। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “সেই দিন দুনিয়া তার যাবতীয় সংবাদ ব্যক্ত করবে” (সূরাঃ আল-যিলযালঃ ৪)। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান দুনিয়ার সংবাদ কি? তারা বললেনঃ আল্লাহ ও তার রাসূলই বেশি জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার সংবাদ হল—তার বুকে প্রত্যেক নর-নারী যা কিছু করেছে সে তার সাক্ষ্য দিবে। সে (দুনিয়া) বলবে, সে তো অমুক অমুক দিন এই এই কাজ করেছে। এটাই হল যমীনের সংবাদ। সনদ দুর্বল, ২৫৪৬ নং হাদীসে পূর্বে বর্ণিত হয়েছে আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান, সহীহ।
Abu Hurairah, may Allah be pleased with him, said:“The Messenger of Allah recited this Ayah: ‘That Day it will declare its information.’ He said: “Do you know what its information is?” They said: “Allah and His Messenger know better.” He said: “That it testifies about what every male or female slave (of Allah) did upon its surface. It says: ‘He did this and that on this day.’ This is its information.”
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এক লোক ইয়া খাইরাল বারিয়্যাহ্ (হে সৃষ্টির সেরা) বলে ডাকলে তিনি বললেনঃ সৃষ্টির সেরা হলেন ইবরাহীম (আঃ)। সহীহঃ মুসলিম (হাঃ ৭/৯৭)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
Anas bin Malik narrated that:A man said to the Prophet: “O best of creatures!” So he said: “That is Ibrahim.”
। মুতাররিফ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনুশ শিখখীর (রাহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন। তিনি তখন (সূরা তাকাসুর) “তোমাদেরকে সম্পদের প্রাচুর্যের মোহ আল্লাহ তা'আলা হতে উদাসীন করে ফেলেছে”— (সূরা তাকাসুর ১) পাঠ করছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম সন্তান বলে, আমার মাল; আমার সম্পত্তি। কিন্তু যে জিনিস তুমি দান-খাইরাত করেছ (আল্লাহ তা'আলার খাতায়) তা জমা রেখেছ, যা খেয়ে শেষ করেছ কিংবা যা পরিধান করে পুরাতন করেছ, এগুলো ব্যতীত তোমার সম্পদ বলতে কিছু নেই। সহীহঃ মুসলিম, ২৩২৯ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
Mutarrif bin Abdullah bin Ash-Shikh-khir reported from his father, :that he went to the Prophet and he was reciting: ‘The mutual rivalry (for piling up worldly things) diverts you.’ He said: “The son of Adam says: ‘My wealth, my wealth.’ And do you own anything except what you give in charity, such that you’ve spent it, or what you eat, suc that you’ve finished it, or you wear, such that you’ve worn it out?”
। যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) বলেন, আমি উবাই ইবনু কা’ব (রাযি:) কে বললাম, আপনার ভাই আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, সারা বছর যে লোক রাত জেগে ইবাদাত করবে সে কাদরের রাত লাভ করবে। উবাই (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা আবূ আবদুর রহমানকে মাফ করুন! নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, কাদরের রাত রমযানের শেষ দশ দিনে এবং তা সাতাশে রামযানের রাতেই। তবুও তার এ কথা বলার লক্ষ্য হল লোকেরা যেন (সাতাশ তারিখের) নির্ভর করে বসে না থাকে। তারপর কোন প্রকার ব্যতিক্রম না করেই উবাই (রাযিঃ) কসম করে বলেন, সাতাশের রাত কাদরের রাত। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আবূল মুনযির! এ কথা আপনি কিসের পরিপ্রেক্ষিতে বলছেন? তিনি বললেন, সেই আলামাত বা নিদর্শনের প্রেক্ষিতে যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানিয়েছেন। তা হলঃ ঐ দিন সকালে সূর্য এরূপভাবে উদিত হয় যে, তার মাঝে প্রখর রশ্মি থাকে না। হাসান সহীহঃ ৭৮৬ নং হাদীসেও পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
Zirr bin Hubaish [and Zirr bin Hubaish’s Kunyah is Abu Mariam] said:“I said to Ubayy bin Ka’b: ‘Your brother Abdullah bin Mas’ud says: “Whoever stands (in voluntary prayer) the whole year, then he will have reached the Night of Al-Qadr.’” So he said: ‘May Allah forgive Abu Abdur-Rahman. He knows that is during the last ten (nights) of Ramadan, and that it is the night of the twenty-seventh. But he wanted the people to not rely upon that.’ Then he uttered an oath, that without exception it is on the night of the twenty-seventh.” He said: “I said to him: ‘Why is it that you say that O Abu Al-Mindhir?’ He said: “By the sign or indication which the Messenger of Allah informed us of: ‘That the sun rises on that day having no beams with it.’”