حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى الْفَجْرَ قَعَدَ فِي مُصَلاَّهُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। জাবির ইবনু সামুরা হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায আদায়ের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত নিজের নামাযের জায়গায় বসে থাকতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১৭১), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Jabir bin Samurah narrated:"When the Prophet prayed Fajr he would remain seated where he had prayed until the sun had risen
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমরা গরমের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে নামায আদায়কালে গরম থেকে বাচার জন্য কাপড়ের উপর সিজদা করতাম। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০৩৩), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। উল্লেখিত হাদীসটি ওয়াকী (রহঃ) খালিদ ইবনু আবদুর রহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
Anas bin Malik narrated:"When we prayed behind the Prophet in the midday heat, we would prostrate on our garments as a protection against the heat
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায জামাআতে আদায় করে, তারপর সূর্য উঠা পর্যন্ত বসে বসে আল্লাহ তা'আলার যিকর করে, তারপর দুই রাকাআত নামায আদায় করে- তার জন্য একটি হাজ্জ ও একটি উমরার সাওয়াব রয়েছে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ণ, পূর্ণ, পূর্ণ (হাজ্জ ও উমরার সাওয়াব)। -হাসান। তা’লীকুর রাগীব- (১/১৬৪, ১৬৫), মিশকাত- (৯৭১)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। তিনি আরো বলেন, বললেন, তিনি হাদীস বর্ণনার উপযুক্ত। তার নাম হিলাল।
Anas bin Malik narrated that :the Messenger of Allah said: "Whoever prays Fajr in congregation, then sits remembering Allah until the sun has risen, then he prays two Rak'ah, then for him is the reward like that of a Hajj and Umrah." He said: "The Messenger of Allah said: 'Complete, complete, complete
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের নামায আদায় করতেন, তারপর নিজের গোত্রে গিয়ে তাদের ইমামতি করতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৫৬), বুখারী ও মুসলিম আরো পূর্ণরূপে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আমাদের সঙ্গী ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি ফরয নামায আদায় করার পর আবার ইমাম হয়ে সে যদি ঐ নামায আদায় করায় তবে তার পিছনে ইকতিদাকারীদের নামায আদায় হয়ে যাবে। তারা উপরের হাদীস নিজেদের দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এটা একটা সহীহ হাদীস। আর এটা বেশ কয়েকটি সূত্রে জাবির (রাঃ)-এর হতে বর্ণিত হয়েছে। “আবু দারদা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো, এক ব্যক্তি মসজিদে গেল, লোকেরা তখন আসরের নামায আদায় করছিল। সে ধারণা করলো তারা যুহরের নামায আদায় করছে। সে জামা'আতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে নামায আদায় করলো (তার নামাযের হুকুম কি)। তিনি বলেন, তার নামায জায়িয হয়েছে।” কুফাবাসীদের একদল বলেছেন, একদল লোক ইমামের পিছনে এসে ইকতিদা করলো। সে তখন আসরের নামায আদায় করছিল। তারা মনে করলো, সে (ইমাম) যুহরের নামায আদায় করছে। সে তাদের নামায আদায় করালো এবং তারাও তার পিছনে ইকতিদা করলো। এ অবস্থায় তাদের নামায ফাসিদ (নষ্ট) হয়ে যাবে। কেননা ইমাম ও মুক্তাদীদের নিয়াতের মধ্যে প্রভেদ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
Jabir bin Abdullah narrated:'Mu'adh bin Jabal would pray Al-Maghrib with the Messenger of Allah, then he would return to his people to lead them (in prayer)