। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমামের আগে (রুকূ-সিজদা থেকে) মাথা উত্তোলনকারীর কি ভয় নেই যে, আল্লাহ তা'আলা তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দিবেন? —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৬১), বুখারী ও মুসলিম। আবু হুরাইরা (রাঃ) আমা ইয়াখশা' (সে কি ভয় করে না) শব্দ বলেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Hurairah narrated:"Muhammad said: 'Does not the one who raises his head before the Imam fear that Allah will transform his head into a donkey's head?
। ‘আবদুর রহমান ইবনু আবদুল কারী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি 'উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের নিয়মিত ও নির্দিষ্ট পরিমাণ (কুরআন) তিলাওয়াত অথবা তার অংশবিশেষ বাকী রেখে ঘুমিয়ে গেল এবং ফজর ও যুহরের মাঝামাঝি সময়ে তা পাঠ করে নিল, সে যেন তা রাতেই পাঠ করে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৪৩), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু সাফওয়ানের নাম আব্দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, হুমাইদীসহ স্বনামধন্য ইমামগণ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
Umar bin Al-Khattab narrated that :the Messenger of Allah said: "Whoever slept, (missing) his section or some of it, then he recited it between the Fajr prayer and the Zuhr prayer, it is written for him as if he had recited it in the night
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের নামায আদায় করতেন, তারপর নিজের গোত্রে গিয়ে তাদের ইমামতি করতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৫৬), বুখারী ও মুসলিম আরো পূর্ণরূপে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আমাদের সঙ্গী ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি ফরয নামায আদায় করার পর আবার ইমাম হয়ে সে যদি ঐ নামায আদায় করায় তবে তার পিছনে ইকতিদাকারীদের নামায আদায় হয়ে যাবে। তারা উপরের হাদীস নিজেদের দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এটা একটা সহীহ হাদীস। আর এটা বেশ কয়েকটি সূত্রে জাবির (রাঃ)-এর হতে বর্ণিত হয়েছে। “আবু দারদা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো, এক ব্যক্তি মসজিদে গেল, লোকেরা তখন আসরের নামায আদায় করছিল। সে ধারণা করলো তারা যুহরের নামায আদায় করছে। সে জামা'আতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে নামায আদায় করলো (তার নামাযের হুকুম কি)। তিনি বলেন, তার নামায জায়িয হয়েছে।” কুফাবাসীদের একদল বলেছেন, একদল লোক ইমামের পিছনে এসে ইকতিদা করলো। সে তখন আসরের নামায আদায় করছিল। তারা মনে করলো, সে (ইমাম) যুহরের নামায আদায় করছে। সে তাদের নামায আদায় করালো এবং তারাও তার পিছনে ইকতিদা করলো। এ অবস্থায় তাদের নামায ফাসিদ (নষ্ট) হয়ে যাবে। কেননা ইমাম ও মুক্তাদীদের নিয়াতের মধ্যে প্রভেদ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
Jabir bin Abdullah narrated:'Mu'adh bin Jabal would pray Al-Maghrib with the Messenger of Allah, then he would return to his people to lead them (in prayer)
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তিলাওয়াতের সিজদাতে এই দু'আ পাঠ করতেনঃ “আমার চেহারা সেই মহান সত্তার জন্য সিজদা করলো যিনি নিজ শক্তি ও সামর্থে একে সৃষ্টি করেছেন এবং এতে শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন।” -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২৭৩)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aisha narrated:"When the Messenger of Allah would prostrate (for recitation of) the Qur'an, he would say: (Sajada wajhiya lilladhi khalaqahu wa shaqqa sam'ahu wa basarahu bihawlihi wa quwwatihi.) (I have prostrated my face to the One Who created it, and made its hearing and vision, though His ability and power)