। কাবীসা ইবনু হুলব (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (হুলব) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ইমামতি করতেন এবং (দাড়ানো অবস্থায়) নিজের ডান হাত দিয়ে বা হাত ধরতেন। -হাসান, ইবনু মাজাহ– (৮০৯)। এ অনুচ্ছেদে ওয়াইল ইবনু হুজর, গুতাইফ ইবনু হারিস, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ ও সাহল ইবনু সাদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ হুলব এর হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা, তাবিঈন ও তাবা-তাবিঈন এ হাদীসের ভিত্তিতে মত দিয়েছেন যে, নামাযের মধ্যে ডান হাত বা হাতের উপর রাখতে হবে। কারো কারো মতে হাত নাভির উপরে বাধতে হবে; আবার কারো কারো মতে নাভির নীচে বাধতে হবে। তারা এরূপও বলেছে যে, নাভির উপরে-নীচে যে কোন স্থানে হাত বাধার অবকাশ আছে। হুলব এর নাম ইয়াযিদ ইবনু কুনাফা আত-তাঈ।
Qabisah bin Hulb narrated from :his father who said: "Allah's Messenger lead us in prayer and hold his left hand with his right
। সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে দু'টি বিরতিস্থান মুখস্থ করে নিয়েছি। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) এতে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, আমি একটি মাত্র বিরতিস্থান মুখস্থ করেছি। (সামুরা বলেন, এর মীমাংসার জন্য) আমরা মাদীনায় উবাই ইবনু কাব (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলাম। তিনি উত্তরে লিখে জানালেন, সামুরাই সঠিকভাবে মুখস্থ রেখেছে। সাঈদ বলেন, আমরা কাতাদাকে প্রশ্ন করলাম, বিরতি দুটো কোন কোন জায়গায়ঃ তিনি বলেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামাযে প্রবেশ করতেন (তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার পর) এবং যখন কিরাআত শেষ করতেন। পরে তিনি (কাতাদা) বললেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অলায-যআল্লীন পাঠ করতেন। রাবী বলেন, কিরা'আত পাঠের পর তিনি ভালভাবে নিঃশ্বাস নেয়া পর্যন্ত বিরতি দেওয়া খুবই পছন্দ করতেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৮৪৪, ৮৪৫) এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ সামুরার হাদীসটি হাসান। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম নামায শুরু করার পর এবং কিরা'আত শেষ করার পর ইমামের জন্য বিরতি দেওয়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক ও আমাদের (তিরমিয়ীর) সঙ্গীরা এ মতের সমর্থক।
Al-Hasan narrated that :Samurah said: "there are two pauses that I preserved from Allah's Messenger." But Imran bin Husain rejected that and said: "We preserved one pause." "So we wrote to Ubayy bin Ka'b in Al-Madinah. Ubayy wrote that Samurah was correct." Sa'eed said: "We said to Qatadah: 'What are those two pauses?' He said: 'When he entered into his Salat, and when he finished his recitation.' Then he (Qatadah) said after that: 'And when he recited (Nor those who went astray.)' And he said: 'He liked to pause when he finished the recitation until he caught his breath
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, (নামাযরত অবস্থায়) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেকবার উঠা, নীচু হওয়া, দাড়ানো ও বসার সময় 'আল্লাহু আকবার’ বলতেন। আবু বাকার এবং উমার (রাঃ)-ও এরূপ আমল করতেন। —সহীহ। ইরওয়া— (৩৩০)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আনাস, ইবনু উমার, আবু মালিক আশআরী, আবু মূসা, ইমরান ইবনু হুসাইন, ওয়াইল ইবনু হুজর এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা যেমন আবু বাকর, উমার, উসমান ও আলী (রাঃ), তাদের পরবর্তীগণ এবং সমস্ত ফিকহবিদ ও বিশেষজ্ঞ আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন।
Abdullah bin Mas'ud narrated:"Allah's Messenger would say the Takbir for every lowering and raising, standing and sitting, and (so did) Abu Bakr and Umar
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইমাম যখন আমীন’ বলবে তোমরাও তখন আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে সাথে হবে তার পূর্বেকার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৫১), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said "When the Imam says 'Amin' then (all of you) say 'Amin.' For whoever's 'Amin' concurs with the 'Amin' of the angels, then his past sins will be forgiven