حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مُوسَى الْمَرَئِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْوِتْرِ رَكْعَتَيْنِ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ نَحْوُ هَذَا عَنْ أَبِي أُمَامَةَ وَعَائِشَةَ وَغَيْرِ وَاحِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের নামাযের পর দুই রাক'আত নামায আদায় করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৯৫)। আবু উমামা, আয়িশাহ (রাঃ) ও অন্যান্যরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন।
Umm Salamah narrated:"The Prophet would pray two Rak'ah after Al-Witr
। তলক ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ এক রাতে দুইবার বিতর নেই। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২৯৩)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। যে ব্যক্তি রাতের প্রথম অংশে বিতর আদায় করেছে সে আবার শেষ রাতে নামায আদায় করতে উঠলে তাকে আবার বিতর আদায় করতে হবে কিনা এ ব্যাপারে মনীষীদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। একদল সাহাবী ও তাবিঈর মত হল, সে তার বিতর নষ্ট করে দিবে। তারা বলেন, সে আরো এক রাকাআত করবে। সব নামাযের শেষে বিতর আদায় করবে। এ পদ্ধতি মানার কারণ হল, রাতে একবারের বেশি বিতর নেই। ইমাম ইসহাক এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। অপর একদল সাহাবা ও তাবিঈর মত হল, যে ব্যক্তি প্রথম রাতে বিতর আদায় করেছে সে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করতে উঠলে যত রাকাআত ইচ্ছা আদায় করে নিবে। বিতর নষ্ট করার বা আবার আদায় করার প্রয়োজন নেই। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, মালিক, শাফিঈ, কুফাবাসী এবং আহমাদ এ মত দিয়েছেন এবং এই মতই বেশি সহীহ। কেননা একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর আদায় করার পর নফল আদায় করেছেন।
Qais bin Talq bin Ali narrated that :his father said: I heard Allah's Messenger saying: "There are no two Witr in one night
। সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কোন এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথী ছিলাম। আমি (বিতর আদায়ের উদ্দেশ্যে) তার পিছনে থেকে গেলাম। তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, বিতর আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, তোমার জন্য কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে অনুসরণীয় আদর্শ নেই? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাওয়ারীর উপর বিতরের নামায আদায় করতে দেখেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, কোন লোকের জন্য তার বাহনের পিঠে বিতরের নামায আদায় করা জায়িয। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার সাওয়ারীর উপর বিতর আদায় করবে না। যখন সে বিতর আদায় করার ইচ্ছা করবে তখন নীচে নেমে এসে মাটির বুকে বিতর আদায় করবে। কুফাবাসীদের একদল এ মত দিয়েছেন।
Sa'eed bin Yasar narrated:"I was with Ibn Umar on a journey and I fell behind him. He said: 'Where were you?' I said: 'I prayed Al-Witr.' He said: 'Is there not a good exampled for you in Allah's Messenger? I saw Allah's Messenger performing Al-Witr on his mount
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন ভোর হয় তখন রাতের সব নামায এবং বিতরের সময় চলে যায়। অতএব তোমরা সকাল হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নাও। —সহীহ। ইরওয়া- (২/১৫৪), সহীহ আবু দাউদ- (১২৯০)। আবু ঈসা বলেনঃ সুলাইমান ইবনু মূসাই কেবল উপরোক্ত শব্দে হাদীসটি রিওয়াত করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ “সকালের নামাযের পর কোন বিতর নেই।” অনেক বিদ্বানগণের এটাই অভিমত। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক বলেছেন, ফজরের নামাযের পর বিতরের ওয়াক্ত থাকে না।
Ibn Umar narrated that :Allah's Messenger said: "When Fajr begins, then every Salat of the night and Al-Witr have gone, so perform Al-Witr before Fajr begins