। আবু মালিক আল-আশজাঈ (রঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বললাম, আব্বাজান! আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর, উমার ও উসমান (রাঃ)-এর পিছনে নামায আদায় করেছেন এবং এই কুফা শহরে প্রায় পাঁচ বছর যাবত আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর পিছনে নামায আদায় করেছেন। তারা কি কুনুত পাঠ করতেন? তিনি উত্তর দিলেন, হে বৎস! এটা তো বিদ'আত। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৪১)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, ফযরের নামাযে কুনুত পাঠ করে নিলে সেটাই উত্তম এবং যদি পাঠ না করে তাও উত্তম। কিন্তু তিনি পাঠ না করাই অবলম্বন করেছেন। ইবনুল মুবারাকের মতেও ফযরে কোন কুনূত নেই। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের রাবী আবু মালিক আল-আশজাঈর নাম সা'দ ইবনু তারিক ইবনু আশইয়াম।
Abu Malik Al-Ashjai narrated:"I said to my father: 'O my father! You offered Salat behind Allah's Messenger (S), Abu Bakr, Umar, Uthman, and Ali bin Abi Talib here in Al-Kufah for about five years. Did they say the Qunut?' He said: 'It is a newly invented matter my son
। রিফা'আ ইবনু রাফি' (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে নামায আদায় করছিলাম। হঠাৎ আমার হাঁচি বের হল। আমি বললাম, মুবারাকান আলাইহি কামা ইউহিববু রবরুনা ওয়া ইয়ারদা।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামায শেষ করে ফিরে বসলেন তখন প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? কেউ কোন সাড়া শব্দ করল না। তিনি দ্বিতীয় বার প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? এবারও কেউ কোন কথা বলল না। তিনি তৃতীয় বার প্রশ্ন করলেনঃ নামাযের মধ্যে কে কথা বলেছে? (রাবী) রিফা'আহ ইবনু রাফি ইবনু আফরাআ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কথা বলেছি। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কিভাবে বললে? রাবী বলেন, আমি বলেছি, "আল্লাহর জন্য অশেষ প্রশংসা, পবিত্রময় প্রশংসা, বারকাতময় প্রশংসা (এবং প্রশংসাকারীর জন্য) বারকাতময় প্রশংসা যা আমাদের প্রতিপালক ভালবাসেন ও পছন্দ করেন।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি দেখছি তিরিশের বেশি ফিরিশতা তাড়াহুড়া করছে কে কার আগে এটা নিয়ে উপরে উঠবে। —হাসান। সহীহ আবু দাউদ- ৭৪৭, মিশকাত— (৯৯২)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ ও মুয়াবিয়া ইবনু হাকাম হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ যাইদ ইবনু আরকামের হাদীসটি হাসান সহীহ। অধিকাংশ বিদ্বানের আমল-এর উপরই। তারা বলেন, কেউ যদি নামাযে স্বেচ্ছায় বা ভুলে কথা বলে তাহলে পুনরায় নামায পড়তে হবে। সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক ও কুফাবাসীদের অভিমত এটাই। কারো মতে যদি স্বেচ্ছায় কথা বলে তাহলে পুনরায় নামায পড়তে হবে। আর যদি ভুলে বা অজ্ঞতাবশতঃ কথা বলে তাহলে পুনরায় পড়ার প্রয়োজন নেই। ইমাম শাফিঈ এ মতের সমর্থক।
Muadh bin Rifa'ah narrated that his father said:"I prayed behind Allah's Messenger (S). I sneezed and said: Al-Hamdulillah, hamdan kathiran tayyiban mubarakan fih, mubarakan alaihi kama yuhibbu Rabbana Wa Yarda (All praise is due to Alah, many good blessed praises, blessings for Him as our Lord loves and is pleased with.) When Allah's Messenger (S) prayed and turned (after finishing) he said: 'Who was the speaker during the Salat?' No one spoke. Then he said it a second time: 'Who was the speaker during the Salat?' But no one spoke. Then he said it a third time: 'Who was the speaker during the Salat?'" So Rifa'ah bin Rafi bin Afra said: "It was I, O Messenger of Allah (S)." He said: "What did you say?" He said: "I said: 'Al-Hamdulillah, hamdan kathiran tayyiban mubarakan fih, mubarakan alaihi kama yuhibbu Rabbana Wa Yarda. The Prophet (S) said: "By the One in Whose Hand is my soul! I saw thirty-some angels competing over which of then would ascend with it
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযর ও মাগরিবের নামাযে দু’আ কুনৃত পাঠ করতেন। --সহীহ। মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আলী, আনাস, আবু হুরাইরা, ইবনু আব্বাস এবং খুফাফ ইবনু ঈমাআ ইবনু রাহাযাহ আলগিফারী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআর হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ ফযরের নামাযে দু'আ কুনৃত পাঠ নিয়ে মতভেদ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যরা ফযরের নামাযে কুনূত পাঠের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম মালিক ও শাফিঈ এ মত মেনে নিয়েছেন। আহমাদ ও ইসহাক বলেন, আমাদের মতে ফযরে কোন কুনূত পাঠ করবে না। হ্যাঁ যদি কোথাও মুসলিমদের উপর মুসিবত এসে যায় তবে ইমাম সাহেব মুসলিম বাহিনীর জন্য দু’আ করতে পারেন।
Al-Bara bin Azib narrated:"The Prophet (S) would perform the Qunut in the Subh and Maghrib prayers