। আবু আমর আশ-শাইবানী (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করল, কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল? তিনি বললেন, আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছেনঃ নির্দিষ্ট ওয়াক্তসমূহে নামায আদায় করা। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এরপর কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল? তিনি বললেনঃ পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলার রাস্তায় জিহাদ করা। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। মাসউদী, শুবা এবং সুলাইমান (আবু ইসহাক শাইবানী) এবং আরো অনেকে এই হাদীসটি ওয়ালিদ ইবনু আইযারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
Abu Amr Ash-Shaibani narrated:"A man said to Ibn Mas'ud: 'Which deed is most virtuous?' He said: 'I asked Allah's Messenger (that). He said: "Salat at the beginning of its time." I asked him: "What is after that O Messenger of Allah?" He said: "Being dutiful to one's parents." I said: "What is after that [O Messenger of Allah]?" He said: "Jihad in the Way of Allah
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ : বলেছেনঃ নামাযের প্রথম সময়ে রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ, আর শেষ সময়ে রয়েছে মার্জনা লাভের সুযোগ। (মাওয়ূ", ইরওয়া ২৫৯, মিশকাত ৬০৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। ইবনু আব্বাসও নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু উমার, আয়িশাহ ও ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন ; উম্মু ফরওয়া (রাযিঃ)-এর হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনু উমার আল-উমারী ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। অথচ তিনি (আবদুল্লাহ) হাদীস বিশারদদের মতে শক্তিশালী রাবী নন, যদিও তিনি সত্যবাদী। তাদের মতে তিনি এ হাদীসের সনদে গোলমাল করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাইদ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
Ibn Umar narrated that :Allah's Messenger said: "The beginning of the time for Salat is pleasing to Allah, and the end of its time is pardoned by Allah
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার কোন নামায শেষ ওয়াক্তে আদায় করেননি। এমনকি এ অবস্থায় আল্লাহ তা’আলা তাকে তুলে নেন। -হাসান। মিশকাত— (৬০৮)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আর হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযোজিত) নয়। ইমাম শাফিঈ বলেন, প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা খুবই ভাল। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকার ও উমর (রাঃ) প্রথম ওয়াক্তেই নামায আদায় করতেন। তা হতে প্রমাণিত হয় যে, ওয়াক্তের শেষ সময়ের উপর প্রথম সময়ের ফায়ীলাত রয়েছে। বেশি ফাযীলাতের জিনিসই তারা গ্রহণ করতেন, তারা ফাযীলাতপূর্ণ কাজ ছেড়ে দেননি। প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করাই ছিল তাদের আমল। ইমাম তিরমিয়ী বলেনঃ আবুল ওয়ালীদ মাক্কী এই উদ্ধৃতিটি ইমাম শাফিঈ হতে বর্ণনা করেছেন।
Aishah narrated:"Allah's Messenger did not pray any Salat at the end of its time two times, until Allah took him
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী : তাকে বললেনঃ হে আলী। তিনটি ব্যাপারে দেরি করো নাঃ নামায’-যখন তার ওয়াক্ত আসে, জানাযা’-যখন উপস্থিত হয় এবং বিবাহযোগ্য নারী’ যখন তুমি তার উপযুক্ত (পাত্র) পাও। (য’ঈফ, মিশকাত ৬০৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
Ali bin AbI Talib narrated that :the Prophet said to him: 'Ali! Three are not to be delayed: Salat when its time comes, a funeral whet it (a prepared body) is present, and the (marriage of a) single woman when there is an equal for her