তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে কুরবানীর দিন দেখতে পেয়েছি যে, খুতবা দেওয়ার আগে প্রথমে তিনি নামায আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেন, এই দুই ঈদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি রোযা পালন করতে নিষেধ করতে শুনেছি। ঈদুল ফিতরের দিন হল তোমাদের (সারা মাসের) রোযা ভঙ্গের দিন এবং মুসলিমদের ঈদের দিন। আর তোমরা ঈদুল আযহার দিন তোমাদের কুরবানীর গোশত খাবে। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭২২), বুখারী, মুসলিম আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-এর মুক্ত দাস আবূ উবাইদের নাম সা’দ। তাকে আবদুর রাহমান ইবনু আযহারের মাওলাও বলা হয়। আবদুর রাহমান ইবনু আযহার হলেন আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-এর চাচাত ভাই।
Abu Ubaid, the freed slave of Abdur-Rahman bin Awf narrated:"I witnessed Umar bin Al-Khattab on the Day of Nahr beginning with the Salat before the Khutbah. Then he said: 'I heard the Messenger of Allah prohibit fasting on these two days. As for the Day of Fitr, then it is for you to take a break from your fasting, and a celebration for the Muslims. As for the Day of Adha, then eat from the flesh that you have sacrificed
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ভাই দাউদ (আঃ)-এর রোযা হল সবচেয়ে উত্তম রোযা। তিনি একদিন রোযা পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না। আর যুদ্ধের ময়দানে শক্রর মুখোমুখী হলে তিনি পালাতেন না। – সহীহ, বুখারী, মুসলিম আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। বর্ণনাকারী আবুল আব্বাস একজন মক্কার কবি ছিলেন এবং তিনি একজন অন্ধ ব্যক্তি। তার নাম সাইব ইবনু ফাররূখ। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম বলেন, সবচেয়ে উত্তম (নফল) রোযা হচ্ছে সেই রোযা যা একদিন পরপর পালন করা হয়। বলা হয় যে, এই নিয়মে রোযা রাখা কঠিন।
Abdullah bin Amr narrated that:The Messenger of Allah said: "The most virtuous fast is the fast of my brother Dawud. He would fast a day, and not fast (the next) day. He would not flee at the time of engagement (with the enemy)
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’দিন রোযা পালন করতে বারণ করেছেনঃ ঈদুল আযহা এবং ঈদুল ফিতরের দিন। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭২১), বুখারী , ইরওয়া (৯৬২), আর রাওয (৬৪৩), সহীহ আবু দাউদ (২০৮৮), মুসলিম। উমার, আলী, আইশা, আবু হুরাইরা, উকবা ইবনু আমির ও আনাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন। আবু ঈসা বলেন, আমর ইবনু ইয়াহইয়া হলেন ইবনু উমারা ইবনু আবুল হাসান আল-মাযিনী আল-মাদানী। তিনি একজন বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। সুফিয়ান সাওরী, শুবা ও মালিক ইবনু আনাস তার সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated:"The Messenger of Allah prohibited two fasts: Fasting the Day of Adha and the Day of Fitr
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রোযা প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কোন মাসে তিনি রোযা পালন করতে শুরু করলে মনে হত যে, তার হয়তো আর রোযা ত্যাগের ইচ্ছা নেই। আবার যখন তিনি রোযা পালন করা ছেড়ে দিতেন তখন মনে হত তিনি হয়তো আর রোযা পালন করবেন না। তুমি যদি তাকে রাতে নামায রত অবস্থায় দেখতে ইচ্ছা করতে তবে সে অবস্থায়ই দেখতে পেতে। আর তুমি যদি তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে ইচ্ছা করতে তবে সে অবস্থায়ই দেখতে পেতে। — সহীহ, বুখারী (১৯৭২), মুসলিম (৩/১৬২), নামাযের ব্যাক্যাংশ বাদে সংক্ষিপ্তভাবে। আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
Jafar bin Humaid narrated that:Anas bin Malik was asked about the Prophet's fasting and he said: "He would fast during a month until we thought that he did not want to abstain from fasting during any of it. And, he would not fast during a month until we thought that he did not want to fast during any of it. (There was no time) that I wanted to see if he was performing Salat during the night, except that I would see him praying, nor to see him sleeping, except that I would see him sleeping