। আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে বারাআ (রাঃ) বলেছেন আর তিনি মিথ্যাবাদী নন। আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে নামায আদায় করতাম, তখন তিনি রুকু হতে মাথা তুলার পর সিজদায় যাওয়ার আগে আমাদের কেউই নিজ নিজ পিঠ (সিজদার জন্য) ঝুঁকিয়ে দিত না। তিনি সিজদায় যাওয়ার পর আমরা সিজদায় যেতাম। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৬৩১-৬৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস, মুআবিয়া, ইবনু মাসআদা ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআ’র হাদীসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ বলেছেন, মুক্তাদীগণ ইমামের প্রতিটি কাজে তাকে অনুসরণ করবে এবং ইমাম রুকূতে যাওয়ার পর তারা রুকূতে যাবে, তার মাথা তুলার পর তারা মাথা তুলবে। এ ব্যাপারে বিদ্বানদের মধ্যে কোন মতের অমিল আছে বলে আমাদের জানা নেই।
Al-Bara said:"When we performed Salat behind Allah's Messenger, he would raise his head from bowing, and no man among us would bend his back until Allah's Messenger prostrated, then we prostrated
। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার তিনি মুহাম্মাদ ইবনু জাফর হতে, তিনি শুবা হতে তিনি হাকাম হতে, তিনি স্বীয় সনদে পূর্বের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ বারাআ’র হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞ আলিমগণ উপরোক্ত হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন।
Al-Bara bin Azib narrated:(Another chain) which is similar
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আলী! আমি নিজের জন্য যা ভাল মনে করি তোমার জন্যও তা হিত মনে করি এবং আমার নিজের জন্য যা অপছন্দ করি তোমার জন্যও তা অপছন্দ করি। তুমি দুই সিজদার মাঝখানে ইকআ রীতিতে বস না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৯৪, ৮৯৫)। আবূ ঈসা বলেনঃ আলী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি শুধু মাত্র আবূ ইসহাক হতে হারিসের সূত্রে জানতে পেরেছি। কোন কোন জ্ঞানী এ হাদীসের রাবী হারিসকে যঈফ বলেছেন। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করেছেন এবং ইকআ পদ্ধতিতে বসা মাকরূহ বলেছেন। এ অনুচ্ছেদে আইশা, আনাস আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Ali narrated:"Allah's Messenger said to me: 'O Ali! I love for you what I love for myself, and I dislike for you what I dislike for myself. Do not squat between prostrations
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামাযের নিয়ম ছিলঃ যখন তিনি রুকূ করতেন, যখন রুকু হতে মাথা তুলতেন, যখন সিজদা করতেন এবং সিজদা হতে মাথা তুলতেন তখন এ কাজগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় সমানই হত। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৯৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Al-Bara bin Azib narrated:"The Salat of Allah's Messenger (was such that) when he bowed, and when he raised his head from bowing, and when he prostrated, and when he raised his head from prostration it (all) was nearly the same