। সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি ওয়াক্তের নামাযের জন্য নতুনভাবে ওযু করতেন। তিনি মক্কা বিজয়ের দিন একই ওযু দিয়ে সব ওয়াক্তের নামায আদায় করলেন এবং মোজার উপর মসিহ করলেন। উমার (রাঃ) বললেনঃ আপনি এমন একটি কাজ করলেন যা ইতোপূর্বে কখনও করেননি। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি ইচ্ছা করেই এটা করলাম। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫১০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আলী ইবনু কাদিম— সুফিয়ান সাওরীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাতে এ কথাটুকুও আছে, “তিনি একবার একবার ওযু করেছেন।” সুফিয়ান সাওরী তার সনদ পরম্পরায় বুরাইদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাযের জন্যই নতুনভাবে ওযু করতেন। ওরাকীও তার সনদ পরম্পরায় বুরাইদার এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান ইবনুল মাহদী ও অন্যরা অপর এক সনদ পরম্পরায় এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাটি ওয়াকীর বর্ণনার তুলনায় বেশি সহীহ। বিদ্বানদের মতামত হল ওযু যে পর্যন্ত নষ্ট না হবে, সে পর্যন্ত একই ওযুতে একাধিক ওয়াক্তের নামায আদায় করা যাবে। তাদের কেউ কেউ ফযিলত লাভের আশায় প্রত্যেক নামাযের জন্য নতুনভাবে ওযু করাটা মুস্তাহাব মনে করেছেন। আফরীকী হতে বর্ণিত আছে, তিনি গুতাইফ হতে তিনি ইবনু উমার হতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "যে ব্যক্তি ওযু থাকা অবস্থায় ওযু করে আল্লাহ তার জন্য দশটি সাওয়াব লিখেন।" -এর সনদ যঈফ। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত একটি হাদীস রয়েছেঃ “নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই ওযুতে যুহর এবং আসরের নামায আদায় করেছেন।”
Sulaiman bin Buraidah narrated that his father said:"The Prophet would perform Wudu for every Salat. So during the year of the Conquest, he performed all of the prayers with one Wudu, and he wiped over his Khuff. So Umar said, 'You did something that you have not done before?' He replied: "I did it on purpose
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে মাইমূনা (রাঃ) জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, আমি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র হতে পানি নিয়ে নাপাকির (ফরজ) গোসল করেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। সকল ফিকহবিদের এটাই অভিমত, পুরুষ এবং স্ত্রীলোক (স্বামী-স্ত্রী) একই পাত্র হতে পানি নিয়ে গোসল করাতে কোন অপরাধ নেই। এ অনুচ্ছেদে আলী, ‘আয়িশাহ,আনাস, উম্মু হানী, উম্মু সুবাইয়া, উম্মু সালামা, ইবনু উমার ও আবু শাসা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু শা’সার নাম জাবির ইবনু যাইদ।
Maimunah said:"I and Allah's Messenger would perform Ghusl for Janabah from one vessel
। বানী গিফার গোত্রের এক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মহিলাদের (ওযু বা গোসল হতে) বেঁচে যাওয়া পানি ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পুরুষদেরকে) মানা করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৭৩)। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ কোন কোন ফিকহবিদ মহিলাদের ওযু-গোসলের পর বেঁচে যাওয়া পানি ব্যবহার করাকে মাকরূহ বলেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের এই মত। কিন্তু তারা মহিলাদের ঝুটা খাদ্য-পানীয়ের ব্যবহারে কোনরূপ দোষ ধরেননি।
Abu Hajib narrated from a man from Banu Ghifar who said:"The Prophet prohibited using the leftover (water) of a woman's Purification
। হাকাম ইবনু আমর আল-গিফারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদেরকে স্ত্রীলোকদের ওযু-গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করতে নিষেধ করেছেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি স্ত্রীলোকদের অবশিষ্ট পানি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ। দেখুন পূর্বোক্ত হাদীস। আবু ঈসা বলেন, এটা হাসান হাদীস। বর্ণনাকারী আবু হাজিবের নাম সাওয়াদা ইবনু আসিম। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার তার হাদীসে বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকদের ওযু-গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে পুরুষদের ওযু করতে নিষেধ করেছেন। এ বর্ণনায় বাশশার সন্দেহ প্রকাশ করেননি।’
A1-Hakim bin Amr AI-Ghifari narrated that:"The Prophet forbade that a man should perform Wudu with the leftover (water) from a woman's purifcation." Or, he said: "from her drinking
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ اغْتَسَلَ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي جَفْنَةٍ فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَتَوَضَّأَ مِنْهُ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ جُنُبًا . فَقَالَ " إِنَّ الْمَاءَ لاَ يُجْنِبُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَمَالِكٍ وَالشَّافِعِيِّ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন এক স্ত্রী একটি গামলাতে গোসল করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা থেকে ওযু করতে চাইলেন। তিনি (স্ত্রী) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি নাপাক ছিলাম। তিনি বললেনঃ (নাপাক ব্যক্তির ছোয়ায়) পানি নাপাক হয় না (যদি তার হাতে ময়লা না থাকে)। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৭০)। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। সুফিয়ান সাওরী, মালিক ও শাফিঈর এটাই মত (স্ত্রীলোকদের ওযুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে পুরুষেরা ওযু করতে পারে)।
[Ibn Abbas narrated:"One of the wives of the Prophet performed Ghusl with a bowl. Allah's Messenger wanted to perform Wudu with it, so she said: 'O Messenger of Allah! Indeed I am ]unub.' So he said: 'Indeed, water does not become Junub
। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি বীরে বুযাআহ নামক কূপের পানি দিয়ে ওযু করতে পারি? এটা এমন একটি কূপ যাতে হয়েযের ন্যাকড়া, (মরা কুকুর) ও আবর্জনা ফেলা হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “পানি পাক, কোন জিনিসই তাকে নাপাক করতে পারে না।” —সহীহ। মিশকাত— (৪৭৮), সহীহ আবু দাউদ- (৫৯)। আবু ঈসা বলেন, এটা হাসান হাদীস I আবু উসামা এটাকে উত্তম সনদে উল্লেখ করেছেন। কেউ এটাকে তার চেয়ে উত্তম সনদে বর্ণনা করেননি। হাদীসটি একাধিক সনদে আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস ও আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।
Abu Sa'eed AI-Khudri narrated:"It was said, 'O Allah's Messenger! Shall we use the water of Buda'ah well to perform ablution while it is a well in which menstruation rags, flesh of dogs and the putrid are dumped?" Allah's Messenger said: 'Indeed water is pure, nothing makes it impure
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এমন পানির বিধান সম্পর্কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, যা জঙ্গল ও জনশূন্য এলাকায় জমা হয়ে থাকে এবং যা পান করার জন্য বিভিন্ন ধরনের হিংস্র জীব ও বন্য জন্তু এসে থাকে। তিনি বললেনঃ পানি যখন দুই কুল্লা পরিমাণ হয় তখন তা নাপাক হয় না। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫১৭)। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক বলেন, পানির কলসী বা মটকাকে কুল্লা বলা হয়। যাতে পানি রেখে তা পান করা হয়। আবু ঈসা বলেনঃ ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের এটাই মত, পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হলে তা নাপাক হয় না, যে পর্যন্ত তার গন্ধ অথবা স্বাদ পরিবর্তিত না হয়। তারা এ কথাও বলেছেন, দুই মটকার অর্থ কম-বেশি পাঁচ মশকের সমান।
Ibn Umar narrated:"I heard AlIah's Messenger while he was being asked about water in open areas of the land, and predators and beasts come to it." He said: 'So Allah's Messenger said: 'When the water is two Qullah it does not carry filth
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এমন যেন না হয় যে, তোমাদের কেউ বদ্ধ পানিতে (কূপ, পুকুর, জলাশয়) পেশাব করে, অতঃপর তা দিয়েই ওযু করে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৪৪)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "Let none of you urinate [in still water, then perform Wudu with it]
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، ح وَحَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ، مِنْ آلِ ابْنِ الأَزْرَقِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ أَبِي بُرْدَةَ، وَهُوَ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نَرْكَبُ الْبَحْرَ وَنَحْمِلُ مَعَنَا الْقَلِيلَ مِنَ الْمَاءِ فَإِنْ تَوَضَّأْنَا بِهِ عَطِشْنَا أَفَنَتَوَضَّأُ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ الْحِلُّ مَيْتَتُهُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَالْفِرَاسِيِّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ الْفُقَهَاءِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَابْنُ عَبَّاسٍ لَمْ يَرَوْا بَأْسًا بِمَاءِ الْبَحْرِ . وَقَدْ كَرِهَ بَعْضُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْوُضُوءَ بِمَاءِ الْبَحْرِ مِنْهُمُ ابْنُ عُمَرَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو . وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو هُوَ نَارٌ .
। মুগীরা ইবনু আবী বুরদা হতে বর্ণিত আছে, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সমুদ্র পথে আসা-যাওয়া করি এবং সাথে করে সামান্য মিঠা পানি নেই। যদি আমরা তা দিয়ে ওযু করি তাহলে পিপাসার্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ ক্ষেত্রে আমরা কি সমুদ্রের পানি দিয়ে ওযু করতে পারি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তার পানি পবিত্র এবং তার মৃত জীব হালাল"। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৮৬-৩৮৮)। এ অনুচ্ছেদে জাবির ও ফিরাসী (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ ফিকহবিদ সাহাবার মতে সমুদ্রের পানি দিয়ে ওযু করাতে কোন দোষ নেই। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু বাকর, উমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ)। সাহাবাদের অপর দল সাগরের পানি দিয়ে ওযু করা মাকরুহ বলেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেছেন, এটা আগুনের সমতুল্য।
Abu Hurairah narrated:"A man asked Allah's Messenger 'O Messenger of Allah! We sail the seas, and we only carry a little water with us. If we use it for Wudu then we will go thirsty. So shall we perform Wudu from the (water of the) sea?' Allah's Messenger said: 'Its water is pure, and its dead are lawful
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ এদের উভয়কে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু বড় কোন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। এদের একজন পেশাবের সময় আড়াল (পর্দা) করত না, আর অপরজন একের কথা অন্যের নিকট বলে বেড়াত (চোগলখুরী করত)। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৪৭), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে যাইদ ইবনু সাবিত, আবু বাকরাহ, আবু হুরাইরা, আবু মূসা ও আবদুর রহমান ইবনু হাসান (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মানসূর মুজাহিদের সূত্রে ইবনু আব্বাসের নিকট হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাউসের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেনঃ আবু বাকর মুহাম্মাদ ইবনু আবানকে বলতে শুনেছি তিনি বলেনঃ আমি ওয়াকীকে বলতে শুনেছি, আমাশ মানসূরের চাইতে অধিকতর স্মরণশক্তির অধিকারী। আমাশের বর্ণনাটিই বেশি সহীহ। কেননা তার স্মরণ শক্তি বেশি ছিল।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet passed by two graves. He said: 'These two are being punished. And they are not being punished for something major. As for this one, he would not protect himself from his urine. As for this one, he used to spread Namimah (slander)
। উম্মু কাইস বিনতু মিহসান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আমার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম। সে তখনও শক্ত খাবার ধরেনি। বাচ্চাটি তার কোলে পেশাব করে দিল। তিনি পানি নিয়ে আসতে বললেন, অতঃপর তা পেশাবের জায়গায় ছিটিয়ে দিলেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫২৪), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, আয়িশাহ, যাইনাব, লুবাবা বিনন্তে হারিস তিনি ফাযল ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর মাতা, আবু সামহি, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবু লাইলা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ একাধিক সাহাবা, তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীগণ, যেমন ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের মতে দুগ্ধপোষ্য শিশু ছেলে হলে পেশাবের জায়গায় পানি ছিটিয়ে দিলেই চলবে, আর কন্যা সন্তান হলে ঐ জায়গা ধুয়ে নিতে হবে। এই বিধান কার্যকর হবে যতক্ষণ পর্যন্ত শিশু শক্ত খাবার না খায়, আর যখন শক্ত খাবার খেতে শুরু করবে তখন ছেলে-মেয়ে উভয়ের পেশাবের জায়গাই ধুয়ে নিতে হবে।
Umm Qais bin Mihsan narrated:"I entered upon the Prophet with a son of mine who was not yet eating food. He urinated on him, so he called for water which he sprinkled over it
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, উরাইনা গোত্রের লোকেরা মাদীনায় আসলো। কিন্তু এখানকার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সাদকার উটের নিকট পাঠিয়ে দিলেন এবং বললেনঃ “তোমরা এর দুধ ও পেশাব পান কর।" তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাখালকে হত্যা করে উটগুলো লুণ্ঠন করে নিয়ে গেল এবং ইসলাম ত্যাগ করল (মুরতাদ হয়ে গেল) তাদেরকে গ্রেফতার করে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আনা হল। তিনি তাদের এক দিকের হাত ও অন্যদিকের পা কাটলেন (কাটালেন), চোখ উপড়ে ফেললেন (ফেলালেন) এবং রোদের মধ্যে কাকরময় যমিনে ফেলে রাখলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তাদের মধ্যে এক ব্যক্তিকে মুখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে দেখলাম। অতঃপর তারা মারা গেল। (অধঃস্তন রাবী) হাম্মাদ কখনো কখনো বলতেন, সে তার মুখ দিয়ে মাটি কামড়াচ্ছিল। পরিশেষে তারা মারা গেল। -সহীহ। ইরওয়া— (১৭৭), রাওয- (৪৩), বুখারী ও মুসলিম অনুরূপ। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের বক্তব্য হল, যে জীবের গোশত খাওয়া হালাল তার পেশাব নাপাক নয়।
Anas narrated:"Some people from Urainah arrived in Al-Madinah, and they were uncomfortable (and ill from the climate). So Allah's Messenger sent them some camels from charity. He told them: "Drink from their milk and urine." So they killed the camel driver that Allah's Messenger sent, and they violently drove off the camels, and apostatized from Islam. So the Prophet came to them, he cut off their hands and feet on opposite side, and branded their eyes, and threw them in Al-Harrah." Anas said, "So I saw one of them working over the ground with his mouth, until they died
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের চোখ উপড়ে ফেললেন (ফেলালেন)। কেননা তারা রাখালদের চোখ উপড়ে ফেলেছিলো। —সহীহ। প্রাগুক্ত, মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। কেননা এ হাদীসটি কেবল এই শাইখ (ইয়াহইয়া ইবনু গাইলান) ব্যতীত আর কেউ রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। তার এ রায় "সব ধরনের জখমের জন্য সমান দণ্ড নির্দিষ্ট" (সূরা ; আল-মাইদা- ৪৫) এই মূলনীতি অনুযায়ী ছিল। মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন বলেন, হদ (ফৌজদারী দণ্ড) সম্পর্কিত বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ধরনের শাস্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন।
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger only poked out their eyes because they had poked out the eyes of the camel driver." Abu 'Eisa said: This Hadfth is Gharib. We do not know anyone who mentioned it other than this shaikh, from Yazid bin Zurai. And it is in accordance with the meaning of Allah's saying: "And wounds equal for equal" It has been reported that Muhammad bin Sirin said: "The Prophet only did this to them before the legislated punishments were revealed
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, (বায়ুর) শব্দ অথবা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত পুনরায় ওযু করা ফরয নয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫১৫), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "There no Wudu except for a sound or a smell
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে থাকা অবস্থায় যদি তার নিতম্বের মাঝখান হতে বায়ুর আভাস পায়, তাহলে সে যেন শব্দ অথবা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত (মাসজিদ হতে) বের না হয়। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১৬৯), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ, আলী ইবনু তাল্ক আয়িশাহ, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ ও আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমদেরও অভিমত হল, (বায়ুর) শব্দ অথবা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত পুনরায় ওযু করা দরকার হয় না। আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, ওযু নষ্ট হওয়ার আশংকা হলেই ওযু করা জরুরী নয়, যতক্ষণ এরূপ বিশ্বাস না জন্মে যার ভিত্তিতে শপথ করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, মহিলাদের পেশাবের রাস্তা দিয়ে বায়ু বের হলে পুনরায় ওযু করা ওয়াজিব। এটা ইমাম শাফিঈ এবং ইসহাকেরও অভিমত।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "When one of you is in the Masjid, and he senses wind between his buttocks then he should not exit until he hears a sound or smells an odor
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তির ওযু নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় ওযু না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা তার নামায কুবুল করেন না। -সহীহ। আবু দাউদ- (৫৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "Indeed Allah does not accept the prayer of one of you when he commits Hadath, until he performs Wudu
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সিজদারত অবস্থায় ঘুমাতে দেখলেন। এমনকি তিনি নাক ডাকলেন, তারপর তিনি নামাযরত অবস্থায়ই দাড়ালেন। (নামায শেষে) আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যে ঘুমালেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি শুয়ে ঘুমায় শুধু তার জন্যই ওযু করা ওয়াজিব। কেননা যখন কেউ শুয়ে ঘুমায় তখন তার শরীরের বন্ধনসমূহ শিথিল হয়ে যায়। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (২৫), মিশকাত (৩১৮) আবূ ঈসা বলেনঃ আবূ খালিদের নাম ইয়াযিদ ইবনু আব্দুর রহমান। এ অনুচ্ছেদে আইশা, ইবনু মাসউদ ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও আছে।
Ibn Abbas narrated that :he saw the Prophet sleeping, while in the prostration position, until he snored or snorted. Then he stoodup to pray. So I said: "O Messenger of Allah! You were sleeping?" He said: "Wudu is not required except for sleeping while reclining. For when one reclines, joints relax
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবাগণ (বসে বসে) ঘুমাতেন, অতঃপর দাড়াতেন এবং নামায আদায় করতেন, কিন্তু ওযু করতেন না। —সহীহ। ইরওয়া- (১১৪), সহীহ আবু দাউদ- (১৯৪), মিশকাত- (৩১৭)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আমি সালিহ ইবনু ‘আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি নিজ পাছায় ভর দিয়ে বসে বসে ঘুমায় আমি (সালিহ) তার সম্পর্কে ইবনুল মুবারাককে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ তাকে পুনরায় ওযু করতে হবে না। আবু ঈসা বলেনঃ সাঈদ ইবনু আবু আরুবা কাতাদার সূত্রে ইবনু আব্বাসের অভিমত রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি সনদের মধ্যে আবুল আলিয়ার নামও উল্লেখ করেননি এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বক্তব্যও মারফু হিসাবে বর্ণনা করেননি। ঘুমের দ্বারা ওযু নষ্ট হওয়া সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। বেশিরভাগ মত হল, যদি বসে বসে অথবা দাড়িয়ে ঘুমানো হয় তবে ওযু নষ্ট হবে না; কিন্তু শুয়ে ঘুমালে পুনরায় ওযু করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ এ মত ব্যক্ত করেছেন। ইসহাক বলেন, ঘুমানোর ফলে যদি বোধশক্তি লোপ পায় তবে আবার ওযু করতে হবে। শাফিঈ বলেন, যে ব্যক্তি বসে বসে ঘুমাল এবং স্বপ্ন দেখল অথবা ঘুমের ঘোরে তার উরু স্থানচ্যুত হল, তাকে ওযু করতে হবে।
Anas bin Malik narrated:"The companions of Allah's Messenger would sleep, then stand to pray, They would not perform Wudu
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আগুনে রান্না করা খাদ্য খেলে ওযু করতে হবে; তা পনিরের একটা টুকরাই হোক না কেন।” (আবু হুরাইরাকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনে) ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাকে প্রশ্ন করলেন, আমরা কি তৈল ব্যবহার করলেও ওযু করব, আমরা কি গরম পানি পান করলেও ওযু করব? আবু হুরাইরা (রাঃ) বললেন, হে ভাইয়ের ছেলে। যখন তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনতে পাও, তার সামনে উদাহরণ পেশ কর না। —হাসান। ইবনু মাজাহ– (৪৮৫)। এ অনুচ্ছেদে উম্মু হাবীবা, উম্মু সালামা, যাইদ ইবনু সাবিত, আবু তালহা, আবু আইউব ও আবু মূসা (রাঃ) হতেও বর্ণনা করা হাদীস রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, আগুন যে জিনিসের মধ্যে পরিবর্তন এনেছে তা ব্যবহার করলে আবার ওযু করতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীদের মতে, আগুনে স্পর্শ করা জিনিসের ব্যবহার ও পানাহারে ওযু করার প্রয়োজন নেই।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Wudu is (required) from what fire has touched, even if it be a piece of cheese
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কোথাও যাবার উদ্দেশ্যে) বের হলেন। আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি এক আনসার মহিলার বাড়ীতে গেলেন। সে তার জন্য একটি বকরী যাবাহ করল। তিনি তা খেলেন। অতঃপর সে তার জন্য পাত্রে করে তাজা খেজুর আনলো। তিনি তা হতে খেলেন, অতঃপর যুহরের নামাযের ওযু করলেন এবং নামায আদায় করলেন। মহিলাটি বকরীর অবশিষ্ট গোশত হতে কিছু গোশত তাকে দিলেন। তিনি তা খেলেন এবং আসরের নামায আদায় করলেন, কিন্তু ওযু করেননি। —হাসান সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১৮৫)। এ অনুচ্ছেদে আবু বাকর সিদীক, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ, ইবনু নুমান ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। কিন্তু সনদের বাছবিচারে তা সহীহ নয়, বরং ইবনু আব্বাস (রাঃ) যে হাদীসটি সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন, সেটিই সহীহ। এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে ইবনু আব্বাসের নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে। সনদের দিক হতে এটা বেশি সহীহ।এ হাদিসটি আতা ইবনু ইয়াসার, ইকরিমা, মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আতা, আলী ইবনু আদিল্লাহ ইবনু আব্বাস আরো অনেকে ইবনু আব্বাস হতে বর্ণনা করেছেন। তারা আবু বকরের কথা উল্লেখ করেননি। আর এটিই অধিক সহীহ। আবু ঈসা বলেনঃ বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈ ও তার পরবর্তী বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। অর্থাৎ আগুনে রান্না করা জিনিস খেলে পুনরায় ওযুর দরকার নেই। তাদের মধ্যে রয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। তাদের মতে, এ হাদীসটির মাধ্যমে পূর্ববর্তী হাদীসের কার্যকারীতা বাতিল হয়ে গেছে।
Jabir narrated:"Allah's Messenger went out and I went with him. He entered upon a woman from the Ansar. She slaughtered a sheep and he ate from it; and she brought a basket with ripe dates and he ate from it. Then he performed Wudu for Zuhr and prayed. Then he finished, so she brought him something from the remainder of the sheep. So he ate it, then prayed Asr and did not perform Wudu