। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন শিশু যদি জন্মগ্রহণ করার পরে চিৎকার না করে তবে তার জানাযার নামায আদায় করতে হবে না, সে কোন ব্যক্তির ওয়ারিস হবে না এবং তারও কেউ ওয়ারিস হবে না। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫০৮) আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসের বর্ণনায় রাবীগণের গরমিল আছে। এটাকে একদল মারফু হাদীস রূপে জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আশআস ইবনু সাওওয়ার এবং আরও অনেকে এটাকে জাবির হতে মাওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আতা ইবনু আবূ বারাহ-এর বরাতে জাবির হতে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মারফু বর্ণনা হতে মাওকুফ বর্ণনাটিই বেশি সহীহ। এ হাদীস অনুযায়ী একদল বিশেষজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। শিশু জন্মগ্রহণ করার পর চিৎকার না করলে তাদের মত আনুযায়ী তার জানাযা আদায় করবে না। এই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)।
Jabir narrated that:The Prophet said: "The child is not prayed over, nor does he inherit, nor is he inherited from until one is sure he was alive at birth
। মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আরোহী ব্যক্তি লাশের পিছে পিছে যাবে, আর পায়ে হাঁটা ব্যক্তি যেদিক দিয়ে ইচ্ছা সেদিক দিয়ে যেতে পারবে এবং শিশুর (লাশের) জানাযাও আদায় করতে হবে। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫০৭) এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইসরাঈল এবং আরও অনেকে হাদীসটি সাঈদ ইবনু উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিম আমল করেছেন। পূর্ণাঙ্গ দেহ বিশিষ্ট বাচ্চা জনানোর পর চিৎকার না করলেও তার জানাযা নামায আদায় করতে হবে। এই কথা বলেছেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাক।
Al-Mughirah bin Shu'bah narrated that:The Prophet said: "The rider is to be behind the funeral (procession), and the walker where he wishes, and the child should be prayed over
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, সুহাইল ইবনু বাইযা (রাঃ)-এর জানাযা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের অভ্যন্তরভাগে আদায় করেছেন। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫১৮) এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী একদল আলিম আমল করেন। ইমাম শাফিঈ (রাহঃ) বলেন, ইমাম মালিক (রাহঃ) বলেছেন, জানাযার নামায মসজিদের অভ্যন্তরভাগে আদায় করা যাবে না। শাফিঈ (রাহঃ) বলেন, মসজিদে জানাযার নামায আদায় করা যায়। এ হাদীস নিজের অনুকূলে তিনি দলীল হিসাবে উপস্থাপন করেন।
Aishah narrated:"The Messenger of Allah performed Salat over Suhail bin Al-Baida in the Masjid
। উকবা ইবনু আমির আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এমন তিনটি সময় আছে যে সময়ে আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করতে অথবা আমাদের মৃত ব্যক্তিদের দাফন সম্পন্ন করতে বারণ করতেনঃ চকমক করে সূর্য উঠার সময় হতে তা সম্পূর্ণভাবে না উঠা পর্যন্ত; দুপুরের সময় সূর্য ঠিক (মাথার উপর) সোজা হয়ে যাওয়া হতে যতক্ষণ পর্যন্ত তা ঢলে না পড়ে এবং যে সময় সূর্য ডুবার সময় হয়, সম্পূর্ণভাবে তা ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫১৯), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও একদল আলিম আমল করেছেন। জানাযার নামায উল্লেখিত ওয়াক্তসমূহে আদায় করাকে তারা মাকরূহ বলেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেছেন, মৃতকে দাফন না করার কথা বলে এ হাদীসে জানাযার নামায না আদায় করা বুঝানো হয়েছে। সূর্য উদয়ের সময়, ঠিক দুপুরে এবং সূর্য ডুবার সময়। তিনি জানাযার নামায আদায় করাকে মাকরূহ বলেছেন। এই মত গ্রহণ করেছেন ইমাম, আহমাদ ও ইসহাক। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, যেসব ওয়াক্তে নামায আদায় করা মাকরূহ সেসব ওয়াক্তে জানাযার নামায আদায় করাতে কোন সমস্যা নেই।
Uqbah bin Amir Al-Juhni narrated:"There are three times that the Messenger of Allah prohibited us from performing Salat in, burying our dead in: When the sun's rising appears until it has risen up; when the sun is at the zenith until it passes, and when the sun begins its setting, until it has set