। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে প্রিয় বৎস সাবধান! নামাযের মধ্যে কখনো এদিক-সেদিক দেখবে না। কেননা নামাযরত অবস্থায় এদিক-সেদিক তাকানো সর্বনাশ ডেকে আনে। যদি তাকানোর খুবই দরকার হয় তবে নফল নামাযে তাকাও, ফরয নামাযে নয়। যঈফ, তালিকাতুল জিয়াদ, তালিকুর রাগীব- (১৯৯১), মিশকাত- (৯৯৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
Anas narrated:"The Messenger of Allah said to me: 'O my son! Beware of looking around during the Salat, for indeed looking around during Salat is destruction. If you must do so, then in the voluntary (prayers), not in the obligatory (prayers).'" (Da'if)
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামাযরত অবস্থায় এদিক-সেদিক তাকানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ এটা নামায থেকে কিছু অংশ নিয়ে যায়। —সহীহ। ইরওয়া— (৩৭০), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান গারীব।
Aishah narrated:"I asked the Messenger of Allah about looking around during the Salat. He said: 'It is a portion which the Shaitan snatches during a man's prayer
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহু ওয়াসাল্লাম নামাযরত অবস্থায় ডানে-বাঁয়ে তাকাতেন কিন্তু পিছনের দিকে ঘাড় ফেরাতেন না। —সহীহ। মিশকাত— (৯৯৮)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি গারীব, ওয়াকী (রহঃ) তার বর্ণনায় আল-ফাযল ইবনু মূসার বর্ণনার সাথে মতপার্থক্য করেছেন।
Ibn Abbas narrated:"The Messenger of Allah would glance toward the right and the left during Salat but he would not turn his neck to look behind him