। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাতটি জায়গায় নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেনঃ ময়লা রাখার স্থানে, কসাইখানায়, কবরস্থানে, পথিমধ্যে, গোসলখানায়, উট (পশু)-শালায় এবং বাইতুল্লাহর (কাবা ঘরের) ছাদে। যঈফ, ইবনু মাজাহ
Ibn Umar narrated:"The Prophet prohibited Salat from being performed in seven places: the dung heap, the slaughtering area, the graveyard, the commonly used road, the wash area, in the area that camels rest at, and above the House of Allah (the Ka'bah)
‘আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রবী'আ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আমির) বলেন, আমরা এক অন্ধকার রাতে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে ছিলাম। কিবলা যে কোন দিকে তা আমরা ঠিক করতে পারলাম না। আমাদের প্রত্যেকে যার যার সামনের দিকে ফিরে নামায আদায় করল। সকাল বেলা আমরা এ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম। এ প্রসংগে এই আয়াত অবতীর্ণ হল- “পূর্ব ও পশ্চিম সবই আল্লাহ তা'আলার। যে দিকে তুমি মুখ ফিরাবে, সেদিকেই আল্লাহ তা'আলার চেহারা বিরাজমান"- (সূরাঃ আল-বাকারা-১১৫)। —হাসান। ইবনু মাজাহ– (১০২০)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ খুব একটা শক্তিশালী নয়। এ হাদীসের রাবী আশ'আস ইবনু সাঈদ একজন দুর্বল রাবী। আমরা শুধু তার মাধ্যমেই হাদীসটি জেনেছি। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, মেঘের কারণে কিবলা ছাড়া অন্য দিকে নামায আদায় করা হল, তারপর নামায শেষে জানা গেল যে, কিবলার দিক ব্যতীত অন্য দিকে ফিরে নামায আদায় করা হয়েছে, এ অবস্থায় নামায নির্ভুল হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাক এ মতের সমর্থক।
Abdullah bin Amir bin Rabi'ah narrated from his father who said:"We were with the Prophet on a journey on a very dark night and we did not know the direction of the Qiblah. So each man among us prayed in his own direction. In the morning when we mentioned that to the Prophet, then the following was revealed: So where ever you turn, there is the Face of Allah
। আলী ইবনু হুজ্বর স্বীয় সনদে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস এ অনুচ্ছেদে আবূ মারসাদ, জাবির ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু উমারের হাদীসের সনদ খুব একটা শক্তিশালী নয়। যাইদ ইবনু জাবীরার স্মরণশক্তির সমালোচনা করা হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ যাইদ ইবনু জুবাইর আল-কুফী যাইদ ইবনু জাবীরার তুলনায় অধিক বিশ্বস্ত ও অধিক বয়স্ক। আর তিনি ইবনু উমার হতে হাদীস শুনেছেন। লাইস ইবনু সা’দ-আবদুল্লাহ ইবনু উমার আল-উমারীর সনদ পরম্পরায় ইবনু উমারের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। দাউদের হাদিস নাফি' হতে তিনি ইব্বনু উমার হতে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনাটি লাইসের বর্ণনার চেয়ে অধিক সহীহ। কিছু হাদীস বিশারদ আল-উমারীর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, তার স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল। সমালোচকদের মধ্যে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান অন্যতম।
Ibn Umar narrated:(Another chain with a similar narration)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে কিবলা অবস্থিত। —সহীহ। দেখুন পূর্বোক্ত হাদীস। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আব্দুল্লাহ ইবনু জাফর মাখরামী এজন্য বলা হয়ে থাকে যে, তিনি মিসওয়ার ইবনু মাখরামার সন্তান। এ হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবা বর্ণনা করেছেন। উমার ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবু তালিব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত। ইবনু উমার (রাঃ) বলেনঃ "যখন তুমি পশ্চিমকে ডান দিকে এবং পূর্বকে বাম দিকে রেখে কিবলামুখী হয়ে দাড়াও তখন এই উভয় দিকের মধ্যবর্তী দিকই কিবলার দিক ৷” ইবনুল মুবারাক বলেন, পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যবর্তী দিকগুলো প্রাচ্যবাসীদের কিবলা। তিনি মরুবাসীদের জন্য বাঁ দিক কিবলা নির্দিষ্ট করেছেন।
(Another chain narrating that) Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "What is between the east and the west is Qiblah