। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব লোকের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ নামায আদায়কারী ছিলেন। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু আউয়ানাহ'র নাম ওয়াযযাহ। আবু ঈসা বলেনঃ আমি কুতাইবাকে জিজ্ঞেস করলাম, আবু আউয়ানাহ'র নাম কি? তিনি বললেন, ওয়াযযাহ। জিজ্ঞেস করলাম, কার ছেলে? তিনি বললেন, জানি না। তিনি বাসরার এক মহিলার দাস ছিলেন।
Anas [bin Malik] narrated:"Allah's Messenger was among the lightest of people in Salat with its completeness
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ লোকদের ইমামতি করলে সে যেন (নামায) সংক্ষেপ করে। কেননা তাদের মধ্যে ছোট বালক, দুর্বল ও অসুস্থ লোক থাকতে পারে। যখন সে একাকি নামায আদায় করে, বয়োবৃদ্ধ তখন নিজ ইচ্ছামত (দীর্ঘ করে) আদায় করতে পারে। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৫৯), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আদী ইবনু হাতিম, আনাস, জাবির ইবনু সামুরা, মালিক ইবনু আবদুল্লাহ, আবু ওয়াকিদ, উসমান ইবনু আবুল আস, আবু মাসউদ জাবির ইবনু আদুল্লাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। দুর্বল, বৃদ্ধ ও রুগ্নদের কষ্ট হওয়ার আশংকায় বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, ইমাম যেন নামায লম্বা না করে। আবু ঈসা বলেনঃ আবুয্ যাননাদের নাম আব্দুল্লাহ ইবনু যাকওয়ান। আল-আ'রাজ হলেন, আব্দুর রহমান ইবনু হুরমুজ আল-মাদীনী তার উপনাম আবু দাউদ।
Abu Hurairah narrated that :the Prophet said: "When one of you leads the people in prayer then let him be brief, for indeed here are among them the young and the old, the weak and the ill. When one of you prays alone, then let him pray as he wishes
। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নামাযের চাবি হল পবিত্রতা; তার তাহরীম হল শুরুতে আল্লাহু আকবার বলা; তার তাহলীল হল (শেষে) সালাম বলা। যে ব্যক্তি আলহামদু লিল্লাহ (সূরা ফাতিহা) ও অন্য সূরা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি, চাই তা ফরয নামায হোক বা সুন্নাত নামায। —সহীহ। ইবনু মাজাহ-(২৭৫-২৭৬)। আবু ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। সনদের বিচারে ‘আলী (রাঃ)-এর হাদীস আবু সাঈদের হাদীসের তুলনায় বেশি শক্তিশালী ও সহীহ যা তাহারাত অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবা ও তাবিঈগণ এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, "আল্লাহু আকবার’ বলে নামায শুরু করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত ব্যক্ত করেছেন যে আল্লাহু আকবার বলা ছাড়া কেউ নামাযের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না। আবদুর রহমান ইবনু মাহদী বলেছেন, কোন লোক যদি আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বই নামের যে কোন সত্তরটি নাম নিয়ে নামায শুরু করে কিন্তু 'আল্লাহু আকবার’ না বলে, তাহলে তার নামায হবে না। আর সালাম ফিরানোর আগ মুহুর্তে যদি কারো ওযু ছুটে যায়, তাহলে আমি তাকে হুকুম করব, সে যেন আবার ওযু করে নিজ স্থানে এসে সালাম ফিরায়। এ হাদীসের জাহির আপাতদৃষ্ট অর্থই গ্রহণযোগ্য হবে। আবু নাদরাহ'র নাম আল-মুনযির ইবনু মালিক ইবনু কুতায়াহ।
Abu Sa'eed narrated that :Allah's Messenger said: "the key to Salat is the purification, its Tahrim is the Takbir, and its Tahlilis the Taslim, and there is no Salat for one who did not recite Al-Hamd and a Surah in the obligatory (prayer) or other prayers
তিনি বলেন, আমি আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরাআন বেশি ভাল পড়তে জানে সে লোকদের ইমামতি করবে। যদি কুর'আন পাঠে সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বেশি হাদীস (সুন্নাহ) জানে। যদি সুন্নাহর বেলায়ও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি প্রথম হিজরাত করেছে। যদি এ ব্যাপারেও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বয়সে বড়। কোন ব্যক্তি যেন অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় তার সম্মতি ছাড়া ইমামতি না করে এবং তার অনুমতি ছাড়া তার বাড়িতে তার নির্দিষ্ট আসনে না বসে। মাহমূদ বলেন, ইবনু নুমাইর তার হাদীসে (আকসারুহুম সিন্নান-এর স্থলে) আকদামুহুম সিন্নান বর্ণনা করেছেন (যে ব্যক্তি বয়জ্যেষ্ঠ)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৮০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ, আনাস ইবনু মালিক, মালিক ইবনু হুয়াইরিস ও আমর ইবনু সালামাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসের আলোকে বিদ্বানগণ বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসে রাসূলে বেশি জ্ঞানী, সে-ই লোকদের ইমামতি করার বেশি হকদার। তারা আরো বলেছেন, বাড়ির মালিক ইমামতি করার ব্যাপারে বেশি হকদার। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বাড়ির মালিকের সম্মতি বলে যে কেউ ইমামতি করতে পারে। কিন্তু অনেকে এটা পছন্দ করেননি। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ “অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় কেউ যেন ইমামতি না করে এবং তার সম্মানের আসনে তার সম্মতি ছাড়া না বসে” –এখানে বসার সম্মতি দিলে তার মধ্যে ইমামতি করার আজ্ঞাও নিহিত রয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষে ইমামতি করতেও দোষ নেই।
Abu Mas'ud narrated that :Allah's Messenger said: "The one who recites most of the Book of Allah is to lead the people (in prayers). If they are equal in recitation, then the most knowledgeable in the Sunnah among them. If they are equal regarding the Sunnah, then the earliest of them to emigrate. If they are equal in their emigration then the eldest among them. And a man is not to be led in prayer in the place of his authority, and his spot of esteem in his home is not to be sat on without his permission