খালাফ ইবনু হিশাম, আবূর রাবী' আয যাহরানী ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ...... আবূ যার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি যদি এমন ইমামের অধীনস্থ হয়ে পড় যে উত্তম সময়ে সালাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করবে তাহলে কী করবে? আবূ যার বলেন- এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম (হে আল্লাহর রসূল!), এরূপ অবস্থায় পতিত হলে আপনি আমাকে কী করতে আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি উত্তম সময়ে সালাত আদায় করে নিবে। তারপরে যদি তাদের সাথে অর্থাৎ- ইমামের সাথে জামা'আতে সালাত পাও তাহলে তাদের সাথেও আদায় করবে। এটা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। তবে বর্ণনাকারী খালাফ তার বর্ণনায় عَنْ وَقْتِهَا কথাটা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
Abu Dharr reported:The Messenger of Allah (ﷺ) said to me: How would you act when you are under the rulers who would delay the prayer beyond its prescribed time, or they would make prayer a dead thing as far as its proper time is concerned? I said: What do you command? He (the Holy Prophet) said: Observe the prayer at Its proper time, and if you can say it along with them do so, for it would be a superetogatory prayer for you. Khalaf (one of the narrators in the above hadith) has not mentioned" beyond their (prescribed) time
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবূ বারযাহ আল আসলামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে আদায় করতেন। তিনি ইশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো এবং পরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশ' আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন এবং এমন সময় সালাত শেষ করতেন যখন আমরা পরস্পরকে মুখ দেখে চিনতে পারতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
Abu Barza b. Aslami is reported to have said:The Messenger of Allah (ﷺ) delayed the night prayer till a third of the night had passed and he did not approve of sleeping before it, and talking after it, and he used to recite in the morning prayer from one hundred to sixty verses (and completed the prayer at such hours) when we recognised the faces of one another
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ যর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ যার! আমার পরে অচিরেই এমন আমীর বা শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে যারা একেবারে শেষ ওয়াক্তে সালাত আদায় করবে। এরূপ হলে তুমি কিন্তু সময় মতো (সালাতের উত্তম সময়ে) সালাত আদায় করে নিবে। পরে যদি তুমি তাদের সাথে সালাত আদায় করো তাহলে তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে তুমি অন্তত তোমার সালাত রক্ষা করতে সক্ষম হলে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
Abu Dharr reported:The Messenger of Allah (ﷺ) said to me: O Abu Dharr, you would soon find after me rulers who would make their prayers dead. You should say prayer at its prescribed time. If you say prayer at its prescribed time that would be a supererogatory prayer for you, otherwise you saved your prayer
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ বারযাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত দেরী করে মধ্যরাতে আদায় করতে কোন দ্বিধা বা ভ্ৰক্ষেপ করতেন না। হাদীসের বর্ণনাকারী শুবাহ বলেছেন, পরবর্তী সময়ে আমি আবার আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আগের কথার সাথে এ কথাটুকু যোগ করে বললেনঃ অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে ইশার সালাত আদায় করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্ৰক্ষেপ করতেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
Sayyar b. Salama reported:I heard Abu Barza saying that the Messenger of Allah (ﷺ) did not mind some delay in the 'Isha' prayer even up to midnight and he did not like sleeping before (observing it) and talking after it. Shu'ba said: I again met him (Sayyar b. Salama) for the second time and he said: Even up to the third (part) of the night