। উম্মু আতিয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন কুমারী, তরুণী, প্রাপ্তবয়স্কা, পর্দানশিন এবং ঋতুবতী সব মহিলাদের (নামাযের জন্য) বের হওয়ার (ঈদের মাঠে যাওয়ার) হুকুম করতেন। ঋতুবতী মহিলারা নামাযের জামা'আত হতে এক পাশে সরে থাকতো কিন্তু তারা মুসলিমদের দু'আয় শারীক হত। এক মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোন নারীর নিকট (শরীর ঢাকার মত) চাদর না থাকে? তিনি বললেনঃ তার (মুসলিম) বোন তার অতিরিক্ত চাদর তাকে ধার দিবে। - সহীহ; ইবনু মাজাহ - (১৩০৭, ১৩০৮), বুখারী ও মুসলিম।
Umm Atiyyah narrated:"Allah's Messenger would order the virgins, the mature women, the secluded and the menstruating to go out for the two Eid. As for the menstruating women, they were to stay away from the Musalla and participate in the Muslims supplications." One of them said: 'O Messenger of Allah! What if she does not have a Jilbab? He said: 'Then let her sis lend her a Jilbab
। ইবনু উমার (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে, তিনি এক ঈদের দিন নামায আদায় করতে বের হলেন। তিনি এর পূর্বেও কোন (নফল) নামায আদায় করেননি এবং পরেও আদায় করেননি। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটিই করেছেন। —হাসান সহীহ। ইরওয়া— (৩/৯৯)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Bakr bin Hafs - and he is Ibn Umar bin Sa'd bin Abi Waqas - narrated about Ibn Umar, that:"He went out on the day of Eid, and he did not pray before it nor after it. He mentioned that the Prophet did so
। অপর একটি সূত্রেও একই রকম হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ উম্মু আতিয়্যার হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস ও জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। একদল বিদ্বান এ হাদীসের অনুকূলে মত দিয়েছেন। তারা মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। অপর একদল বিদ্বান মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়া মাকরূহ বলেছেন। বর্ণিত আছে যে, ইবনুল মুবারাক বলেছেন, আজকাল মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়াকে আমি মাকরূহ মনে করি। যদি কোন মহিলা ঈদের মাঠে যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করে, তবে তার স্বামী তাকে পুরানো কাপড় পরে যাওয়ার অনুমতি দিবে, কিন্তু সাজগোজ করে বের হতে দিবে না। যদি স্ত্রী এতে রাজী না হয় তবে স্বামী তাকে মাঠে যাবার অনুমতি দিবে না। আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, আজকালকার মহিলারা যেরূপ বিদ'আতি সাজসজ্জা আবিষ্কার করে নিয়েছে, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলো দেখতেন তবে তাদেরকে তিনি মসজিদে আসতে নিষেধ করতেন, যেভাবে বানী ঈসরাঈলের মহিলাদের নিষেধ করা হয়েছিল। সুফিয়ান সাওরীও মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়া মাকরুহ বলেছেন।
There is a similar narration from Umm Atiyyah :with another chain
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ لَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلاَ بَعْدَهَا . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَبِي سَعِيدٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَدْ رَأَى طَائِفَةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ الصَّلاَةَ بَعْدَ صَلاَةِ الْعِيدَيْنِ وَقَبْلَهَا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ . وَالْقَوْلُ الأَوَّلُ أَصَحُّ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন নামায আদায় করতে বের হলেন। তিনি দুই রাকাআত নামায আদায় করালেন এবং তার পূর্বেও তিনি কোন (নফল) নামায আদায় করেননি এবং পরেও আদায় করেননি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৯১), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও তাবিঈ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক এই মতের পক্ষে (ঈদের নামাযের আগে-পরে কোন নফল নামায নেই)। অপর একদল বিদ্বানের মতে, ঈদের নামাযের আগে বা পরে নফল নামায আদায় করা যায়। এ দুটি মতের মধ্যে প্রথমোক্ত মতই বেশি সহীহ।
Ibn Abbas narrated:"The Prophet went out on the day of Al-Fitr, so he prayed two Rak'ah, then he did not pray before it nor after it