। আবদুল মুত্তালিব ইবনু রবীআ ইবনুল হারিস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, আল-আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) রাগান্বিত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে যান। তখন আমি তার নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি প্রশ্ন করেনঃ কিসে আপনাকে রাগান্বিত করেছে? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের সাথে কুরাইশদের কি হল? তারা নিজেরা যখন পরস্পর মিলিত হয় তখন উজ্জ্বল চেহারায় মিলিত হয়। কিন্তু তারা আমাদের (হাশিমীদের) সাথে এর বিপরীত অবস্থায় মিলিত হয়। রাবী বলেন, (এ বক্তব্য) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতই রাগান্বিত হন যে, তার মুখমণ্ডল রক্তিম রর্ণ ধারণ করে। তারপর তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন! কোন ব্যক্তির অন্তরে ঈমান ঢুকতে পারে না, যাবত না সে আল্লাহ ও তার রাসূলের (সন্তুষ্টির) জন্য আপনাদেরকে ভালোবাসে। এরপর তিনি বললেনঃ হে লোকেরা! যে কেউ আমার চাচাকে দুঃখ দিল সে যেন আমাকেই দুঃখ দিল। কেননা কোন লোকের চাচা তার পিতার সমান। “চাচা পিতৃস্থানীয়" অংশ ব্যতীত হাদীসটি যঈফ, আর ঐ অংশটুকু সহীহ, মিশকাত (৬১৪৭), সহীহা ৮০৬ আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Al-`Abbas bin `Abdul-Muttalib said:“I said: ‘O Messenger of Allah, teach me something that I may ask Allah, [Mighty and Sublime] for.’ He (ﷺ) said: ‘Ask Allah for Al-`Āfiyah.’ Then I remained for a day, then I came and said: ‘O Messenger of Allah, teach me something that I may ask Allah for.’ So he (ﷺ) said to me: “O Abbas, O uncle of the Messenger of Allah! Ask Allah for Al-`Āfiyah in the world and in the Hereafter.”
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি “লাইলাতুল কদর" জানতে পারি তাহলে সে রাতে কি বলব? তিনি বললেনঃ “তুমি বল, হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও" সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Aishah narrated:“I said: ‘O Messenger of Allah, what is your view if I know when the Night of Al-Qadr is, then what should I say in it?” He said: ‘Say: “O Allah, indeed You are Pardoning, [Generous,] You love pardon, so pardon me (Allāhumma innaka `Afuwwun [Karīmun], tuḥibbul-`afwa fa`fu `annī).’”
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল-আব্বাস আমার থেকে এবং আমি তার থেকে। যঈফ, মিশকাত (৬১৪৮), যঈফা (২৩১৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আমরা শুধু ইসরাঈলের সূত্রে এ হাদীস প্রসঙ্গে জেনেছি।
Ibn Umar narrated that the Messenger of Allah said (ﷺ):“Allah has not been asked for anything more beloved to Him than being asked for Al-`Āfiyah
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কোন দুআ সবচেয়ে ভালো? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার রবের নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা কর। তারপর সে দ্বিতীয় দিন তার নিকট এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কোন দুআ সর্বোত্তম তিনি তাকে আগের মতই উত্তর দেন। তারপর সে তার নিকট তৃতীয় দিন এলে তিনি আগের মতই উত্তর দেন এবং বলেনঃ যদি তুমি দুনিয়াতে শান্তি এবং আখিরাতের নিরাপত্তা লাভ করতে পার তাহলে মনে রেখো তুমি সফলতা লাভ করলে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৮৪৮) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব। আমরা শুধু সালামা ইবনু ওয়ারদানের সূত্রে এ হাদীস জেনেছি।
Anas bin Malik narrated that a man came to the Prophet (ﷺ) and said:“O Messenger of Allah, which supplication is the best?” He (ﷺ) said: “Ask Your Lord For Al-`Āfiyah and Al-Mu`āfāh in this world and in the Hereafter.” Then he came to him on the second day and said: “O Messenger of Allah, which supplication is the best?” So he (ﷺ) said to him similar to that. Then he came to him on the third day, so he (ﷺ) said to him similar to that. He (ﷺ) said: “So when you have been given Al-`Āfiyah in this world, and you have been given it in the Hereafter, then you have succeeded.”