। কুতাইবা কাযায়া ইবনু সুয়াইদ আল-বাহিলী হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। – সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবু ঈসা বলেন, হাদিসটি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদিরের বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মুরসাল রূপেও বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আলিমগণ একমত যে, যদি নাবালেগ শিশু হাজ্জ আদায় করে তাহলে আবার বালেগ হওয়ার পর (হাজ্জ ফরয হলে) তাকে হাজ্জ আদায় করতে হবে। ফরয হাজ্জের জন্য শিশুকালের হাজ্জ যথেষ্ট হবে না। অনুরূপভাবে হাজ্জ করার পর যদি কোন দাস আযাদ হয় তাহলে হাজের সামর্থ্য হলে আবার তাকে হাজ্জ আদায় করতে হবে। তার ফরয হজ্জের জন্য দাস অবস্থার হাজ যথেষ্ট হবে না। এই মত সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের।
(Another chain) from Jabir bin Abdullah:From the Prophet, with similar (Hadith of Muhammad bin Tarif no)
। সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিদায় হজ্জে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আমার পিতা আমাকে নিয়ে হাজ আদায় করেছেন। তখন আমি সাত বছরের বালক ছিলাম। — সহীহ, আলহাজ্জ্বুল কাবীর, বুখারী এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
As-Sa'ib bin Yazid narrated:"My father took me for Hajj with the Messenger of Allah during the Farewell Hajj, and I was seven years old
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যখন হাজ্জ করতাম তখন মেয়েদের পক্ষ হতে তালবিয়া পাঠ করতাম এবং বালকদের পক্ষ হতে রমী (কঙ্কর নিক্ষেপ) করতাম। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০৩৮) আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি গারীব। শুধু উপরোক্ত সূত্রেই এটি আমরা জেনেছি। এই প্রসঙ্গে আলিমগণ একমত যে, মেয়েরা নিজেদের তালবিয়া পাঠ করবে। তাদের হয়ে অন্য কেউ তালবিয়া পাঠ করলে তা হবে না। তবে তাদের উচ্চ কণ্ঠে তালবিয়া পাঠ করা মাকরূহ।
Jabir narrated:"When we performed our Hajj with the Prophet we would say the Talbiyah for the women and we would stone for the boys
Jabir bin Abdullah narrated:"A woman held a boy of hers up for the Messenger of Allah and said: 'O Messenger of Allah! Is there Hajj for this one' He said: 'Yes, and you will be rewarded