। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার (রাঃ)-কে বললেনঃ আমি আপনার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আপনি নামায আদায় করছিলেন এবং আপনার কণ্ঠস্বর খুব নীচু ছিল। তিনি (আবু বাকর) বললেন, আমি তাকে শুনাচ্ছিলাম যিনি আমার কানকথাও জানেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কিছুটা উচ্চস্বরে পাঠ করুন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমর (রাঃ)-কে বললেনঃ আমি আপনার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আপনি নামায আদায় করছিলেন এবং আপনার কণ্ঠস্বর খুব উচু ছিল। তিনি (উমার) বললেন, আমি অলসদের জাগরিত করছিলাম এবং শাইতানকে তাড়াচ্ছিলাম। তিনি বললেন, আপনার কণ্ঠস্বর কিছুটা নীচু করুন। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২০০), মিশকাত— (১২০৪)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, উম্মু হানী, আনাস, উম্মু সালামাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু ইসহাক মুসনাদ হিসাবে বর্ণনা করেছেন, আর অনেকেই এই হাদীসটিকে আবদুল্লাহ ইবনু আবু রবাহর নিকট হতে মুরসাল হিসাবেও বর্ণনা করেছেন।
Abu Qatadah narrated that :The Prophet (S) said to Abu Bakr: "I passed by you while you were reciting and your voice was low." He said: "I let He who, I was consulting hear." He said: "Raise your voice." Then he said to Umar: "I passed by while you were reciting and your voice was loud." So he said: "I repel drowsiness and keep Ash-Shaitan away." So he said: "Lower your voice
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ চলে যাওয়ার পর প্রতি রাতে পৃথিবীর নিকটতম আকাশে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমিই রাজাধিরাজ। আমার নিকট প্রার্থনাকারী কে আছে, আমি তার প্রার্থনা কুবুল করব। আমার নিকট আবেদনকারী কে আছে, আমি তার আবেদন পূর্ণ করব। আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাকারী কে আছে, আমি তাকে ক্ষমা করব। সকাল আলোকিত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা তার বান্দাদের এভাবে আহবান করতে থাকেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৬৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী ইবনু আবু তালিব, আবু সাঈদ, রিফাআ আল-জুহানী, জুবাইর ইবনু মুত'ইম, ইবনু মাসউদ, আবু দারদা ও উসমান ইবনু আবুল আস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা (রাঃ) এর হাদীসটি হাসান সহীহ। উল্লেখিত হাদীসটি আবু হুরাইরার নিকট হতে অসংখ্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে এও বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে বারকাতময় আল্লাহ তা'আলা (পৃথিবীর) নিকটতম আকাশে অবতীর্ণ হন। সব বর্ণনাগুলোর মধ্যে এটিই সর্বাধিক সহীহ বর্ণনা।
Abu Hurairah narrated that:Allah's Messenger (S) said: "Allah, Blessed and Exalted is He, descends to the earth's heaven every night when the first third of the night has passed. He says: "I am the Sovereign. Is there any who calls upon Me so that I may respond to him? Is there any who asks of Me that I may give him? Is there any who seeks forgiveness from Me so that I may forgive him?' He continues in that until the illumination of Al-Fajr
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পাঠ করেই রাত কাটিয়ে দিলেন। —সনদ সহীহ। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি উপরোক্ত সূত্রে হাসান গারীব।
Aishah narrated:"The Prophet (S) stood (in prayer) with an Ayah from the Qur'an at night
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি বেশি ঘুম অথবা তন্দ্রার কারণে রাতের নামায আদায় করতে সক্ষম না হতেন, তবে দিনের বেলা বার রাকাআত আদায় করে নিতেন। —সহীহ। মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। রাবী হিশাম তিনি ইবনু আমির আর হিশাম ইবনু আমির সাহাবীদের মধ্যে একজন। বাহয ইবনু হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যুরারা ইবনু আওফা বসরার কাযী (বিচারপতি) ছিলেন। তিনি কুশাইর গোত্রের ইমামতি করতেন। একদিন সকালের নামাযে তিনি এই আয়াত পাঠ করলেনঃ “স্মরণ কর, যখন শিংগায় ফু দেওয়া হবে। সে দিনটি বড়ই কঠোর ও সাংঘাতিক হবে”— (সূরাঃ আল-মুদ্দাসসিরঃ ৮, ৯)। তিনি সাথে সাথে পড়ে গিয়ে মারা গেলেন। যারা তাকে তুলে তার ঘরে নিয়ে গেলেন, আমিও তাদের সাথে ছিলাম। —সনদ হাসান।
Aishah narrated:"When the Prophet (S) did not pray at night because he was prevented from it by sleep or being sleepy then he would pray twelve Rak'ah during the daytime