। আবু মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার জন্য ক্ৰন্দনকারীরা যখন কঁদে আর বলে, হায় আমাদের পাহাড় হে আমাদের নেতা বা অনুরূপ কোন কথা, তখন দুইজন ফিরিশতা ঐ মৃত ব্যক্তির জন্য নিয়োগ করা হয়। তারা তার বুকে ঘুষি মারে আর বলতে থাকে, তুমি কি এরূপ ছিলে? – হাসান, ইবনু মা-জাহ (১৫৯৪) এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান গরীব বলেছেন।
Musa bin Abi Musa Al-Asha'ri narrated from his father that:The Messenger of Allah said: "No one dies and they stand over him crying and saying: 'O what a great man he was! O how respectful he was!' except that two angels are appointed for him to poke him (saying): 'Is that you?
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের লোকদের কান্নাকাটির কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫৯৩) বুখারী, মুসলিম ৷ ইবনু উমার ও ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীসের ভিত্তিতে একদল আলিম, মৃত ব্যক্তির জন্য কান্নাকাটি করা অপছন্দ করেছেন। তারা বলেন, তাকে তার পরিবারের কান্নাকাটির কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। উক্ত হাদীসকে,তারা দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, আমি আশা করি যদি মৃত ব্যাক্তি তার পরিবারের লোকদেরকে তার জীবিতাবস্থায় কাঁদতে বারণ করে যায় তাহলে তাদের কান্নার কারণে তার কিছু হবে না।
Umar bin Al-Khattab narrated that:The Messenger of Allah said: "The deceased is punished for the crying of his family over him
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের লোকদের কান্নাকাটির কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। আইশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে (ইবনু উমারকে) রহম করুন। তিনি মিথ্যা বলেননি, বরং ভুল বুঝেছেন। এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, যে ইয়াহুদী অবস্থায় মারা গিয়েছিলঃ মৃত ব্যক্তিকে (তার গুনাহের কারণে) শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, আর তার জন্য তার পরিবারের লোকেরা কাঁদছে। - সহীহ, আহকা-মুল জানায়িজ (২৮) বুখারী, মুসলিম৷ ইবনু আব্বাস, কারাযা ইবনু কাব, আবু হুরাইরা, ইবনু মাসউদ ও উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস আইশা (রাঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এই হাদীস অনুযায়ী একদল আলিম অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা “ওয়ালা তাযির ওয়াযিরাতুন বিযরা উখরা" (একজন অপরজনের বোঝা বহন করবে না) আয়াত দলীল হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। এই অভিমত ইমাম শাফিঈরও।
Yahya bin Abdur-Rahman narrated from Ibn Umar that:The Prophet said: "The deceased is punished for the crying of his family over him." So, Aishah said: "May Allah have mercy upon him. He has not lied, but he is mistaken. It is only that the Messenger of Allah said about a Jewish man who died: 'The deceased is being punished and his family is crying over him
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উন্মাতদের মাঝে জাহিলী যুগের চারটি (খারাপ) বিষয় আছে। তারা কখনও এগুলো (পুরোপুরি) ছাড়বে নাঃ মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ সহকারে ক্ৰন্দন করা, বংশ তুলে গালি দেওয়া, সংক্রামক রোগ সংক্রমিত হওয়ার ধারণা, একটি উট সংক্রমিত হলে একশটি উটে তা সংক্রমিত হওয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রথমটি কিভাবে সংক্রমিত হল? আর নক্ষত্রের প্রভাব মান্য করা অর্থাৎ অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি হলো। – হাসান, সহীহাহ (৭৩৫) এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান বলেছেন।
Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah said:"There are four matters in my nation that are from the matters of Jahiliyyah which the people will not leave: Wailing, slandering one's lineage, Al-Adwa - a camel gets mange, so one hundred camels get mange - but who gave the first camel mange? And Al-Anwa (saying): "We got rain because of this or that celestial positioning