حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْوَسْمِ فِي الْوَجْهِ وَالضَّرْبِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুখমণ্ডলে দাগ দিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, ইরওয়া (২১৮৫), সহীহ আবূ দাউদ (২৩১০), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
Narrated Jabir:
"The Prophet (ﷺ) prohibited branding on the face and striking (it)." [Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে কোন এক সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স চৌদ বছর ছিল। তিনি আমাকে গ্রহণ করেননি। আমাকে আবার পরের বছর সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে তার সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স পনের বছর ছিল। এবার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রাহঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ)-এর সামনে বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এটাই বালেগ ও নাবালেগের মধ্যে পার্থক্যকারী বয়সসীমা। তারপর যারা পনের বছর বয়সে পদার্পণ করেছে তিনি তাদের জন্য বাইতুল মাল হতে ভাতা নির্ধারণের নির্দেশ জারী করেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৩), নাসা-ঈ ইবনু আবী উমার-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ রহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করেছেন। এতে নাফি (রাহঃ) বলেন, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রাহঃ) বললেনঃ এ হলো বালেগ ও নাবালেগের যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়সসীমা। এই সূত্রে ভাতা নির্ধারণের উল্লেখ নেই। - সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস আবু ঈসা বলেন, ইসহাক ইবনু ইউসুফের সুত্রে বর্ণিত হাদিস হাসান সহীহ এবং সুফিয়ান সাওরীর বর্ণনা হিসাবে গারীব।
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ قُطْبَةَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ التَّحْرِيشِ بَيْنَ الْبَهَائِمِ .
। মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশুর লড়াই অনুষ্ঠান করতে মানা করেছেন। যঈফ, গায়াতুল মারাম (৩৮) এ বর্ণনায় ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর উল্লেখ নেই। অর্থাৎ এই সূত্রে হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং এটা কুতবার বর্ণনার তুলনায় অনেক বেশী সহীহ। শরীক-আমাশ হতে তিনি মুজাহিদ হতে তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। তাতে আবূ ইয়াহইয়ার উল্লেখ নেই। আবূ মুয়াবিয়া-আমাশ হতে তিনি মুজাহিদের সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ ইয়াহইয়ার নাম যাযান, তিনি কুফার অধিবাসী। এ অনুচ্ছেদে তালহা, জাবির, আবূ সাঈদ ও ইকরাশ ইবনু যুয়াইব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
Narrated Abu Yahya:
From Mujahid from Ibn 'Abbas who said: "The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited instigating fights between beasts