Skip to content
6 October 2026 25 Rabi' al-Thani 1448 AH
Show
Hadith 141 Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ أَهْلَهُ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيَتَوَضَّأْ بَيْنَهُمَا وُضُوءًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَقَالَ بِهِ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيَتَوَضَّأْ قَبْلَ أَنْ يَعُودَ ‏.‏ وَأَبُو الْمُتَوَكِّلِ اسْمُهُ عَلِيُّ بْنُ دَاوُدَ ‏.‏ وَأَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ اسْمُهُ سَعْدُ بْنُ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ ‏.‏
। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন তোমাদের কেউ নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর আবার সহবাস করতে চায় তখন সে যেন এর মাঝখানে ওযু করে নেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫৮৭), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আবু সাঈদ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। উমর (রাঃ)-ও দ্বিতীয় সহবাসের পূর্বে ওযু করার কথা বলেছেন। বিদ্বানগণ বলেন, কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর আবার সহবাস করতে চাইলে সে যেন দ্বিতীয়বার সহবাস করার আগে ওযু করে নেয়। আবু মোতাওয়াক্কিল এর নাম আলী ইবনু দাউদ। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর নাম সাদ ইবনু মালিক ইবনু সিনান।
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated that :the Prophet said: When one of you comes to his wife, then he wants to repeat (it), let him perform Wudu between them
Jami‘ at-Tirmidhi 141 Al-Albani: Sahih · Ahmad Muhammad Shakir: Sahih · Bashar Awad Maarouf: Hasan Sahih · Zubair Ali Zai: Sahih - Bukhari And Muslim

More from this chapter

Whole chapter
Hadith 140 Sahih
حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ فِي غُسْلٍ وَاحِدٍ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي رَافِعٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْهُمُ الْحَسَنُ الْبَصْرِيُّ أَنْ لاَ بَأْسَ أَنْ يَعُودَ قَبْلَ أَنْ يَتَوَضَّأَ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ هَذَا عَنْ سُفْيَانَ فَقَالَ عَنْ أَبِي عُرْوَةَ عَنْ أَبِي الْخَطَّابِ عَنْ أَنَسٍ ‏.‏ وَأَبُو عُرْوَةَ هُوَ مَعْمَرُ بْنُ رَاشِدٍ ‏.‏ وَأَبُو الْخَطَّابِ قَتَادَةُ بْنُ دِعَامَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَاهُ بَعْضُهُمْ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنِ ابْنِ أَبِي عُرْوَةَ عَنْ أَبِي الْخَطَّابِ ‏.‏ وَهُوَ خَطَأٌ وَالصَّحِيحُ عَنْ أَبِي عُرْوَةَ ‏.‏
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই গোসলে তার স্ত্রীদের নিকট যেতেন (একাধিক স্ত্রীর সাথে সহবাস করে একবারেই গোসল করতেন)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫৮৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। একাধিক বিশেষজ্ঞ এই মত দিয়েছেন যে, ওযু না করে দ্বিতীয়বার সহবাস করায় কোন দোষ নেই। হাসান বাসরী তাদের অন্তর্ভুক্ত। আনাস (রাঃ)-এর এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ সুফইয়ান হতে, তিনি আবু উরওয়া হতে তিনি আবুল খাত্তাব হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর আবু উরওয়া হলেন মামার ইবনু রাশিদ। আবুল খাত্তাব হলেন, কাতাদা ইবনু দি'আমাহ। আবু ঈসা বলেনঃ কেউ কেউ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি ইবনু আবী উরওয়া হতে, তিনি আবুল খাত্তাব হতে বর্ণনা করেছেন। আর এই বর্ণনাটি ভুল। সঠিক হলো আবু উরওয়া।
Anas narrated:"Allah's Messenger would go around to his women with one Ghusl
Jami‘ at-Tirmidhi 140 Open
Hadith 142 Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ، قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَأَخَذَ بِيَدِ رَجُلٍ فَقَدَّمَهُ وَكَانَ إِمَامَ قَوْمِهِ وَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ وَوَجَدَ أَحَدُكُمُ الْخَلاَءَ فَلْيَبْدَأْ بِالْخَلاَءِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَثَوْبَانَ وَأَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ هَكَذَا رَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَغَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْحُفَّاظِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ ‏.‏ وَرَوَى وُهَيْبٌ وَغَيْرُهُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ قَالاَ لاَ يَقُومُ إِلَى الصَّلاَةِ وَهُوَ يَجِدُ شَيْئًا مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ ‏.‏ وَقَالاَ إِنْ دَخَلَ فِي الصَّلاَةِ فَوَجَدَ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ فَلاَ يَنْصَرِفْ مَا لَمْ يَشْغَلْهُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ بَأْسَ أَنْ يُصَلِّيَ وَبِهِ غَائِطٌ أَوْ بَوْلٌ مَا لَمْ يَشْغَلْهُ ذَلِكَ عَنِ الصَّلاَةِ ‏.‏
। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু আল-আরকাম সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তিনি (উরওয়া) বলেন, একদা নামাযের ইকামাত হয়ে গেল। তিনি (আবদুল্লাহ) এক ব্যক্তির হাত ধরে তাকে সামনে ঠেলে দিলেন। তিনি (আব্দুল্লাহ ইবনু আরকাম) স্বীয় গোত্রের ইমাম ছিলেন (নামায শেষে)। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ “নামাযের ইকামাত হয়ে যাওয়ার পর তোমাদের কারো মলত্যাগের প্রয়োজন হলে প্রথমে সে মলত্যাগ করে নেবে।” —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬১৬)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, আবু হুরাইরা, সাওবান ও আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর হাদীসটি মালিক ইবনু আনাস ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান আরো অনেকে হিশাম ইবনু উরওয়া হতে তিনি তার পিতা উরওয়া হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আরকাম হতে বর্ণনা করেছেন। ওহাইব এবং অন্যরা হিশাম ইবনু উরওয়া হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি জনৈক ব্যক্তি হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আরকাম হতে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কয়েকজন সাহাবা ও তাবিঈর এটাই ফাতোয়া (মলত্যাগের প্রয়োজন আগে সেরে নেবে)। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এই মত সমর্থন করেছেন এবং বলেছেন, প্রাকৃতিক প্রয়োজন অনুভূত হলে তা না সেরে নামাযে দাড়াবে না। হ্যাঁ যদি নামায শুরু করার পর প্রাকৃতিক প্রয়োজন অনুভূত হয় তবে নামায আদায় করতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত গোলমাল ও বাধাবিয়ের সৃষ্টি না হয়। কিছু আলিম বলেছেন, প্রাকৃতিক প্রয়োজনের কারণে যে পর্যন্ত নামাযের মধ্যে অসুবিধা সৃষ্টি না হয়, ততক্ষণ পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে নামায আদায় করতে কোন সমস্যা নেই।
Hisham bin Urwah narrated from his father, (Urwah) from Abdullah bin AI-Arqam. :He (Urwah) said: "While standing for the prayer he (Abdullah bin Al-Arqam) took a man by the hand leading him forward, he (Abdullah) was in front of the people, and he said: 'I heard Allah's Messenger say: "When standing for the prayer and one of you finds that he has to relieve himself then let him relieve himself first
Jami‘ at-Tirmidhi 142 Open
Hadith 139 Sahih
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ أَبُو بَدْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ أَبِي سَهْلٍ، عَنْ مُسَّةَ الأَزْدِيَّةِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَتِ النُّفَسَاءُ تَجْلِسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرْبَعِينَ يَوْمًا فَكُنَّا نَطْلِي وُجُوهَنَا بِالْوَرْسِ مِنَ الْكَلَفِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَهْلٍ عَنْ مُسَّةَ الأَزْدِيَّةِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ‏.‏ وَاسْمُ أَبِي سَهْلٍ كَثِيرُ بْنُ زِيَادٍ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى ثِقَةٌ وَأَبُو سَهْلٍ ثِقَةٌ ‏.‏ وَلَمْ يَعْرِفْ مُحَمَّدٌ هَذَا الْحَدِيثَ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَهْلٍ ‏.‏ وَقَدْ أَجْمَعَ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ عَلَى أَنَّ النُّفَسَاءَ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا إِلاَّ أَنْ تَرَى الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ فَإِنَّهَا تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي ‏.‏ فَإِذَا رَأَتِ الدَّمَ بَعْدَ الأَرْبَعِينَ فَإِنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا لاَ تَدَعُ الصَّلاَةَ بَعْدَ الأَرْبَعِينَ وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ الْفُقَهَاءِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ أَنَّهُ قَالَ إِنَّهَا تَدَعُ الصَّلاَةَ خَمْسِينَ يَوْمًا إِذَا لَمْ تَرَ الطُّهْرَ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ وَالشَّعْبِيِّ سِتِّينَ يَوْمًا ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন বসে থাকত। আমরা ওয়ারস ঘাস পিষে তা দিয়ে আমাদের চেহারার দাগ তুলতাম। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৪৮)। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবু সাহলের সূত্রে মুসসাহ আল-আজ দিয়াহ এর বরাতে উম্মু সালামাহ হতে জানতে পেরেছি। ইমাম বুখারী বলেন, আলী ইবনু আবদুল আ'লা ও আবু সাহল সিকাহ রাবী। মুহাম্মাদও (বুখারী) এ হাদীসটি আবু সাহলের সূত্রে জেনেছেন। আবু সাহলের নাম কাহীর ইবনু যিয়াদ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীদের মধ্যে এ ব্যাপারে অভিন্ন মত রয়েছে যে, নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামায আদায় করবে না। হ্যাঁ, যদি চল্লিশ দিনের পূর্বে পবিত্র হয়ে যায় তবে গোসল করে নামায শুরু করে দেবে। যদি চল্লিশ দিন পরও রক্তস্রাব চলতে থাকে, তবে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে চল্লিশ দিন পর আর নামায ছাড়া যাবে না। বেশিরভাগ ফিকহবিদেরও এই ফাতোয়া। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (এবং ইমাম আবু হানীফাও) এ কথাই বলেছেন। হাসান বাসরী পঞ্চাশ দিন এবং আতা ইবনু আবু রাবাহ ও শা'বী ষাট দিন নামায ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন, যদি ঋতুস্রাব চলতেই থাকে।
Umm Salamah narrated:"The time of waiting for Nifas during the time of AIlah's Messenger was forty days. We used to cover our faces with reddish-brown Wars