। উবাই ইবনু কাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ওযুর সময় (সন্দেহপ্রবণতা সৃষ্টি করার জন্যই) একটি শাইতান রয়েছে। তার নাম 'ওয়ালাহান’ বলে কথিত। অতএব ওযুর সময় পানি ব্যবহারে ওয়াসওয়াসা হতে সতর্ক থাক। সনদ দুর্বল, ইবনু মাজাহ (৪২১) এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, উবাই ইবনু কাব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি গারীব। হাদীস বিশারদদের মতে এর সনদ মজবুত নয়। কেননা খারিজাহ ছাড়া আর কেউ এ হাদীসকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। কিছু সূত্রে এটাকে (হাদীসটিকে) হাসান বাসরীর কথা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে কোন সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়নি। হাদীস বিশারদদের নিকট খারিজাহ তত সবল রাবী নন। ইবনুল মুবারাক তাকে দুর্বল রাবী মনে করেছেন।
Ubayy bin Ka'b narrated that :the Prophet said: "Indeed there is a Shaitan for Wudu' who is called "AI-Walahan." So beware of having misgivings about water
। সাফীনাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'এক মুদ্দ’ পানি দিয়ে ওযু করতেন এবং এক সা পানি দিয়ে গোসল করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (২৬৭)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, জাবির ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ সাফীনার হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু রায়হানার নাম আব্দুল্লাহ ইবনু মাতার। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, ওযু এক মুদ্দ এবং গোসল এক সা পানি দিয়েই করতে হবে। কিন্তু ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক বলেছেন, হাদীসের তাৎপর্য এটা নয় যে, এক মুদ বা এক সা-এর বেশি বা কম পানি ব্যবহার করা যাবে না, বরং এটা একটা পরিমাণ যা ওযু ও গোসলের জন্য যথেষ্ট।
Safinah narrated:"The Prophet would perform Wudu with a Mudd, and he would perform Ghusl with a Sa
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাযের জন্য নতুন ওযু করতেন, তিনি পবিত্র (ওযু) থাকলেও করতেন এবং অপবিত্র (ওযুহীন) থাকলেও করতেন। হুমাইদ বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, আপনারা কি করেন? তিনি বললেন, আমরা একই ওযুতে কাজ সারি। যঈফ, সহীহ আবূ দাউদ (১৬৩) আবূ ঈসা বলেন, এই সূত্রে আনাসের বর্ণিত হাদীস হাসান গারীব। এ পর্যায়ে আমর ইবনু আমির হতে আনাসের সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি হাদীস বিশারদদের নিকট অতিপরিচিত। কিছু মনীষীর মতে, প্রত্যেক নামাযের জন্য নতুনকরে ওযু করা মুস্তাহাব, তবে ওয়াজিব নয়।
Anas narrated that :"The Prophet would perform wudu for every Salat, whether he was in state of purity or not in a state of purity
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করার পর বলেঃ “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ তা'আলা ব্যতিত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তার কোন শরীক নেই; আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দাহ ও তারই রাসূল; হে আল্লাহ! আমাকে তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর এবং আমাকে পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর”, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হবে। সে নিজ ইচ্ছামত যে কোন দরজা দিয়েই তাতে যেতে পারবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৪৭০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আনাস ও উকুবা ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসে যাইদ ইবনু হুবাবের কারণে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ এবং অন্যরা মুয়াবিয়াহ ইবনু সালিহ হতে তিনি রাবিয়াহ ইবনু ইয়াযিদ হতে, তিনি আবু ইদরিস হতে তিনি উক্ববা ইবনু ‘আমির হতে তিনি উমার হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্য সূত্রে তিনি উমার হতে বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসের সনদে অসংলগ্নতা রয়েছে। এ অনুচ্ছেদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে কোন সূত্রেই খুব একটা সহীহ হাদীস বর্ণিত নেই। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেন, আবু ইদরীস উমারের কাছে কোন কিছুই শুনেননি।
Umar bin Al-Khattab narrated that :Allah's Messenger said: 'Whoever performs Wudu, making Wudu well, then says: (Ashhadu an la ilaha illallah, wahdahu la sharika lahu, wa ashhadu anna Muhammadan-abduhu wa rasuluhu, Allahummajalni minat tawwabin, waj'alni minal mutatahhirin) 'I testify that none has the right to be worshipped but Allah Alone, there are no partners for Him. And I testify that Muhammad is His servant and Messenger. O Allah! Make me among the repentant, and make me among those who purify themselves.' Then eight gates of Paradise are opened for him, that may enter by whichever of them wishes