। ইরবায ইবনু সারিয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমানোর পূর্বে মুসাব্বিহাত সূরাসমূহ পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ এ আয়াতসমূহের মধ্যে এমন একটি আয়াত আছে, যা হাজার আয়াতের চাইতেও উত্তম। সানাদ দুর্বলঃ তা’লীকুর রাগীব (১/২১০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
Narrated 'Irbad bin Sariyah:
that the Prophet (ﷺ) would recite the Musabbihat (Chapters 17, 57, 59, 61, 62, 64 & 87) before sleep and say "Indeed there is an Ayah in them that is better than one thousand Ayat
। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, সূরা বনী ইসরাঈল ও সূরা আয-যুমার তিলাওয়াত না করা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাতেন না। সহীহঃ সহীহাহ (৬৪১)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ লুবাবা একজন বাসরার শাইখ। হাম্মাদ ইবনু যাইদ তার সূত্রে একাধিক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তার নাম মারওয়ান বলে কথিত। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল উক্ত কথাটি তার কিতাবুত তারীখ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
Narrated 'Aishah:
"The Prophet (ﷺ) would not sleep until he recited Surat Bani Isra'il and Az-Zumar
। মাকিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপস্থিত হয়ে তিনবার "আউযু বিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম" তারপর সুরা আল হাশরের শেষের তিন আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিয়োজিত করবেন। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দু'আ করতে থাকবেন। সে ঐ দিন ইন্তেকাল করলে তার শহীদী মৃত্যু হবে। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এরূপ পাঠ করবে, সেও একই রকম গৌরবের অধিকারী হবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (২/২২৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সুত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
Narrated Ma'qil bin Yasar:
that the Prophet (ﷺ) said: "Whoever says three times when he gets up in the morning: 'A'udhu Billahis-Sami Al-'Alim Min Ash-Shaitanir-Rajim' and he recites three Ayat from the end of Surah Al-Hashr - Allah appoints seventy-thousand angels who say Salat upon him until the evening. If he dies on that day, he dies a martyr, and whoever reaches the evening, he holds the same status
। উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ প্রকাশ্যে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে দান-খাইরাতকারীর সমতুল্য এবং গোপনে কুরআন পাঠকারী গোপনে দান-খাইরাতকারীর সমতুল্য। সহীহঃ মিশকাত তাহকীকু সানী (২২০২), সহীহ আবূ দাউদ (১২০৪)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসের অর্থ হল গোপনে কুরআন পাঠকারীই প্রকাশ্যে পাঠকারীর চাইতে উত্তম। কেননা আলিমদের মতে প্রকাশ্যে (ঐচ্ছিক) দান-খাইরাতের তুলনায় গোপনে দান করা উত্তম। বিশেষজ্ঞ আলিমগণের মতে, হাদীসের তাৎপর্য এই যে, পাঠক যেন অহংকার হতে বেঁচে থাকে। আর যে আমল গোপনে করা হয়, তাতে অহংকারের ততটা আশংকা থাকে না যতটা থাকে প্রকাশ্যে ‘আমল করার মধ্যে।
Narrated 'Uqbah bin 'Amir:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "The one who recites the Qur'an aloud is like the one who gives charity publicly, and the one who recites the Qur'an quietly is like the one who gives charity secretly