَيَجِيءُ أُولَئِكَ فَيَرْكَعُ بِهِمْ رَكْعَةً وَيَسْجُدُ بِهِمْ سَجْدَتَيْنِ فَهِيَ لَهُ ثِنْتَانِ وَلَهُمْ وَاحِدَةٌ ثُمَّ يَرْكَعُونَ رَكْعَةً وَاحِدَةً وَيَسْجُدُونَ سَجْدَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ فَسَأَلْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الْقَطَّانَ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَحَدَّثَنِي عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِمِثْلِ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ قَالَ لِي يَحْيَى اكْتُبْهُ إِلَى جَنْبِهِ وَلَسْتُ أَحْفَظُ الْحَدِيثَ وَلَكِنْ مِثْلُ حَدِيثِ يَحْيَى ‏.‏
। সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সালাতুল খাওফ সম্পর্কে বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের একদলও তার সাথে (সালাতে) দাঁড়াবে এবং অপর দল শত্রুর প্রতিরোধে থাকবে এবং তাদের দৃষ্টি থাকবে কাতারের দিকে। তিনি তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত পড়বেন, অতঃপর তারা স্বতন্ত্রভাবে দু সিজদায় এক রাকআত পড়বেন তাদের স্থানে। অতঃপর তারা পূর্বোক্ত দলের স্থানে ফিরে যাবে এবং তারা এসে গেলে তিনি তাদেরকে নিয়ে দু সিজদায় আরো এক রাকআত পড়বেন। এতে তার হবে দু রাকআত এবং লোকেদের হবে এক রাকআত। অতঃপর তারা দু সিজদায় এক রাকআত পড়বেন। ২/১২৫৯(১) মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহ) বলেন, আমি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তানকে উক্ত হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি শুবাহ, আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম, তার পিতা, সালিহ ইবনু খাওয়াত, সাহল ইবনু হাসমাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী (মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ আমাকে বললেন, এ হাদীসও এক কোণায় লিখে নাও। আমি হাদীসটি মুখস্থ রাখতে পারিনি কিন্তু তা ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ আল-আনসারীর হাদীসের অনুরূপ।
It was narrated from Sahl bin Abu Hathmah that he said concerning the fear prayer:“The Imam should stand facing the Qiblah, and a group of them should stand with him, and another group should stand in the direction of the enemy, facing towards the row (of worshippers). He should lead them in one Rak’ah, then they should bow and do two prostrations by themselves where they are. Then they should go and take the place of the others, and the others should come and pray one Rak’ah, bowing and prostrating with the leader. Then he will have prayed two Rak’ah and they will have prayed one; then they should perform another Rak’ah, bowing and performing two prostrations.”