। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক মাজলিসে বসে প্রয়োজন ছাড়া অনেক কথাবার্তা বলেছে, সে উক্ত মাজলিস হতে উঠে যাওয়ার আগে যদি বলেঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা।’’ - “হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্য। আমি সাক্ষ্য দেই যে, তুমি ব্যতীত আর কোন মা'বূদ নেই, তোমার কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তোমার দিকেই প্রত্যাবর্তন করি”, তাহলে উক্ত মাজলিসে তার যে অপরাধ হয়েছিল তা ক্ষমা করে দেয়া হবে। সহীহঃ মিশকাত (হাঃ ২৪৩৩)। এ অনুচ্ছেদে আবূ বারযাহ ও আয়িশাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপর্যুক্ত সনদে সুহাইলের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে এটি অবগত হয়েছি।
Abu Hurairah narrated that:The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Whoever sits in a sitting and engages in much empty, meaningless speech and then says before getting from that sitting of his: ‘Glory is to You, O Allah, and praise, I bear witness that there is none worthy of worship except You, I seek You forgiveness, and I repent to You, (Subḥānaka Allāhumma wa biḥamdika, ashhadu an lā ilāha illā anta, astaghfiruka wa atūbu ilaik)’ whatever occurred in that sitting would be forgiven to him.”
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন রোগাক্রান্ত বা বিপদগ্ৰস্ত লোককে প্রত্যক্ষ করে বলে, “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার, যিনি তোমাকে যে ব্যাধিতে আক্রান্ত করেছেন, তা হতে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং তার অসংখ্য সৃষ্টির উপর আমাকে সম্মান দান করেছেন", সে উক্ত ব্যাধিতে কক্ষনো আক্রান্ত হবে না। সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ২৭৩৭)। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে হাদীসটি হাসান গারীব।
Abu Hurairah narrated that:The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Whoever sees an afflicted person then says: ‘All praise is due to Allah who saved me from that which He has afflicted you with, and blessed me greatly over many of those whom He has created, (Al-ḥamdulillāhi alladhī `āfānī mimmabtalāka bihī wa faḍḍalanī `alā kathīrin mimman khalaqa tafḍīla)’ he shall not be struck by that affliction.”
। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, প্রতিটি মাজলিসে হিসাব করে দেখা গেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত মাজলিস হতে উঠে যাওয়ার আগে এক শতবার বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার তাওবা গ্রহণ কর। কারণ তুমিই তওবা কবুলকারী, ক্ষমাকারী”। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮১৪)। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু আবী উমার সুফইয়ান হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সূক্বাহ হতে এই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব।
Ibn Umar said:“In one sitting of the Messenger of Allah (ﷺ), one could count that he said a hundred time, before he would get up: ‘O my Lord, forgive me, and accept my repentance. Verily, You are the Oft-Returning, the Most Forgiving (Rabbighfirlī watub `alayya innaka antat-Tawwābul-Ghafūr).’”
উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন বিপদগ্রস্ত লোককে প্রত্যক্ষ করে বলে, “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য, তিনি যে বিপদে তোমাকে জড়িত করেছেন তা হতে আমাকে হিফাযাতে রেখেছেন এবং তার অসংখ্য সৃষ্টির উপর আমাকে সম্মান দান করেছেন", সে তার মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত উক্ত অনিষ্ট হতে হিফাযাতে থাকবে। তা যে কোন বিপদই হোক না কেন। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৯২)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। যুবাইর (রাযিঃ)-পরিবারের কোষাধ্যক্ষ আমর ইবনু দীনার বসরার অধিবাসী শাইখ (হাদীসবেত্তা), কিন্তু তিনি হাদীস শাস্ত্রে তেমন মজবুত নন। তিনি এককভাবে সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে কিছু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ জাফার মুহাম্মাদ ইবনু আলী (রাহঃ) হতেও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন কেউ কোন বিপদগ্রস্ত লোক প্রত্যক্ষ করবে তখন সে মনে মনে তা হতে আল্লাহ তা'আলার নিকটে আশ্রয় চাইবে, যেন বিপদগ্ৰস্ত লোকটি তা শুনতে না পায়।
Umar narrated that:The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Whoever sees a person afflicted and say: ‘All praise is due to Allah Who saved me from that which He has afflicted you with, and blessed me greatly over many of those whom He has created, (Al-ḥamdulillāhi alladhī `āfānī mimmabtalāka bihī wa faḍḍalanī `alā kathīrin mimman khalaqa tafḍīla)’ then he shall be saved from that affliction for as long as he lives.”