। আবু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি নামায আদায় করছিলেন। তার চুল ঘাড়ের নিকট বাধা ছিল। তিনি (আবু রাফি) তা খুলে দিলেন। এতে হাসান (রাঃ) রাগান্বিত হয়ে তার দিকে তাকালেন। তিনি (আবু রাফি) বললেন, নামাযে মনোনিবেশ কর, রাগ কর না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, এটা (নামাযে চুল বাধা) শাইতানের অংশ। -হাসান। সহীহ আবু দাউদ- (৬৫৩)। এ অনুচ্ছেদে উম্মু সালামা ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু রাফির হাদীসটি হাসান। বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা ঘাড়ের নিকট চুল বাধা রেখে নামায আদায় করা মাকরুহ বলেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ ইমরান ইবনু মূসা মক্কাবাসী কুরাইশ, তিনি আইয়ুব ইবনু মূসার ভাই।
Abu Rafi narrated that :He passed by Al-Hasan bin Ali while he was performing Salat and he had gathered his locks at the back of his head, so he (Abu Rafi) undid them, and Al-Hasan turned to him angrily. He said: "Resume your Salat and do not be angry, for indeed I heard Allah's Messenger (S) saying: 'That is the seat of Ash-Shaitan
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন ব্যক্তিকে কোমরে হাত রেখে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৬৯), সহীহ আবু দাউদ- (৮৭৩), রাওয- (১১৫২), ইরওয়া— (৩৭৪), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিশেষজ্ঞ কোমরে হাত দিয়ে নামাযে দাড়ানো মাকরুহ বলেছেন। অপর একদল বিদ্বান কোমরে হাত রেখে হাটা মাকরূহ বলেছেন। নামাযের মধ্যে এক হাত অথবা দুই হাত কোমরে রাখাকে ইখতিসার বলে। বর্ণিত আছে, ইবলীস পথ চলার সময় কোমরে হাত রেখে চলে।
Abu Hurairah narrated:"The Prophet (S) prohibited than a man to pray with his hands on his hip
। ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামায দুই দুই রাকাআত; প্রতি দুই রাকাআত পর তাশাহহুদ পাঠ করতে হবে; নামায়ীকে বিনয়ী হতে হবে, মিনতির সাথে প্রার্থনা করতে হবে; কপর্দকহীন হতে হবে। কোন কিছুকে ওয়াসীলা করে চাইতে হবে। এ অবস্থায় তোমার প্রতিপালকের দরবারে নিজের দু'হাত তুলবে, হাতের তালু তোমার চেহারার দিকে থাকবে, তারপর বলবে, হে প্ৰভু, হে প্রতিপালক। যে ব্যক্তি এমনটি না করবে তার নামায এরূপ এবং এরূপ হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩২৫) আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনুল মুবারাক ছাড়া অন্যান্য রাবীগণ হাদীসের শেষের অংশ এরূপ বর্ণনা করেছেনঃ যে ব্যক্তি এরূপ (বিনয়-নম্রতা অবলম্বন) করল না তার নামায পূর্ণাঙ্গ হল না। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি, শুবা এ হাদীসটি আবদে রাব্বিহি ইবনু সাঈদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কয়েকটি জায়গায় ভুল করেছেন। তিনি বলেছেন, আনাস ইবনু আবী আনাস হতে প্রকৃত পক্ষে তা হবে ইমরান ইবনু আবী আনাস, তিনি বলেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস হতে প্রকৃত পক্ষে তা হবে আব্দুল্লাহ ইবনু নাফি হতে তিনি রাবীয়া ইবনুল হারিস হতে। শুবা বলেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস হতে তিনি মুত্তালিব হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। প্রকৃত পক্ষে তা হবে রাবীয়া ইবনুল হারিস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব হতে, তিনি ফাযল ইবনুল আব্বাস হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেছেন, শুবার বর্ণিত হাদীসের চেয়ে লাইসের বর্ণনাটি বেশি সহীহ।
Al-Fadl bin Al-`Abbas narrated that:Allah's Messenger (S) said: "As-Salat is two and two, with a Tashahhud for every two Rak`ah, with humility, imploring, having a sense of tranquility, pleading and showing helplessness and stretching out your hand" - he said: raising them - "to your Lord, with the insides of them facing your face, saying: 'O Lord! O Lord! And whoever does not do this, then it is like this or that
। আহমাদ ইবনু আবদা আয-যাব্বী হতে, তিনি হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে, তিনি মাইমূন হতে..... উক্ত সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় গোলামের নাম রাবাহ উল্লেখিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ উম্মু সালামার হাদীসের সনদ তেমন একটা সুবিধাজনক নয়। মাইমুন-আবূ হামাযাকে কিছু বিশেষজ্ঞ দুর্বল বলেছেন। নামাযের মধ্যে ফুঁ দেয়া প্রসঙ্গে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। একদল বলেছেন, নামাযের মধ্যে ফুঁ দিলে আবার নামায আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণ এ মত ব্যক্ত করেছেন। অপর দল বলেছেন, এটা মাকরূহ, তবে এতে নামায নষ্ট হবে না। আহমাদ ও ইসহাক একথা বলেছেন।
(Another chain) in which Abu Hamzah narrated:"A boy of ours named Rabah