। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করছিলেন। আবূ জাহল তখন এসে বলল, আমি কি তোমাকে এ কাজ করতে বারণ করিনি, আমি তোমাকে এ কাজ করতে কি বারণ করিনি, আমি তোমাকে এ কাজ করতে কি বারণ করিনি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায সমাপ্ত করে তাকে ভৎসনা করলেন। আবূ জাহল বলল, তুমি নিশ্চয়ই জান যে, মক্কায় আমার তুলনায় বেশি সংখ্যক সমর্থক আর কারো নেই না)। সে সময় আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ “সে তার সহযোগীদের ডাকুক। আমি ডাকব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে”— (সূরা ‘আলাক ১৭-১৮)। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি আবূ জাহল তার সহযোগীদেরকে ডাকত, তাহলে আল্লাহ তা'আলার প্রহরীগণ (ফেরেশতাগণ) তাকে অবশ্যই প্রেপ্তার করত। হদীসটির সানাদ সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Ibn Abbas narrated:“The Prophet was performing Salat when Abu Jahl came to him and said: ‘Have I not forbidden you from this? Have I not forbidden you from this? Have I not forbidden you from this?’ The Prophet turned and scolded him. So Abu Jahl said: ‘You know that no one has more to call for assistance than me.’ So Allah, Blessed is He and Most High, revealed: Then let him call upon his council. We will call out the guards of Hell.” So Ibn Abbas said: “By Allah, if he had called his council, then the guards of Hell would have seized him.”
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, “আমিও শাস্তি প্রদানকারী ফেশেতাদেরকে আহবান করব”— (সূরা ‘আলাক ১৮) আয়াতের বর্ণনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আবূ জাহল বলল, যদি মুহাম্মাদকে আমি নামাযরত অবস্থায় পাই তবে তার ঘাড় পদদলিত করব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি তাই করতে সে প্রস্তুত হত তাহলে ফেরেশতারা তখনই তাকে আটক করত। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৫৮)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব।
Ikrimah narrated from Ibn Abbas [may Allah be pleased with them] regarding:We will call on the guards of Hell. He said: “Abu Jahl said: ‘If I see Muhammad praying, then I shall stomp upon his neck.’ So the Prophet said: ‘If he does, he will be visibly seized by the angels.’”
। ইউসুফ ইবনু সা'দ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন হাসান (রাঃ) মুআবিআ (রাঃ)-এর নিকট বাই’আত গ্রহণের পর তার সামনে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেনঃ আপনি (মুআবিয়ার নিকট বায়’আত গ্রহণ করে) মু'মিনদের চেহারা কলঙ্কিত করেছেন। এতে তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে অভিযুক্ত করো না। আল্লাহ তা'আলা তোমার প্রতি রহমত করুন। যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (স্বপ্নে) উমাইয়্যা বংশীয়দেরকে তার মিম্বারের উপর দেখানো হয়েছে। বিষয়টি তার নিকট খারাপ লাগে। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “আমি অবশ্যই তোমাকে কাওসার (ঝরণা) দান করেছি" (সূরাঃ আল-কাওসার- ১) অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ! আমি জান্নাতে তোমাকে কাওসার নামক ঝরণা দান করেছি। আরো অবতীর্ণ হয়ঃ “নিশ্চয় আমি এ কুরআন মহিমান্বিত রাতে অবতীর্ণ করেছি। আর মাহিমান্বিত রাত প্রসঙ্গে আপনি কি জানেন? মহিমান্বিত রাত হাজার মাস হতেও উত্তম" (সূরাঃ আল-কাঁদর- ১-৩)। হে মুহাম্মাদ! আপনার পরে বানী উমাইয়্যা অত মাস শাসন করবে। কাসিম (রাহঃ) বলেনঃ আমরা গণনা করে দেখেছি বানী উমাইয়্যাদের শাসনকাল ছিল পূর্ণ এক হাজার মাস’, এর এক দিন কম বা বেশি নয়। সনদ দুর্বল ও অস্থির, মতন মুনকার। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু কাসিম ইবনুল ফাযলের হাদীস হিসেবে এটি জেনেছি। কথিত আছে যে, কাসিম ইবনুল ফাযল (রহঃ) ইউসুফ ইবনু মাযিনের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কাসিম ইবনুল ফাযল আল-হুদ্দানী সিকাহ রাবী। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে বিশ্বাসযোগ্য বলেছেন। ইউসুফ ইবনু সা'দ অপরিচিত ব্যক্তি, আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই একই রকম শব্দে এ হাদীস বর্ণিত পেয়েছি।
Al-Qasim bin Al-Fadl Al-Huddani narrated from Yusuf bin Sa’d, who said:“A man stood up in front of Al-Hasan bin Ali, after he pledged to Mu’awiyah, so he said: ‘You have made fools of the believers.’ – or: ‘O you who has made fools of the believers’ – So he said: ‘Do not scold me so, may Allah have mercy upon you, for indeed the Prophet had a dream in which he saw Banu Umayyah upon his Minbar. That distressed him, so (the following) was revealed: Verily We have granted you Al-Kauthar (O Muhammad) meaning a river in Paradise, and (the following) was revealed: ‘Verily We have sent it down on the Night of Al-Qadr. And what will make you know what the Night of Al-Qadr is? The Night of Al-Qadr is better than a thousand months, in which Banu Umayyah rules after you O Muhammad.” Al-Qasim said: “So we counted them, and found that they were one-thousand months, not a day more nor less.”
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ওয়াত-তীন ওয়ায-যাইতুন পাঠ করে সে যেন “আলাইসাল্লাহু বিআহকামিল হাকিমীন” (আল্লাহ তা'আলা কি সকল বিচারকের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক নন) পাঠের পর বলেঃ “বালা ওয়া আনা আলা যালিকা মিনাশ-শাহিদীন (হ্যা, অবশ্যই আমিও এ কথার সাক্ষ্যদানকারীদের অন্তর্ভুক্ত)। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (১৫৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি যে আরব বিদুইন আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন তার নাম অপরিচিত।
Ismail bin Umayyah said:“I heard a Bedouin man saying: ‘I heard Abu Hurairah saying: “Whoever recited Surat ‘By At-Tim and Az-Zamzam’ Then he recited: ‘Is not Allah the best of judges?’ then let him say: ‘Of course, and I am a witness to that.’”