। বানী গিফার গোত্রের এক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মহিলাদের (ওযু বা গোসল হতে) বেঁচে যাওয়া পানি ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পুরুষদেরকে) মানা করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৭৩)। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ কোন কোন ফিকহবিদ মহিলাদের ওযু-গোসলের পর বেঁচে যাওয়া পানি ব্যবহার করাকে মাকরূহ বলেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের এই মত। কিন্তু তারা মহিলাদের ঝুটা খাদ্য-পানীয়ের ব্যবহারে কোনরূপ দোষ ধরেননি।
Abu Hajib narrated from a man from Banu Ghifar who said:"The Prophet prohibited using the leftover (water) of a woman's Purification
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে মাইমূনা (রাঃ) জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, আমি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র হতে পানি নিয়ে নাপাকির (ফরজ) গোসল করেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। সকল ফিকহবিদের এটাই অভিমত, পুরুষ এবং স্ত্রীলোক (স্বামী-স্ত্রী) একই পাত্র হতে পানি নিয়ে গোসল করাতে কোন অপরাধ নেই। এ অনুচ্ছেদে আলী, ‘আয়িশাহ,আনাস, উম্মু হানী, উম্মু সুবাইয়া, উম্মু সালামা, ইবনু উমার ও আবু শাসা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু শা’সার নাম জাবির ইবনু যাইদ।
Maimunah said:"I and Allah's Messenger would perform Ghusl for Janabah from one vessel
। হাকাম ইবনু আমর আল-গিফারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদেরকে স্ত্রীলোকদের ওযু-গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করতে নিষেধ করেছেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি স্ত্রীলোকদের অবশিষ্ট পানি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ। দেখুন পূর্বোক্ত হাদীস। আবু ঈসা বলেন, এটা হাসান হাদীস। বর্ণনাকারী আবু হাজিবের নাম সাওয়াদা ইবনু আসিম। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার তার হাদীসে বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকদের ওযু-গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে পুরুষদের ওযু করতে নিষেধ করেছেন। এ বর্ণনায় বাশশার সন্দেহ প্রকাশ করেননি।’
A1-Hakim bin Amr AI-Ghifari narrated that:"The Prophet forbade that a man should perform Wudu with the leftover (water) from a woman's purifcation." Or, he said: "from her drinking
। সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি ওয়াক্তের নামাযের জন্য নতুনভাবে ওযু করতেন। তিনি মক্কা বিজয়ের দিন একই ওযু দিয়ে সব ওয়াক্তের নামায আদায় করলেন এবং মোজার উপর মসিহ করলেন। উমার (রাঃ) বললেনঃ আপনি এমন একটি কাজ করলেন যা ইতোপূর্বে কখনও করেননি। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি ইচ্ছা করেই এটা করলাম। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫১০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আলী ইবনু কাদিম— সুফিয়ান সাওরীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাতে এ কথাটুকুও আছে, “তিনি একবার একবার ওযু করেছেন।” সুফিয়ান সাওরী তার সনদ পরম্পরায় বুরাইদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাযের জন্যই নতুনভাবে ওযু করতেন। ওরাকীও তার সনদ পরম্পরায় বুরাইদার এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান ইবনুল মাহদী ও অন্যরা অপর এক সনদ পরম্পরায় এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাটি ওয়াকীর বর্ণনার তুলনায় বেশি সহীহ। বিদ্বানদের মতামত হল ওযু যে পর্যন্ত নষ্ট না হবে, সে পর্যন্ত একই ওযুতে একাধিক ওয়াক্তের নামায আদায় করা যাবে। তাদের কেউ কেউ ফযিলত লাভের আশায় প্রত্যেক নামাযের জন্য নতুনভাবে ওযু করাটা মুস্তাহাব মনে করেছেন। আফরীকী হতে বর্ণিত আছে, তিনি গুতাইফ হতে তিনি ইবনু উমার হতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "যে ব্যক্তি ওযু থাকা অবস্থায় ওযু করে আল্লাহ তার জন্য দশটি সাওয়াব লিখেন।" -এর সনদ যঈফ। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত একটি হাদীস রয়েছেঃ “নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই ওযুতে যুহর এবং আসরের নামায আদায় করেছেন।”
Sulaiman bin Buraidah narrated that his father said:"The Prophet would perform Wudu for every Salat. So during the year of the Conquest, he performed all of the prayers with one Wudu, and he wiped over his Khuff. So Umar said, 'You did something that you have not done before?' He replied: "I did it on purpose