। আসমা বিনতু আবী বাকার সিদীক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হায়িযের রক্ত • লাগা কাপড়ের বিধান সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আঙ্গুল দিয়ে খুঁটে খুঁটে তা তুলে ফেল, অতঃপর পানি দিয়ে তা আংগুলের মাধ্যমে মলে নাও, অতঃপর তাতে পানি গড়িয়ে দাও, অতঃপর তা পরে নামায আদায় কর। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬২৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও উম্মু কাইস (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আসমা (রহঃ)-এর এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কাপড়ে হায়িযের রক্ত লেগে গেলে তা না ধুয়ে নামায আদায় করা যাবে কি-না এ ব্যাপারে বিদ্বানদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাবিঈদের মধ্যে কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি কাপড়ের রক্ত এক দিরহাম পরিমাণ হয় এবং তা না ধুয়ে ঐ কাপড় পরেই নামায আদায় করা হয় তাহলে আবার নামায আদায় করতে হবে। অপর দল বলেছেন, রক্তের পরিমাণ এক দিরহামের বেশি হলেই আবার নামায আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ও ইবনুল মুবারাক একথা বলেছেন। কিছু সংখ্যক তাবেঈ এবং আহমাদ ও ইসহাকের মতে রক্তের পরিমাণ এক দিরহামের বেশি হলেও নতুন করে নামায আদায় করতে হবে না। ইমাম শাফিঈর মতে, কাপড়ে এক দিরহামের কম পরিমাণ রক্ত লাগলেও তা ধুয়ে নেয়া ওয়াজিব। তিনি এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করেছেন।
Asma' bint Abu Bakr narrated that :a woman asked the Prophet about a garment that was touched by some menstrual blood. So Allah's Messenger said: "Remove it, and scrub it, then rinse it and pray in it
নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রক্ত লাল থাকে তখন (সহবাস করলে) এক দীনার, আর যখন রক্ত পীতবর্ণ ধারণ করে তখন অর্ধ দীনার। য’ঈফ। এই বিশ্লেষণ সহীহ সনদে মাওকুফ, সহীহ আবু দাউদ- (২৫৮)। আবু ঈসা বলেন, ঋতুবতীর সাথে সহবাস করার কাফফারা’ সম্পর্কিত হাদীস ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে দুইভাবে অর্থাৎ মাওকুফ এবং মারফু’ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ কাফফারা আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক। ইবনুল মুবারাক বলেন, সহবাসকারীকে কোন কাফফারা দিতে হবে না, বরং সে আল্লাহ তা'আলার নিকটে তাওবা করবে। কিছু তাবিঈও তার অনুরূপ মত দিয়েছেন। সাঈদ ইবনু জুবাইর ও ইবরাহীম নাখঈও তাদের অন্তর্ভুক্ত। এটাই অধিকাংশ বিদ্বানগণের অভিমত।
Ibn Abbas narrated that :the Prophet said: "When the blood is red then (give) a Dinar. And when the blood is yellow then half Dinar
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন বসে থাকত। আমরা ওয়ারস ঘাস পিষে তা দিয়ে আমাদের চেহারার দাগ তুলতাম। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৪৮)। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবু সাহলের সূত্রে মুসসাহ আল-আজ দিয়াহ এর বরাতে উম্মু সালামাহ হতে জানতে পেরেছি। ইমাম বুখারী বলেন, আলী ইবনু আবদুল আ'লা ও আবু সাহল সিকাহ রাবী। মুহাম্মাদও (বুখারী) এ হাদীসটি আবু সাহলের সূত্রে জেনেছেন। আবু সাহলের নাম কাহীর ইবনু যিয়াদ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীদের মধ্যে এ ব্যাপারে অভিন্ন মত রয়েছে যে, নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামায আদায় করবে না। হ্যাঁ, যদি চল্লিশ দিনের পূর্বে পবিত্র হয়ে যায় তবে গোসল করে নামায শুরু করে দেবে। যদি চল্লিশ দিন পরও রক্তস্রাব চলতে থাকে, তবে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে চল্লিশ দিন পর আর নামায ছাড়া যাবে না। বেশিরভাগ ফিকহবিদেরও এই ফাতোয়া। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (এবং ইমাম আবু হানীফাও) এ কথাই বলেছেন। হাসান বাসরী পঞ্চাশ দিন এবং আতা ইবনু আবু রাবাহ ও শা'বী ষাট দিন নামায ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন, যদি ঋতুস্রাব চলতেই থাকে।
Umm Salamah narrated:"The time of waiting for Nifas during the time of AIlah's Messenger was forty days. We used to cover our faces with reddish-brown Wars
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّجُلِ يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ " يَتَصَدَّقُ بِنِصْفِ دِينَارٍ " .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে হায়িয চলাকালীন সময়ে সহবাস করে তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সে অর্ধ দীনার সাদকা করবে”। —সহীহ। এই শব্দে “এক দীনার বা অর্ধ দীনার" সহীহ আবু দাউদ (২৫৬), ইবনু মাজাহ– (৬৪০)। হাদীসে বর্ণিত অর্ধ দীনার এই শব্দে হাদীসটি য’ঈফ, য’ঈফ আবু দাউদ– (৪২)।
Ibn Abbas narrated that :the Prophet said about a man who had sexual intercourse with his wife while she is menstruating: "He should give half a Dinar in charity