। মূসা ইবনু তালহা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে। তিনি (তালহা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন নিজের সামনে হাওদার খুঁটির মত কিছু রেখে দেয়, তারপর তার দিকে নামায আদায় করে তখন খুঁটির বাইরে দিয়ে কেউ চলাচল করলে কোন ভয় নেই। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৪০)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, সাহল ইবনু আবু হাসমা, ইবনু উমার, সাবরা ইবনু মাবাদ, আবু জুহাইফা ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ তালহার হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, ইমামের সুতরাই (অন্তরাল) মুক্তাদীদের জন্য যথেষ্ট।
Muba bin Talhah narrated from his father (Talhah) that :Allah's Messenger said: "When one of you placed something like the post (handle) of the camel saddle in front of him, then let him perform Salat and not concern himself with who passes beyond that
। বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত আছে, যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রঃ) আবু জুহাইমের নিকট লোক পাঠালেন। উদ্দেশ্য ছিল, নামায়ীর সামনে দিয়ে যাওয়া সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তিনি যা শুনেছেন তা জিজ্ঞেস করা। আবু জুহাইম (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামায়ীর সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত তার কত বড় গুনাহ হয়, তবে সে নামায়ীর সামনে দিয়ে চলাচল করা অপেক্ষা চল্লিশ পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকা নিজের জন্যে ভাল মনে করত। আবু নাযর বলেন, তিনি (আবৃ জুহাইম) কি চল্লিশ দিনের না চল্লিশ মাসের না চল্লিশ বছরের কথা বলেছেন তা আমার মনে নেই। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৪৫), বুখারী ও মুসলিম আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ আল-খুদরী, আবু হুরাইরা, ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদিস বর্ণিত আছে- رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " لأَنْ يَقِفَ أَحَدُكُمْ مِائَةَ عَامٍ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَىْ أَخِيهِ وَهُوَ يُصَلِّي নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের কোন ব্যক্তির জন্য তার নামাযরত ভাইয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার চেয়ে একশত বছর অপেক্ষা করা বেশি কল্যাণকর” বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া মাকরূহ। তবে কেউ গেলে তাতে নামায়ীর নামায নষ্ট হবে বলে তারা মনে করেন না। আবু নাযুরের নাম সালিম। তিনি উমর ইবনু উবাইদুল্লাহ আল-মাদীনীর আযাদকৃত গোলাম।
Zaid bin Khalid Al-Juhni sent a message to Abu Juhaim asking him what he had heard from Allah's Messenger about passing in front of a person who was performing Salat. Abu Juhaim said :that Allah's Messenger said: "If the one who passed in front of the person performing Salat knew what he was doing, then for him to stop (and wait for forty) would be better for him than to pass in front of him
। আবু তাইয়াহ আয-যুবাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কপট লোকাচার বাদ দিয়ে) স্বাভাবিকভাবে আমাদের সাথে মিলেমিশে থাকতেন। এমনকি তিনি আমার ছোট ভাইকে বলতেনঃ হে আবু উমাইর! কোথা তোমার নুগায়ির (লাল পাখি)। রাবী বলেন, আমাদের বিছানা পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়া হল, তিনি তার উপর নামায আদায় করলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৭২০, ৩৭৪০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের উত্তরসুরিগণ বিছানা ও কার্পেটের উপর নামায আদায় করা দোষণীয় মনে করেন না। আহমাদ এবং ইসহাকও এ কথা বলেছেন। আবু তাইয়্যাহ'র নাম ইয়াযিদ ইবনু হুমাইদ।
Anas bin Malik narrated:"Allah's Messenger used to mingle with us such that he said to my younger brother: 'O Abu Umair! What did the Nughair do?'" He (Anas) said: "A Bisat of ours would be sprinkled (with water) to perform Salat on