। সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বাড়ির মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তির পক্ষেই তার ঘরের মধ্যে তাকানো জায়িয নয়। যদি সে তাকায়, তবে সে যেন বিনা অনুমতিতেই তার ঘরে ঢুকলো। কোন ব্যক্তির পক্ষেই এটা শোভনীয় নয় যে, সে লোকদের ইমামতি করে এবং তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধু নিজের জন্য দু'আ করে। যদি সে এমনটি করে তবে সে যেন শঠতা (বিশ্বাসভঙ্গ) করল। প্রাকৃতিক প্রয়োজনের বেগ নিয়েও কেউ যেন নামাযে না দাড়ায়। -প্রাকৃতিক প্রয়োজনের বেগ নিয়ে কেউ যেন নামাযে না দাড়ায়। হাদীসের এই অংশটুকু বাদে হাদীসটি যঈফ। যঈফ আবু দাউদ (১১-১২)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও আবু উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ সাওবানের হাদীসটি হাসান। উল্লেখিত হাদীসটি আলাদা আলাদাভাবে আবু উমামা ও আবু হুরাইরা (রাঃ)-ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। তবে সাওবানের বর্ণনাসূত্রটি খুব বেশি মজবুত এবং বিখ্যাত।
Thawban narrated that :the Prophet said: "It is not allowed for a man to look into the interior of a man's house until he has been given permission, for if he looks, then he has entered. And one who leads people (in Salat) should not supplicate for himself alone with the exclusion of his congregation. If he does, then he has betrayed them. And one is not to stand for Salat while he has to urinate
। আবু আতীয়া (রহঃ) হতে,বর্ণিত আছে, তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বলল, মালিক ইবনু হুয়াইরিস (রাঃ) আমাদের নামাযের জায়গায় (মসজিদে) এসে আমাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতেন। একদিন নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেল। আমরা তাকে বললাম, সামনে যান (ইমামতি করুন)। তিনি বললেন, তোমাদের কেউ সামনে যাক। আমি সামনে না যাওয়ার কারণ তোমাদের বলব। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি কোন কাওমের সাথে দেখা করতে গিয়ে সে যেন তাদের ইমামতি না করে, বরং তাদের মধ্যেরই কেউ যেন ইমামতি করে। - সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬০৯), মালিকের ঘটনা উল্লেখ ব্যতীত। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ সাহাবা ও অন্যান্যরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, ইমামতি করার ব্যাপারে বাড়িওয়ালাই সাক্ষাতপ্রার্থীর চেয়ে বেশি হকদার। কিছু মনীষী বলেছেন, বাড়ির মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মেহমানের ইমাম হওয়াতে কোন অপরাধ নেই। ইমাম ইসহাক কঠোরতার সাথে বলেছেন, বাড়িওয়ালা অনুমতি দিলেও মেহমানের ইমামতি করা উচিত নয়। ঠিক তেমনিভাবে মসজিদেও ইমামতি করবে না, বরং তাদেরই কেউ ইমামতি করবে।
Abu Atiyyah narrated that :a man among them said: "Malik bin Al-Huwairith came to us in our Musalla to narrate. One day when it was time for Salat, we told him to go ahead (to lead the prayer). He said: 'Let one of you go forward, until I narrate to you why I would not go forward (to lead prayer): I heard Allah's Messenger saying: "Whoever visits a people, then he does not lead them, but a man among them leads them
। হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন। তারা হলঃ যে ব্যক্তি মুক্তাদীদের অপছন্দ সত্ত্বেও তাদের ইমামতি করে; যে নারী স্বামীর বিরাগ নিয়ে রাত কাটায় এবং যে ব্যক্তি "হাইয়্যা আলাল ফালাহ' শুনেও তাতে সাড়া দেয় না (জামা'আতে উপস্থিত হয় না)। সনদ খুবই দুর্বল এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, তালহা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবূ উমামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি সহীহ নয়। কেননা এটি হাসানের সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে মুরসাল হিসাবেও বর্ণিত হয়েছে। তাছাড়া ইমাম আহমাদ এ হাদীসের অধঃস্তন রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিমের সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, তিনি হাদীসশাস্ত্রে যঈফ এবং তার স্মরণশক্তি মোটেই ধারালো নয়। একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, লোকেরা যদি ইমামকে খারাপ জানে তবে তাদের ইমামতি করা তার জন্য মাকরূহ। কিন্তু ইমাম যদি যালিম না হয় তবে যারা তাকে খারাপ জানে তারা গুনাহগার হবে। এ প্রসঙ্গে ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেছেন, যদি এক, দুই অথবা তিনজন লোক তাকে খারাপ জানে তবে তার ইমামতি করাতে কোন অপরাধ নেই। হ্যাঁ যদি বেশীরভাগ মুক্তাদী তাকে খারাপ জানে তবে তাদের ইমামতি করা তার জন্য শ্রেয় হবে না।
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger cursed three people: A man who leads people (in Salat) while they dislike him, a woman who spends a night while her husband is angry with her, and a man who hears: 'Hayya Alal Falah (come to success)' then does not respond
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঘুম আসলে সে যেন প্রথমে ঘুমিয়ে নেয়। তাতে তার ঘুমের আবেশ কেটে যাবে। কেননা সে যদি তন্দ্রা অবস্থায় নামায আদায় করে তবে এরূপ হওয়া মোটেই অসম্ভব নয় যে, সে গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated that :Allah's Messenger said: "When one of you is sleepy and he is performing Salat, then let him lie down until the sleep is gone from him. For when one of you performs Salat while he is sleepy, perhaps he wants to seek forgiveness but he curses himself