। নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদের নামাযে এবং জুমুআর নামাযে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ'লা" এবং “হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়াহ" সূরা দুটি পাঠ করতেন। কখনো কখনো ঈদ এবং জুমুআর নামায একই দিনে হয়ে যেত। তিনি তখনও এ দুই নামাযে উল্লেখিত সূরা দুটিই পাঠ করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১৯), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু ওয়াকিদ, সামুরা ইবনু জুনদুব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ নুমান ইবনু বাশীরের হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের মতই বর্ণনা এসেছে। অপর একটি সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদের নামাযের সূরা ‘কাফ’ ও সূরা ‘ইকতারাবাতিস সাআহা’ পাঠ করতেন। ঈমাম শাফিঈ এই মতের সমর্থক।
An-Numan bin Bashir narrated:"For the two Eid and the Friday prayer, the Prophet would recite: Glorify the Name of your Lord, the Most High, and Has there come to you the narration of the overwhelming? And sometimes they would occur on he same day, so he would recite the two of them
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْعِيدَيْنِ غَيْرَ مَرَّةٍ وَلاَ مَرَّتَيْنِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَابْنِ عَبَّاسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنَّهُ لاَ يُؤَذَّنُ لِصَلاَةِ الْعِيدَيْنِ وَلاَ لِشَيْءٍ مِنَ النَّوَافِلِ .
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দুই ঈদের নামায আযান এবং ইকামাত ব্যতীত একবার দু’বার নয় একাধিকবার আদায় করেছি (আহমাদ, মুসলিম, আবু দাউদ)। -হাসান সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০৪২), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামূরার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ ও অন্যরা এ হাদীস অনুযায়ী দুই ঈদের নামায ও নফল নামাযের জন্য আযান দিতেন না।
Jabir bin Samurah narrated:"I prayed the two Eid prayers with the Prophet - not one time, not two times - without and Adhan nor an Iqamah
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আবু ওয়াকিদ লাইসী (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ ও ইকতারাবাতিস সা’আতু ওয়ান শাক্কাল কামার সূরা দুটি পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৮২), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Ubaidullah bin Abdullah bin Utbah narrated:"Umar bin Al-Khattab asked Abu Waqid Al-Laithi what Allah's Messenger would recite during Al-Fitr and Al-Adha, so he said: 'He would recite: Qaf, By the Glorious Quran and the Hour has drawn near, and the moon has been cleft asunder
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর ও উমর (রাঃ) খুতবা দেওয়ার পূর্বে দুই ঈদের নামায আদায় করতেন, তারপর খুতবা দিতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৭৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, খুতবা দেওয়ার আগে নামায আদায় করতে হবে। কথিত আছে মারওয়ান ইবনুল হাকামই সর্বপ্রথম নামাযের আগে খুতবা দিয়েছিলেন- মুসলিম।
Ibn Umar narrated:"Allah's Messenger, Abu Bakr, and Umar would pray during the two Eid before the Khutbah, then they would give the Khutbah