। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরানোর পর এই দু'আ পাঠের বেশি সময় বসতেন না- “আল্লাহুম্মা আনতাস্ সালামু ..... ওয়াল ইকরাম।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিদাতা তোমার নিকট হতেই শান্তি আসে। হে সম্মান ও গৌরবের মালিক! তুমি প্রাচুর্যময় ও বারকাতময়"। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯২৪), মুসলিম।
Aishah narrated:"When Allah's Messenger said the Salam he would not remain seated except long enough to say: (Allahumma antas-salam, wa minkas-salam, tabarakta dhal jalali wal-Ikram) 'O Allah! You are the One free of defects, and perfection is from You. Blessed are You, Possessor of Majesty and Honor
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, সালামের মধ্যে হযফ করা সুন্নাত। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (১৭৯) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আলী ইবনু হুজ্বর বলেন, ইবনুল মুবারাক বলেছেন, ‘হযফের' তাৎপর্য হল, সালাম খুব লম্বা করে না টেনে বরং স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা। বিশেষজ্ঞগণ এ নিয়মকে মুসতাহাব বলেছেন। ইবরাহীম নাখঈ বলেছেন, তাকবীর এবং সালাম অধিকক্ষণ টানবে না। রাবী হিকল সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি ইমাম আওযায়ীর সচীব ছিলেন।
Abu Hurairah narrated:"Hadhf the Salam is a Sunnah
। আসিম আল-আহওয়াল হতে উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে। শুধু 'যাল-জালালি' শব্দের পূর্বে ইয়া' (হে) শব্দটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। —সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। এ অনুচ্ছেদে সাওবান, ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, আবু সাঈদ, আবু হুরাইরা ও মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ “আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ। খালিদ আল-হাযযা ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে আব্দুল্লাহ ইবনু হারিসের সূত্রে আসিমের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত হয়েছে, তিনি সালাম ফিরানোর পর এ দুআ পাঠ করতেনঃ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তার কোন শারীক নেই, (মহাবিশ্বের) রাজত্ব তারই হাতে, তার জন্য সকল প্রশংসা। তিনিই হায়াত দেন, তিনিই মউত দেন, তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যাকে দান কর তা প্রতিরোধ করার শক্তি কারো নেই; তুমি যার প্রতিবন্ধক হও তাকে কেউ দান করতে পারে না এবং কোন চেষ্টা-তদবিরকারীই তার চেষ্টার মাধ্যমে তোমার নিকট হতে মঙ্গল ছিনিয়ে নিতে সমর্থ নয়।" অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলতেনঃ سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ وَسَلاَمٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ “তারা যা বলে থাকে তা থেকে আপনার রব, যিনি মহা মহিমান্বিত সকল ক্ষমতার মালিক, মহান পবিত্র। সালাম বর্ষিত হোক রাসূলদের প্রতি। সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই।” (সূরাঃ আস-সাফফাত)
Aishah narrated:(Another chain) which is similar, but he said: (Tabarakta ya dhal-jalali wal-ikram) "Blessed are You, O Possessor of Majesty and Honor
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে এক সালামই ফিরাতেন, প্রথমে সামনের দিকে (শুরু করে) তারপর ডান দিকে কিছুটা মুখ ঘুরাতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯১৯)। এ অনুচ্ছেদে সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আমরা শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আয়িশার হাদীসটি মারফু হিসাবে পেয়েছি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেন, সিরিয়াবাসীগণ মুহাম্মাদ ইবনু যুহাইরের সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইরাকবাসীগণ তার নিকট হতে যে বর্ণনা গ্রহণ করেছে তা অধিক সহীহ। মুহাম্মাদ বলেন, আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেছেন, সিরিয়াবাসীগণ যে যুহাইরের দেখা পেয়েছিলেন সম্ভবতঃ তিনি সেই যুহাইর নন যার বর্ণনা ইরাকবাসীগণ গ্রহণ করেছেন। সম্ভবতঃ ইনি অন্য এক ব্যক্তি। আবু ঈসা বলেনঃ কোন কোন আলিম হাদীসে উল্লেখিত নিয়মে নামাযে সালাম ফিরানোর পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। কিন্তু সবচাইতে সহীহ বর্ণনামতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার সালাম ফিরাতেন। বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈন ও তাবউ’ তাবিঈন এ মতই গ্রহণ করেছেন। একদল সাহাবা, তাবি"ঈন ও অন্যান্যরা ফরয নামাযে একবার সালাম ফিরানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, দুটি পদ্ধতিরই অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে এক সালাম বা দুই সালামও ফিরাতে পারে।
Aishah narrated:"Allah's Messenger would say one Taslim for the Salat while facing forward and turning to his right side a little