। আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) সুত্রে থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) আদায়ে অভ্যস্থ হয়ে যায় আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানিয়ে রাখেন। চার রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে এবং দু’রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পরে, দু’রাকআত মাগরিবের ফরয সালাতের পরে, দু’রাকআত ইশার ফরয সালাতের পরে এবং দু’রাকআত ফজরের ফরয সালাতের পূর্বে।
It was narrated from Aishah that:The Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever persists in praying twelve rak'ahs each day and night, Allah, the Mighty and Sublime, will build for him a house in Paradise: Four before Zuhr and two after Zuhr, two rak'ahs after Maghrib, two rak'ahs after Isha' and two rak'ahs of Fajr
। হাসান ইবনু মানসূর (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) আদায়ে অভ্যস্থ হয়ে যায় সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে চার রাকআত এবং পরে দু’রাকআত, দু’রাকআত মাগরিব সালাতের পরে, দু’রাকআত ইশার ফরয সালাতের পরে এবং দু’রাকআত ফজরের ফরয সালাতের পূর্বে।
It was narrated that Aishah said:"The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever persists in praying twelve rak'ahs each day and night will enter Paradise: Four before Zuhr and two after, two rak'ahs after Maghrib, two rak'ahs after Isha' and two rak'ahs before Fajr
। মুহাম্মাদ ইবনু মা’দান (রহঃ) ... উম্মে হাবীবা বিনত আবূ সূফিয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রি ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাকাদার) সালাত আদায় করবে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
It was narrated that 'Ata said:"I was told that Umm Habibah bin Abi Sufyan said: "I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Whoever prays twelve rak'ahs during the day and night, apart from the prescribed prayers, Allah (SWT) will build for him a house in Paradise
। সুওয়াইদ ইবনু নাসর (রহঃ) ... হুমায়দ ইবনু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যাক্তি রাত্রে ওয়ীফা আদায় করতে পারল না। সে যেন তা যোহরের পূর্বে আদায় করে নেয়। কেননা তা রাত্রের সালাতের সমপর্যায়ে গণ্য করা হবে।
It was narrated that Humaid bin Abdur-Rahman said:"Whoever misses his Wird at night, let him recite it during prayer before Zuhr, and that will be equivalent to night prayers