بَاب : ৬৫/১৭/২. অধ্যায়: (وَقَضَيْنَآ إِلٰى بَنِيْٓإِسْرَائِيْلَ) أَخْبَرْنَاهُمْ أَنَّهُمْ سَيُفْسِدُوْنَ وَالْقَضَاءُ عَلَى وُجُوْهٍ (وَقَضٰى رَبُّكَ) أَمَرَ رَبُّكَ وَمِنْهُ الْحُكْمُ (إِنَّ رَبَّكَ يَقْضِيْ بَيْنَهُمْ) وَمِنْهُ الْخَلْقُ (فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَوٰتٍ) (نَفِيْرًا) مَنْ يَنْفِرُ مَعَهُ (مَيْسُوْرًا) لَيِّنًا (وَلِيُتَبِّرُوْا) يُدَمِّرُوْا مَا عَلَوْا (حَصِيْرًا) مَحْبِسًا مَحْصَرًا (حَقَّ) وَجَبَ (خِطْئًا) إِثْمًا وَهُوَ اسْمٌ مِنْ خَطِئْتَ وَالْخَطَأُ مَفْتُوْحٌ مَصْدَرُهُ مِنَ الإِثْمِ خَطِئْتُ بِمَعْنَى أَخْطَأْتُ (تَخْرِقَ) تَقْطَعَ (وَإِذْ هُمْ نَجْوٰى) مَصْدَرٌ مِنْ نَاجَيْتُ فَوَصَفَهُمْ بِهَا وَالْمَعْنَى يَتَنَاجَوْنَ (رُفَاتًا) حُطَامًا (وَاسْتَفْزِزْ) اسْتَخِفَّ بِخَيْلِكَ الْفُرْسَانِ وَالرَّجْلُ وَالرِّجَالُ الرَّجَّالَةُ وَاحِدُهَا رَاجِلٌ مِثْلُ صَاحِبٍ وَصَحْبٍ وَتَاجِرٍ وَتَجْرٍ (حَاصِبًا) الرِّيْحُ الْعَاصِفُ وَالْحَاصِبُ أَيْضًا مَا تَرْمِيْ بِهِ الرِّيْحُ وَمِنْهُ حَصَبُ جَهَنَّمَ يُرْمَى بِهِ فِيْ جَهَنَّمَ وَهُوَ حَصَبُهَا وَيُقَالُ حَصَبَ فِي الْأَرْضِ ذَهَبَ وَالْحَصَبُ مُشْتَقٌّ مِنَ الْحَصْبَاءِ وَالْحِجَارَةِ (تَارَةً) مَرَّةً وَجَمَاعَتُهُ تِيَرَةٌ وَتَارَاتٌ (لَأَحْتَنِكَنَّ) لَأَسْتَأْصِلَنَّهُمْ يُقَالُ احْتَنَكَ فُلَانٌ مَا عِنْدَ فُلَانٍ مِنْ عِلْمٍ اسْتَقْصَاهُ (طَائِرَهُ) حَظَّهُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ كُلُّ (سُلْطَانٍ) فِي الْقُرْآنِ فَهُوَ حُجَّةٌ (وَلِيٌّ مِّنَ الذُّلِّ) لَمْ يُحَالِفْ أَحَدًا. وَقَضَيْنَآ إِلٰى بَنِيْٓ إِسْرَائِيْلَ আমি বনী ইসরাঈলকে জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, তারা শীঘ্রই বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। وَقَضٰى رَبُّكَ বহু অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন الْقَضَا তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন। ‘ফয়সালা’ অর্থে, যেমন বলা হয়েছে- إِنَّ رَبَّكَ يَقْضِيْ بَيْنَهُمْ নিশ্চয় তোমার রব তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিবেন’, এবং ‘সৃষ্টি করা’ অর্থেও ব্যবহৃত হয়; যেমন- فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَوٰتٍ সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান। نَفِيْرًا দল।[1] যারা তার সঙ্গে চলে। وَلِيُتَبِّرُوْا তাদের প্রাধান্য সম্পূর্ণ খতম করার জন্য। حَصِيْرًا বন্দীখানা। فَحَقَّ অনিবার্য হয়েছে। مَيْسُوْرًا নম্র। خِطْئًا পাপ। এটা خَطِئْتُ থেকে اسْمٌ এবং وَالْخَطَأُ (জবর সহকারে) তার মাসদার গুনাহের অর্থে। خَطِئْتُ আমি পাপ করেছি। لَنْتَخْرِقَ কখনও বিদীর্ণ করতে পারবে না। وَإِذْ هُمْ نَجْوٰى এটি نَاجَيْتُ থেকে مَصْدَرٌ এর দ্বারা তাদের (জালিমদের) অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থ পরস্পর কানাঘুষা করছে। رُفَاتًا চূর্ণ-বিচূর্ণ। وَاسْتَفْزِزْ উত্তেজিত কর। بِخَيْلِكَ তোমার অশ্বারোহী দ্বারা وَالرِّجَالُ الرَّجَّالَةُ (পদাতিক বাহিনী) এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِبٌ এর বহুবচন صَحْبٍ এবং تَاجِرٍ এর বহুবচন حَاصِبًا،تَجْرٌ প্রবাহিত প্রচন্ড বাতাস এবং حَاصِبُ যা ঝঞঝা-বায়ু প্রবাহিত করে। এর থেকেই حَصَبُجَهَنَّمَ জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়। অর্থাৎ তারা হচ্ছে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত বস্তু। حَصَبَ فِيالْأَرْضِ যমীনে চলে গেছে। الْحَصْبَاءِالْحَصْبُ থেকে গঠিত। অর্থ পাথরগুলো। تَارَةً একবার। তার বহুবচন لَأَحْتَنِكَنَّ-تَارَاتُ- وَتِيَرْةَ طَاَئِرَهُ তাদের সমূলে উৎপাটিত করব। বলা হয় احْتَنَكَ فُلَانٌ مَا عِنْدَ فُلَانٍ مِنْ عِلْمٍ অর্থাৎ অন্যের যে ইল্ম ছিল তা সে সবটুকু হাসিল করে নিয়েছে। طَائِرَهُ তার ভাগ্য। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, কুরআন মাজীদে যত জায়গায় سُلْطَانٍ শব্দ রয়েছে, তার অর্থ প্রমাণ। وَلِيٌّ مِنْ الذُّلِّ অর্থাৎ দুঃখ-দৈন্যের কারণে কারো সঙ্গে তার বন্ধুত্ব করতে পারে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৪৮) ৪৭০৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বাইতুল মাকদাসে ভ্রমণ করানো হয়, সে রাতে তাঁর সামনে দু’টি পেয়ালা রাখা হয়েছিল। তার একটিতে ছিল শরাব এবং আরেকটিতে ছিল দুধ। তিনি উভয়টির দিকে তাকালেন এবং দুধ বেছে নিলেন। তখন জিবরীল (আঃ) বললেন, সমস্ত প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি আপনাকে স্বাভাবিক পথ দেখিয়েছেন। যদি আপনি শরাব বেছে নিতেন, তাহলে আপনার উম্মাত অবাধ্য হয়ে যেত। [৩৩৯৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) was presented with two cups one containing wine and the other milk on the night of his night journey at Jerusalem. He looked at it and took the milk. Gabriel said, "Thanks to Allah Who guided you to the Fitra (i.e. Islam); if you had taken the wine, your followers would have gone astray
তিনি বলেছেন, সূরাহ বনী ইসরাঈল, কাহাফ এবং মারইয়াম প্রথমে নাযিল হওয়া অতি উত্তম সূরা। এগুলো আমার পুরানো রক্ষিত সম্পদ। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, فَسَيُنْغِضُوْنَ তারা তাদের মাথা নাড়াবে। অন্য হতে বর্ণিত- نَغَضَتْ তোমার দাঁত নড়ে গেছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৪৮ প্রথমাংশ)
Narrated Ibn Mas`ud:
Surat Bani Israel and Al-Kahf and Mary are among my first old property
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যখন কুরায়শরা (মিরাজের ঘটনায়) আমাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করতে লাগল, তখন আমি হিজরে [1] দাঁড়ালাম। আল্লাহ্ তা‘আলা বায়তুল মাকদাসকে আমার সামনে পেশ করে দিলেন। আমি তা দেখে তার সকল নিশানা তাদের বলে দিতে লাগলাম। ইয়াকুব ইবনু ইব্রাহীম ইবনু শিহাব সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। যখন কুরায়শরা আমাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করতে লাগল, সেই ঘটনার ব্যাপারে যখন আমাকে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল--- পূর্বের অনুরূপ বর্ণনা করেন। এমন যা সবকিছু চুরমার করে দেয়। আমাকে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানোর ঘটনাটি যখন কুরায়শরা মিথ্যা সাব্যস্ত করতে লাগল। [৩৮৮৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Jabir bin `Abdullah:
The Prophet (ﷺ) said, "When the Quraish disbelieved me (concerning my night journey), I stood up in Al- Hijr (the unroofed portion of the Ka`ba) and Allah displayed Bait-ul-Maqdis before me, and I started to inform them (Quraish) about its signs while looking at it
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُوسَى أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الأَعْوَرُ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ. أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَدْعُو " أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْكَسَلِ، وَأَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ، وَفِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ ".
بَاب قَوْلِهِ :(وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَأْتِيَكَ الْيَقِيْنُ) ৬৫/১৫/৫. অধ্যায়: আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আর আপনার রবের ‘ইবাদাত করতে থাকুন যে পর্যন্ত না আপনার কাছে মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়। (সূরা হিজর ১৫/৯৯) قَالَ سَالِمٌ (الْيَقِيْنُ) الْمَوْتُ. সালিম বলেন, (এখানে) يَقِيْنُ মৃত্যু। (16) سُوْرَةُ النَّحْلِ সূরাহ (১৬) : নাহল (رُوْحُ الْقُدُسِ) جِبْرِيْلُ نَزَلَ بِهِ الرُّوْحُ الْأَمِيْنُ (فِيْ ضَيْقٍ) يُقَالُ أَمْرٌ ضَيْقٌ وَضَيِّقٌ مِثْلُ هَيْنٍ وَهَيِّنٍ وَلَيْنٍ وَلَيِّنٍ وَمَيْتٍ وَمَيِّتٍ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَتَفَيَّأُ ظِلَالُهُ تَتَهَيَّأُ سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا لَا يَتَوَعَّرُ عَلَيْهَا مَكَانٌ سَلَكَتْهُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (فِيْ تَقَلُّبِهِمْ) اخْتِلَافِهِمْ وَقَالَ مُجَاهِدٌ (تَمِيْدُ) تَكَفَّأُ (مُفْرَطُوْنَ) مَنْسِيُّوْنَ وَقَالَ غَيْرُهُ (فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْاٰنَ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ) مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ هَذَا مُقَدَّمٌ وَمُؤَخَّرٌ وَذَلِكَ أَنَّ الِاسْتِعَاذَةَ قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَمَعْنَاهَا الِاعْتِصَامُ بِاللهِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تُسِيْمُوْنَ تَرْعَوْنَ شَاكِلَتِهِ نَاحِيَتِهِ (قَصْدُ السَّبِيْلِ) الْبَيَانُ (الدِّفْءُ) مَا اسْتَدْفَأْتَ (تُرِيْحُوْنَ) بِالْعَشِيِّ (وَ تَسْرَحُوْنَ) بِالْغَدَاةِ (بِشِقِّ) يَعْنِي الْمَشَقَّةَ (عَلَى تَخَوُّفٍ) تَنَقُّصٍ (الأَنْعَامِلَعِبْرَةً) وَهِيَ تُؤَنَّثُ وَتُذَكَّرُ وَكَذَلِكَ النَّعَمُ الْأَنْعَامُ جَمَاعَةُ النَّعَمِ أَكْنَانٌ وَاحِدُهَا كِنٌّ مِثْلُ حِمْلٍ وَأَحْمَالٍ (سَرَابِيْلَ) قُمُصٌ (تَقِيْكُمْالْحَرَّ) وَأَمَّا (سَرَابِيْلَ تَقِيْكُمْ بَأْسَكُمْ) فَإِنَّهَا الدُّرُوْعُ (دَخَلًابَيْنَكُمْ) كُلُّ شَيْءٍ لَمْ يَصِحَّ فَهُوَ دَخَلٌ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (حَفَدَةً) مَنْ وَلَدَ الرَّجُلُ (السَّكَرُ) مَا حُرِّمَ مِنْ ثَمَرَتِهَا وَالرِّزْقُ الْحَسَنُ مَا أَحَلَّ اللهُ وَقَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ صَدَقَةَ (أَنْكَاثًا) هِيَ خَرْقَاءُ كَانَتْ إِذَا أَبْرَمَتْ (غَزْلَهَا) نَقَضَتْهُ وَقَالَ ابْنُ مَسْعُوْدٍ (الْأُمَّةُ) مُعَلِّمُ الْخَيْرِ (وَالْقَانِتُ) الْمُطِيْعُ. (أكْنانًا) واحِدُها كِنٌّ مِثْلُ حِمْلِ وأحْمَالٍ. رُوْحُ الْقُدُسِঅর্থাৎ জিবরীল (আঃ)।[1] অন্য আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, نَزَلَ بِهِ الرُّوْحُ الْأَمِيْنُ অর্থাৎ রূহুল আমীন (জিবরীল) ওয়াহী নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। فِيْ ضَيْقٍ সংকটে কিংবা সংকুচিত হৃদয়। বলা হয়, أَمْرٌ ضَيْقٌ وَضَيِّقٌ (يا মুশাদ্দাদ অথবা সাকিন) যেমন- هَيْنٌ-و-هَيِّنٌ-وَ-لَيْنٌ-لَيِّنٌ-وَ-مَيْتٌ-مَيِّتٌ এবং ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, فِيْ تَقَلُّبِهِمْ তাদের সর্বত্র গমনাগমনে। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, تَمِيْدُ আন্দোলিত হয়। مُفْرَطُوْنَ বিস্মৃত অবস্থায় রাখা হবে। অন্যের মতে, فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْاٰنَ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ এ বাক্যটি আগ-পিছু রয়েছে। কেননা কুরআন পাঠের আগে আশ্রয় প্রার্থনা করতে হয়। অর্থাৎ আল্লাহকে আঁকড়িয়ে ধরা شَاكِلَتِهِ নিজ প্রকৃতি অনুযায়ী। قَصْدُالسَّبِيْلِ (আল্লাহর যিম্মায়) সরল পথ প্রদর্শন الدِّفْءُ যা দ্বারা তুমি শীত নিবারণ কর। تُرِيْحُوْنَ বিকেল বেলা (পশুগুলিকে চারণ ভূমি থেকে গৃহে) নিয়ে আস। تَسْرَحُوْنَ সকাল বেলায় নিয়ে যাও। بِشِقِّ কষ্টের সঙ্গে। عَلٰى تَخَوُّفٍ কম করার মাধ্যমে الْأَنْعَامِلَعِبْرَةً (আন‘আমের মধ্যে অবশ্যই শিক্ষা রয়েছে) أَنْعَامِ শব্দটি পুং বাচক ও স্ত্রীবাচক দুইই ব্যবহার হয়। এরূপ أَنْعَام- শব্দটি نَعَامِ এর বহুবচন।২ سَرَابِيْلَজামাগুলো। تَقِيْكُمْ الْحَرَّ (তাপ থেকে তোমাদের রক্ষা করে) এবং سَرَابِيْلَ تَقِيْكُمْ بَأْسَكُمْ এ سَرَابِيْلَ মানে বর্ম (যা তোমাদের যুদ্ধ-আঘাত থেকে রক্ষা করে) دَخَلًا بَيْنَكُمْ যে কোন কাজ অযথার্থ হয় তাকে ‘দাখাল’ বলে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, حَفَدَةً পৌত্র অর্থাৎ এরাও নিজ সন্তান বলে গণ্য। السَّكَرُ মাদক, যা ফল থেকে তৈরি করা হয়, তা হারাম করা হয়েছে। الرِّزْقُالْحَسَنُ (উত্তম খাদ্য) যা আল্লাহ্ হালাল করেছেন। ইবনু ‘উয়াইনাহ সদাকাহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন, أَنْكَاثًا (টুকরো টুকরো করা) মক্কা্য় এক নির্বোধ মহিলা যে মজবুত করে সূতা পাকানোর পর তা টুকরো টুকরো করে ফেলত। ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) বলেন, الْأُمَّةُ কল্যাণের শিক্ষাদানকারী। الْقَانِتُ অনুগত। ৪৭০৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু‘আ করতেন (হে আল্লাহ্!) আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, অলসতা থেকে, চলৎশক্তিহীন বয়স থেকে, কবরের আযাব থেকে, দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। [২৮২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Anas bin Malik:
Allah's Messenger (ﷺ) used to invoke thus: "O Allah! I seek refuge with You from miserliness, laziness; from old geriatric age the punishment in the grave; from the affliction of Ad-Dajjal; and from the afflictions of life and death