। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন দিন নেই যে দিনগুলোর (নফল) ইবাদাত আল্লাহ্ তা'আলার নিকট যিলহাজ্জ মাসের দশ দিনের ইবাদাত হতে বেশী প্রিয়। এই দশ দিনের প্রতিটি রোযা এক বছরের রোযার সমকক্ষ এবং এর প্রতিটি রাতের ইবাদাত কাদরের রাতের ইবাদাতের সমকক্ষ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৭২৮) আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি গারীব। শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আমরা হাদীসটি জেনেছি। আমি মুহাম্মাদ আল-বুখারীকে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনিও এই সূত্র ব্যতীত অনুরূপ কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেন, কাতাদা হতে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব (রাহঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উল্লিখিত হাদীসের কিছু অংশ মুরসাল হিসেবে বর্ণিত আছে। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাহঃ) নাহহাস ইবনু কাহম-এর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "There are no days more beloved to Allah that He be worshipped in them than the ten days of Dhul-Hijjah, fasting every day of them is the equivalent of fasting a year, and standing every night of them (in prayer) is the equivalent of standing on the Night of Qadr
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন দিন নেই যে দিনসমূহের সৎকাজ আল্লাহ্ তা'আলার নিকট যুলহিজ্জা মাসের এই দশ দিনের সৎকাজ অপেক্ষা বেশি প্রিয়। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ্ তা'আলার পথে জিহাদ করাও কি (এত প্রিয়) নয়? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা'আলার পথে জিহাদও তার চেয়ে বেশি প্রিয় নয়। তবে জান-মাল নিয়ে যদি কোন লোক আল্লাহ্ তা'আলার পথে জিহাদে বের হয় এবং এ দুটির কোনটিই নিয়ে যদি সে আর ফিরে না আসতে পারে তার কথা (অর্থাৎ সেই শহীদের মর্যাদা) আলাদা। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭২৭), বুখারী ইবনু উমার, আবু হুরাইরা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও জাবির (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
Ibn Abbas narrated that :the Messenger of Allah said: "There are no days in which righteous deeds are more beloved to Allah than those ten days." They said: "O Messenger of Allah! Not even Jihad in Allah Cause?" The Messenger of Allah said: "Not even Jihad in Allah's Cause, unless a man were to out with his self and his wealth and not return from that with anything
। আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক রামাযান মাসে রোযা পালন করলো, তারপর শাওয়াল মাসের ছয় দিন রোযা পালন করলো, সে লোক যেন সম্পূর্ণ বছরই রোযা পালন করলো। – হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭১৬), মুসলিম জাবির, আবু হুরাইরা ও সাওবান (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম এই হাদীসের ভিত্তিতে শাওয়াল মাসের ছয় দিন রোযা পালন করাকে মুস্তাহাব মনে করেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, প্রতি মাসে তিন দিন রোযা পালনের মত এটিও মুস্তাহাব। এ রোযা রামাযানের রোযার পরপরই পালনের কথা কোন কোন হাদীসে উল্লেখ আছে। তাই তিনি এই ছয়টি রোযা শাওয়াল মাসের শুরুর দিকে পালন করাকে বেশি পছন্দীয় মনে করেছেন তিনি আরও বলেছেনঃ শাওয়াল মাসের ভিন্ন ভিন্ন দিনের রোযা পালন করাও জায়িয আছে। আবু ঈসা বলেন, বর্ণনাকারী আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ এই হাদীসটি সাফওয়ান ইবনু সুলাইম ও সা’দ ইবনু সাঈদের সূত্রে উমার ইবনু সাবিত হতে আবু আইয়ূব (রাঃ)-এর সনদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। শুবা (রাঃ) এই হাদীস ওয়ারকা ইবনু উমার হতে সা’দ ইবনু সাঈদ (রাহঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই সাদ ইবনু সাঈদ হলেন ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-আনসারীর ভাই। একদল হাদীস বিশেষজ্ঞ তার স্মৃতিশক্তির সমালোচনা করেছেন। — হাসান বাসরী হতে বর্ণিত আছে যে, তার নিকট শাওয়ালের ছয়টি রোযার উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ তিনি পূর্ণ বৎসরের পরিবর্তে এই মাসের রোযার প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সনদ সহীহ্, মাকতু।
Abu Ayub narrated that :the Messenger of Allah said: "Whoever fasts Ramadan, then follows it with six from Shawwal, then that is (equal in reward) to fasting everyday
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কখনও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (যুলহিজ্জা মাসের) দশ দিন রোযা পালন করতে দেখিনি। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭২৯), মুসলিম আবু ঈসা বলেন, এই হাদীসটি একাধিক বর্ণনাকারী আমাশ হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি আসওয়াদ হতে, তিনি আইশা (রাঃ)-এর সূত্রে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটিকে সাওরী প্রমুখ বর্ণনাকারী মানসূর হতে, তিনি ইবরাহীম... সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই দশ দিন কখনও রোযা অবস্থায় দেখা যায়নি। এই হাদীসটিকে আবুল আহওয়াস মানসূর হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি আইশা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বর্ণনাকারী আসওয়াদের উল্লেখ করেননি। এই হাদীসের সনদে মানসূরের পরবর্তী বর্ণনাকারীগণ উক্ত মতবিরোধ করেছেন। আমাশের বর্ণনাটিই এই সনদগুলোর মধ্যে অধিক সহীহ্ এবং মুত্তাসিল। ওয়াকী বলেন, মানসূরের নিকট হতে বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবরাহীম অপেক্ষা আমাশ বেশি বিশ্বস্ত সংরক্ষক
Aishah narrated:"I did not see the Prophet fasting at all during the ten