। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আমি বললামঃ মিনায় অবস্থানের দিনগুলিতে সাফিয়্যা বিনতু হুওয়াই (রাঃ) হায়েযগ্রস্তা হয়ে পড়েছেন। তিনি বললেনঃ সে আমাদের প্রতিবন্ধক হবে নাকি? লোকেরা বলল, তিনি তাওয়াফে যিয়ারাত করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে কোন সমস্যা নেই। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭২, ৩০৭৩), বুখারী, মুসলিম ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আইশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আলিমগণ মত দিয়েছেন। তাওয়াফে যিয়ারাত সম্পন্ন করার পর কোন মহিলা হয়েযগ্রস্তা হলে সে (মিনা হতে) চলে আসতে পারে। এতে তার উপর অন্য কিছু বর্তাবে না। এই অভিমত সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রাহঃ)-এর।
Aishah narrated:"It was mentioned to the Messenger of Allah that Safiyyah bint Huyai got her menses during the days of Mina, so he said: "Will she prevent us (from departing)?" They said: "She has done (Tawaf) Al-Ifadah/" So the Messenger of Allah said: "In that case there is no harm
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি হাজে কোন রকম শর্তারোপ করা প্রত্যাখ্যান করতেন এবং বলতেন, তোমাদের জন্য কি তোমাদের নবীর সুন্নাতই যথেষ্ট নয়? — সহীহ (১৮১০), বুখারী এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইবনু উমারের কথার তাৎপর্য হল, যখন কোন ব্যক্তি হাজের জন্য ইহরাম বাধবে অতঃপর কা'বা পর্যন্ত পৌছতে বাধা গ্রস্থ হয় তাহলে সে হজ্জের নিয়্যাত ভঙ্গ করবে। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরকমই করেছেন যখন তাঁকে কাফিরগণ বাধা দিয়েছিল।
Salim narrated that :His father disliked making a condition during Hajj and he said: 'Is not the Sunnah of your Prophet enough for you?
তিনি বলেন, যে লোক বাইতুল্লাহর হাজ্জ করে তার শেষ কাজ যেন বাইতুল্লাহর তাওয়াফ হয়। তবে ঋতুবতী মহিলা এর ব্যতিক্রম। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য (চলে আসার) অনুমতি দিয়েছেন। — সহীহ, বুখারী (১৭৬১), অনুমতির ব্যাক্য সহ ইরওয়া (৪/২৮৯) ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন।
Ibn Umar said:"Whoever performs Hajj to the House, then let the last of their acts be at the House, except for menstruating women. The Messenger of Allah gave them permission (to leave)." (Sahih Mawquf)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যুবাআ বিনতুয যুবাইর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হাজ্জ আদায় করতে চাচ্ছি। আমি কি কোন শর্ত আরোপ করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। যুবাআ বললেন, আমি কিভাবে বলব? তিনি বললেনঃ তুমি বলবে, আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত। হে আল্লাহ! তুমি যেখানে আমাকে বাধাগ্রস্ত করে দিবে সেখানেই আমি ইহরামমুক্ত হব। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৯৩৮), মুসলিম জাবির, আসমা বিনতু আবু বাকর ও আইশা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী একদল আলিম আমল করেছেন। তাদের মতে হাজের ক্ষেত্রে এইরূপ শর্তারোপ করা যায়। তারা বলেন, যদি কোন ইহরামধারী এইরূপ শর্ত করার পর বাধার সম্মুখীন হয় অথবা অপারগ হয়ে পড়ে তাহলে সেলেক ইহরামমুক্ত হয়ে যেতে পারবে। এই মত দিয়েছেন ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। হাজের ক্ষেত্রে শর্তারোপ করা আরেক দল আলিমের মতে সঠিক নয়। তারা বলেন, কোন লোক শর্তারোপ করলেও ইহরামমুক্ত হতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে তাকে কোন শর্তারোপ না করা ব্যক্তির মতই গণ্য করা হবে।
Ibn Abbas narrated:"Duba'ah bint Az-Zubair came to the prophet and said: 'O Messenger of Allah! I want to perform Hajj so should I state a condition?' He said: 'Yes.' She asked: 'So how should I say it?' He said: 'Say; "Labbaik Allahumma labbaika mahilli minal Ard haithu tahbisuni (I respond to Your call O Allah, I respond to Your call, I will exit Ihram any where on the earth where You prevent me)